Health লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Health লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, আগস্ট ০৯, ২০১৬

টানা ৩০ দিন আদা খেলে কী হয়?


টানা ৩০ দিন আদা খেলে কী হয়?রান্নাবান্নার একটি উৎকৃষ্ট উপাদান আদা। তবে মানুষ একে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের ঘরোয়া উপাদান হিসেবে বহুকাল ধরে ব্যবহার করছে। যেমন বমি বমি ভাব, হজমের সমস্যা ও ব্যথা ইত্যাদি।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম জানিয়েছে ৩০ দিন একটানা আদা খাওয়ার কিছু উপকারিতার কথা।
১. হজমের সমস্যা রোধে
আদার মধ্যে ডাইজেসটিভ ট্রাক্টের প্রদাহ কমানোর ক্ষমতা রয়েছে। এটি পাচক রস নিঃসরণ করতে সাহায্য করে। এতে খাবার ও পানি খুব সহজে পেটে নড়াচড়া করতে পারে।
২. বমি রোধে
গর্ভাবস্থায় বমি কমাতে আদা খুব উপকারী। এ ছাড়া মর্নিং সিকনেস প্রতিরোধেও এটি কার্যকর।
৩. ব্যথা কমাতে
পেশি ব্যথায় আদা কার্যকর। আদা ২৫ ভাগ পেশির ব্যথা কমাতে কাজ করে।
৪. প্রদাহ প্রতিরোধে কাজ করে
২৪৭ জনের একদল লোকের ওপর একটি গবেষণা করে দেখা গেছে, আদা খুব দ্রুত গাঁটের ব্যথা কমায় এবং গাঁটের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে।
৫. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে
৮৫ জনের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র তিন গ্রাম আদার গুঁড়ো খেলে শরীরের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
৬. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
প্রতিদিন মাত্র ২ গ্রাম আদার গুঁড়ো ১২ সপ্তাহ ধরে খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১০ ভাগ কমে। পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে ১০ ভাগ।
৭. আদা ক্যানসাররোধী
আদার মধ্যে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক উপাদান। এটি কোলনের ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
৮. মস্তিষ্কের কার্যক্রম ভালো করে
আদার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও বায়োঅ্যাকটিভ উপাদান মস্তিষ্কের অকালবার্ধক্য কমায়। এতে স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৪, ২০১৪

জন্মনিয়ন্ত্রণের আধুনিক পদ্ধতি


জন্মনিয়ন্ত্রণের আধুনিক পদআজকাল আমরা আমাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খুবই সচেতন৷ যার জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন রকম পদ্ধতিতে বিশ্বাসী৷ তবে মেয়েদের কাছে এই গর্ভনিরোধক পদ্ধতির মধ্যে খুব কমই জানা-শোনা রয়েছে৷জানুন জন্মনিয়ন্ত্রণের আধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে
কিন্তু, আপনি জানেন কি এই আধুনিক যুগে ১৭টি গর্ভনিরোধক পদ্ধতি রযেছে৷ এই পদ্ধতিগুলি গর্ভ নিরোধের পাশাপাশি আরও অনেক কিছু করার ক্ষমতা রাখে৷ তাই যদি আপনি এখনও পুরোনো পদ্ধতি ব্যবহার করছেন তাহলে এবার বদলে ফেলুন নিজেকে৷ উন্নত মানের পদ্ধতিকে ব্যবহার শুরু করুন এবং নিজেদের যৌবন উপভোগ করুন৷
‘নুভা রিঙ্গ’ ও ‘অর্থো ইভ্রা’ এই দুই গর্ভ নিরোধক পদ্ধতি খুবই উন্নত মানের এবং খুব ভালো ফল পাওয়া যায়৷ এই ‘নুভা রিঙ্গ’ ভ্যাজিনার ভিতরে বসানো হয়৷ এবং তিন সপ্তাহ ধরে রাখতে হয়৷ তবে এর সঙ্গে যদি গর্ভ নিরোধক বড়ি খাওয়া হয় তাহলে হয়তো কিছু শারীরিক সায়িড ইফেক্টস্ দেখা দিতে পারে৷ যদি ঠিক মত ব্যবহার করা যায় তাহলে খুব ভালো সুফল পেতে পারেন৷
শুধু একটাই খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার৷ সেটি হল এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে গর্ভ নিরোধক বড়ি খাওয়া যাবে না৷

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৪

স্তন ক্যান্সার বোঝার জন্য ইলেকট্রনিক স্কিন

শরীরে ব্রেস্ট ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে কি না তা বোঝার জন্য এবার ইলেকট্রনিক স্কিন নিয়ে এলেন চিকিত্‍সকরা। স্তনে কোনও অতিরিক্ত লাম্প হয়েছে কি না তা অনেক সময় হাত দিয়ে বোঝা না যেতে পারে। কিন্তু, ইলেকট্রনিক স্কিন সন্ধান দেবে সেই ছোট্ট লাম্পের।
চিকিত্‍সক রবি এফ সরফ ও চিউ ভ্যান নিগুয়েন জানান, স্তনের ক্যান্সার যদি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে তাহলে রোখা যেতে পারে যকৃতে সংক্রমণ। সাধারণত লাম্প যদি ২১ মিলিমিটারের থেকে ছোট হয় তবে তা ধরা পড়ে না হাতে। কিন্তু ইলেকট্রনিক স্কিন খুঁজে বের করতে পারে তার থেকেও ছোট লাম্প। লাম্পের গতিপ্রকৃতি বিচার করে সময় মতো চিকিত্‍সা শুরু করলে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
ন্যানোপার্টিকল ও পলিমারের সাহায্যে তৈরি এই ইলেকট্রনিক স্কিন ৫ মিলিমিটার থেকে ২০ মিলিমিটার পর্যন্ত ছোট লাম্পও খুঁজে বের করতে পারে।

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৪

যে অসুখে দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হয়

ক্লামাইডিয়া পুরুষের অতি সাধারণ যৌনবাহিত সংক্রমণ। অনেক পুরুষ সচরাচর জানেন না তাদের ক্লামাইডিয়া সংক্রমণ রয়েছে, কারণ তাদের কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে। যা হোক, ক্লামাইডিয়া মহিলা যৌন সঙ্গিনীকে সংক্রমিত করতে পারে এবং মারাত্মক সংক্রমণ ঘটায় এ জটিলতা সৃষ্টি করে। নবজাতক শিশুরাও এই জটিলতার শিকার হয়।
কীভাবে সংক্রমণ ঘটে?
যে জীবাণুটি সংক্রমণ ঘটায় তা রনাম ক্লামাইডিয়া ট্রাকোমাটিস। এই জীবাণুগুলো ব্যাকটেরিয়ার মতো একই ধরনের। সংক্রমণ সাধারণত যৌন সঙ্গমের সময় একজনের কাছ থেকে আরেক জনের কাছে ছড়ায়। এগুলো অস্বাভাবিক যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য পায়ু এলাকায়ও হতে পারে।
পুরুষদের ক্ষেত্রে ক্লামাইডিয়া সাধারণত মূত্রনালীকে সংক্রমিত করে। মূত্রনালী হচ্ছে একটা নল যা পুরুষাঙ্গের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে। মূত্রনালীর মধ্য দিয়ে প্রস্রাব ও যৌন রস (বীর্ষ) বেরিয়ে যায়। মূত্রনালীর সংক্রমণকে বলে ইউরেথ্রাইটিস।
ক্লামাইডিয়া এপিডিডাইমিস কিংবা প্রোস্টেট গ্রন্থিকেও সংক্রমিত করতে পারে। এপিডিডাইমিস হলো একটি ছোট গ্রন্থি যা অন্ডকোষের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটা শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রোস্টেট গ্রন্থি থাকে পুরুষাঙ্গের গোড়ায়। এটা শুক্রাণুর জন্য পুষ্টি উপাদান তৈরি করে। এপিডিডাইমিসের সংক্রমণকে বলে এপিডাইমাইটিস। প্রোস্টেটের সংক্রমণকে বলে প্রোস্টেটাইটিস।
পায়ুপথে সঙ্গম করলে মলদ্বার এবং মলনালীও সংক্রমিত হতে পারে।
উপসর্গগুলো কী কী?
সচরাচর কোনো উপসর্গ থাকে না। যদি মূত্রনালী সংক্রমিত হয় তাহলে আপনার এসব উপসর্গ থাকতে পারে :
০ পুরুষাঙ্গের মাথা থেকে রস নিসৃত হওয়া
০ প্রস্রাব করার সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া করা
০ এপিডিডাইমিস সংক্রমিত হলে অনডকোষে ব্যথা করে
০ প্রোস্টেট গ্রন্থি সংক্রমিত হলে যেসব উপসর্গ দেখা দেয় সেসব হচ্ছে:
০ মূত্রনালী থেকে নিঃসরণ
০ প্রস্রাব করার সময় কিংবা প্রস্রাব করার পর ব্যথা বা জ্বালাপোড় করা অথবা অস্বস্তি বোধ করা
০ যৌন সঙ্গমের সময় কিংবা যৌন সঙ্গমের পরে ব্যথা করা
০ পিঠের নিম্নভাগে বা কোমরে ব্যথা করা।
কখনো কখনো প্রোস্টেট কিংবা এপিডিডাইমিসের সংক্রমণ হঠাৎ ও তীব্র হয়। এ ধরনের সংক্রমণের ফলে জ্বর হয় অথবা অসুস্থতার অন্য লক্ষণগুলো দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
পায়ুপথ সংক্রমিত হলে যেসব উপসর্গ দেখা দেয়
০ পায়ুপথের চারপাশে জ্বালাপোড়া করা
০ পায়খানা করার সময় ব্যথা করা
কীভাবে রোগ নির্ণয় করবেন?
রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রথমেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ শনাক্ত করা সম্ভব। মূত্রনালীর সংক্রমণ নির্ণয়ের জন্য মূত্রনালীর মুখের নিঃসরণ পরীক্ষা করা হয়। এক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গের মাথায় মূত্রনালীর মুখে একটা সরু সোয়াব ঢোকানো হয়। ক্লামাইডিয়ার জন্য আপনাকে একটা প্রস্রাবের পরীক্ষাও করানো হতে পারে। যদি আপনার পায়ুপথে উপসর্গ থাকে তাহলে আপনার পায়ুপথের নিঃসরণ পরীক্ষা করাতে হবে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যাবে আপনার সংক্রমণে কী এবং কোন অ্যান্টিবায়োটিক সবচেয়ে ভাল কাজ করবে। তবে সচরাচর এপিডিডাইমিস ও প্রোস্টেট গ্রন্থির সংক্রমণের জন্য দায়ী জীবাণুকে শনাক্ত করা সম্ভব হয় না।
কী চিকিৎসা দেবেন?
সাধারণত সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণে সংক্রমণ সেরে যায়। বেশিরভাগ মূত্রনালীর সংক্রমণে সাত দিন অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের প্রয়োজন। কখনো কখনো একক মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে সংক্রমণের চিকিৎসা করা যেতে পারে। প্রোস্টেট গ্রন্থির সংক্রমণের জন্য ২ থেকে ৪ সপ্তাহ চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

যৌনতার বাধানিষেধ

যদিও অনেক প্রাণীর মধ্যে সমকামিতার যৌনখেলা বর্তমান। তাদের যৌনতার পরিচালনা হয় বেশিরভাগই উর্বরতাবৃত্তের সময়ে। সাধারণত নারী পশুরাই তাদের গর্ভধারণের সময়কালে পুরুষ পশুদের সাথে মিলিত হওয়ার আগ্রহ দেখায়। পশুদের এই মিলনপর্বের সময়টাকে অর্থাৎ তাদের উর্বরতাবৃত্তের পিরিয়ডকে প্রায়ই বলা হয়ে থাকে এসট্রুস। নারী পশুর গাত্র থেকে এই সময়ে একটা গন্ধ ছড়ায়, যা পেয়ে পুরুষ পশুরা যৌনভাবে উত্তেজিত হয়। এই গন্ধ ছড়ানো শুরু হলেই বুঝতে হবে মাদী পশু এখন এসট্রুস অবস্থায় আছে। এই ধরনের যৌন উত্তেজনার গন্ধকে বলা হয়ে থাকে ফেরোমোন।
অনেক শ্রেণীর পশুদের মধ্যে মাদী পশু প্রায় একই সময়ে সবগুলোর এসট্রুস হয়ে থাকে। তখন ফেরোমোনসের গন্ধে বাতাস পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে, যার কারণে মর্দ পশুদের যৌন উত্তেজনা বেড়ে যায়, যাকে বলা হয়ে থাকে রুট।
বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি যে, ফেরোমোনস মানুষের যৌনতার ক্ষেত্রে কী ভূমিকা রাখে। আমরা নিশ্চিত করে জানি যে, যদিও নারী ও পুরুষের কোনো এসট্রুস বা রুট পিরিয়ড বলে কিছু নেই। এটাই হলো মানুষ ও পশুদের মধ্যে একটা বড় পার্থক্য­ আমাদের যৌন পরিচালনা শুধু প্রজননের জন্যই সীমিত নয়। আমরা যে কোনো সময়েই যৌন জাগৃতির ইচ্ছা করতে পারি, যৌনাঙ্গ চালনা করতে পারি এবং যৌনানন্দ উপভোগ করতে পারি। তাতে নারী উর্বর হোক বা না হোক তা কোনো ব্যাপার নয়। আমাদের মানুষের যৌন পরিচালনা আরো আমাদের সম্ভব করে তোলে ব্যাপক আকারের বিবিধ প্রক্রিয়ায় যৌন জাগরণ ও আনন্দ উপভোগ করা। এসব মানুষের যৌনখেলা পশুদের মতো এতটাই সীমিত আকারের নয়। যদিও আমাদের রয়েছে অনেক বেশি যৌন আনন্দের ক্ষমতা অন্যান্য বেশিরভাগ পশুর চেয়ে, আমাদের যৌন পরিচালনা অনেক বেশি নিষিদ্ধ হতেও পারে।
যেসব বাধানিষেধ যা মানুষের যৌন পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, তা সাধারণত শারীরিক অপারগতার কারণে নয়, যেভাবে অন্য প্রাণীদের ক্ষেত্রে হয় আমাদের যৌনতার বাধানিষেধগুলো হচ্ছে সাধারণত সামাজিক। তারা সেরিব্রাল করটেক্সের মধ্যে বাণীবদ্ধ হয়ে থাকে। ব্রেনের এই অংশের মধ্যেই আমাদের যৌনতার পরিচিতি ও ভালোবাসার মানচিত্র উন্নতি লাভ করে। তারা গঠিত হয় আমাদের জীবন আরো আমাদের পরিবারের সঙ্গে জীবনের অভিজ্ঞতা এবং আমাদের সম্প্রদায়ের সামাজিক ও যৌনতার আদর্শ দ্বারা। এখানেই আমাদের যৌনতার অনুভব বসবাস করে। এই অনুভবগুলো প্রভাবিত করে যে, কীভাবে আমরা যৌনতায় মিলিত হই, কতটা বৈচিত্রতায় আমাদের যৌনতার আচরণ আমরা উপভোগ করতে পারি এবং কতটা আনন্দ আমরা পেতে পারি।
অনেকগুলো অনুভব যা আমাদের আছে তা হচ্ছে যৌনতা সম্বন্ধে বাধা-নিষেধ। এসব বাধানিষেধের অনেকগুলোই আমাদের নিজেদের ও আমাদের সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ লোকই অন্যকে আমাদের সাথে জবরদস্তি যৌনমিলনের জন্য বাধা অনুভব করি। অন্যদিকে অনেকগুলো বাধা-নিষেধ আছে যা অনুভব করি তা শুধু নিজেদের যৌনভাবে উপভোগ করায় বাধা দেয়। উদাহরণস্বরূপ আমরা চাইতে পারি যে আমাদের সঙ্গী আমার বিশেষ কোনো অঙ্গ স্পর্শ করুক কিন্তু হয়তো আমরা জানি না সেটা জিজ্ঞেস করা সঠিক কি না।
আমাদের যৌনতার বেশিরভাগ নিষেধ জড়িত রয়েছে আমাদের দেহের কল্পনায়, আমাদের আত্মসম্মানের সাথে, ঈর্ষা, হোমোফোবিয়া এবং আমাদের আন্তরিক হওয়ার সামর্থের সাথে।

যৌনাঙ্গ পরিচালনা

আমাদের সব ধরনের যৌন অনুভব সৃষ্টি হয় আমাদের মস্তিষ্কের মধ্যে, যা হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় যৌনাঙ্গ। আমাদের যৌন অনুভূতির জন্য ব্রেনের দুটো আলাদা অংশ দায়ী­তার একটি হচ্ছে ‘হাইপোথ্যালামাস’ অন্যটি হচ্ছে ‘সেরিব্রাল করটেক্স’। আমাদের ব্রেনের পেছনের সূক্ষ্ম হাইপোথ্যালামাস আমাদের মূল চাহিদাকে প্রভাবিত করে। খাদ্য খোঁজ করে, বিপদ থেকে পলায়ন করে, আমাদের সুরক্ষা করার জন্য যুদ্ধ করে এবং যৌনসঙ্গম ঘটায়। এগুলো হচ্ছে আমাদের মূল চাহিদা, যা আমরা অন্য প্রাণীদের সাথে সমভাবে ভাগ করে নিই।
বৃহৎ সেরিব্রাল করটেক্স যা থাকে আমাদের ব্রেনের সম্মুখভাগে, যা দ্বারা আমরা শিখি এবং অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করি। এটা আমাদের বুঝতে শেখায় যে কীভাবে আমরা চিন্তা করি, কীভাবে অনুভব করি এবং যৌনতার বিষয়ে ভূমিকা পালন করি। এটা হচ্ছে ব্রেনের সেই অঞ্চল যা আমাদের যৌন অনুভূতি সম্বন্ধে জ্ঞাত করায়। হাইপোথ্যালামাস আমাদের যৌনতাকে পরিচালনা করে। অনেক সময় এটাকে বলা হয় লিবিডো। কিছু সংখ্যক বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে, হাইপোথ্যালামাস আমাদের যৌনতার পূর্বাভিমুখীনতাকে যৌনাঙ্গ পরিচালনার জন্য গঠন করতে সাহায্য করে।
সেরিব্রাল করটেক্স আমাদের লিবিডোকে ভদ্রতা শেখায়। এটাই সেই স্থান যেখানে আমাদের মধ্যের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাসমূহ, আমাদের সামাজিক ও যৌন আচরণসমূহ বসবাস করে। এটা আমাদের যৌনাঙ্গকে পরিচালনার ব্যবস্থা করে যৌনতার খবরাখবর আদান-প্রদানের মাধ্যমে। যৌনতার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, যৌনতার স্মৃতি মন্থন করে, যৌনতার কল্পনাকে উন্নত করে এবং যৌনতার ঝুঁকিকে মূল্যায়ন করে। এটা সেই সংবাদটি ধারণ করে রাখে যা আমাদের যৌনতার ধারণা, অনুভব এবং আচার-আচরণকে গঠন করে।
যৌনতার মনস্তত্ত্ব হচ্ছে আমাদের সেই জ্ঞান ব্যবস্থা যে, কীভাবে আমাদের যৌন পরিচালনা, যৌন অনুভূতিসমূহ, কল্পনাসমূহ, স্মৃতিসমূহ এবং চিন্তা একসাথে কাজ করে আমাদের মনে এবং আমাদের যৌন আচরণকে প্রভাবিত করে।

যৌন মিলনে বডি ফিটনেস বাড়ে!

যৌন মিলন দাম্পত্য জীবনে সুখের অনুভূতি এনে দেয়৷ এতে সম্পর্ক এতটাই মধুর হয় যে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে ছেড়ে থাকতে পারেন না৷ এক কথায় বলা যায় সুস্থ স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কই হল দাম্পত্যের জীবনের সুখের চাবিকাঠি৷ তবে জানেন কি শারীরিক মিলন শুধু শারীরিক ও মানসিক সুখানুভূতিই এনে দেয় না৷ এর সঙ্গে বডি ফিটনেস বাড়াতেও সাহায্য করে৷
প্রতিদিন আপনি যদি নিয়মিত আপনার সঙ্গীর সঙ্গে মিলিত হতে পারেন তাহলে আপনার বডি ফিটনেস বাড়বে৷ এর সঙ্গে মনে স্ফূর্তিও বজায় থাকবে৷ এ কথা জানিয়েছেন হলিউডের হট গায়িকা মেলাইন ব্রাউন৷ মেলাইন তাঁর স্বামীর সঙ্গে বেশীর ভাগ সময়ে সপ্তাহে পাঁচবার মিলিত হন৷ আর তাঁর বডি ফিটনেসটা সেই কারনেই একেবারে পারফেক্ট রয়েছে৷

যৌন মিলনে পরম তৃপ্তি!

কিছুদিন আগেই বৃটেনে সেক্স নিয়ে একটা সমীক্ষা চালানো হযেছিল৷ সমীক্ষার মূল বিষয়টা ছিল দম্পতিরা কোন সময়ে তাদের যৌন মিলনে পরম তৃপ্তি লাভ করেছেন? এতে বিভিন্ন প্রেমিক-প্রেমিকা এবং দম্পতিদের মতামত ভোটের মাধ্যমে জানা হয়৷ এতে বেশীরভাগই জানিয়েছেন একসঙ্গে চার বছর কাটানোর পরেই তারা জীবনে যৌন মিলনের চরম তৃপ্তিটা লাভ করেছেন৷ এই সমীক্ষায় মোট 3000 ভোট পড়েছে৷
এতে এক চতুর্থাংশ এর মতে কয়েক বছর একসঙ্গে কাটানোর পরেই তারা শারীরিক মিলনের ক্ষেত্রে বেশী পারদর্শী হতে পেরেছেন৷ অপরদিকে 60 শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন তারা এখনও নতুন জিনিস শেখার চেষ্টা করছেন৷ এক দশমাংশের মতে বিয়ের পরেই যৌন মিলনের বিষয়ে তারা বেশী পরিমাণে শিখতে পেরেছেন৷
এই প্রসঙ্গে সার্ভের অধিকর্তা জানিয়েছেন ‘ সেক্স হল জীবনের অন্যান্য সম্পর্কের মত একটা অংশ৷ সময়ের উপরেই এর বৃদ্ধি এবং উন্নতি নির্ভর করে৷’

যৌন মিলনের চারটে গোপণ সূত্র

আপনার পার্টনারের সঙ্গে যৌন মিলনকে মধুর করতে হলে আপনাকে চারটে নিয়ম মেনে চলতে হবে৷ আপনি যদি এই চারটে নিয়মকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মেনে পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক ভাবে মিলিত হন তাহলে আপনি প্রকৃত অর্থে সহবাসের সুখ লাভ করবেন৷
‘দ্য ফোর সিক্রেটস অফ আমাজিং সেক্স’ এই গ্রন্থে লেখক জর্জিয়া ফস্টার এবং বেভারলি এনি ফস্টার চারটে নিয়মের কথা বলেছেন৷ তাদের মতে যৌন মিলনের আগে শরীরের তুলনায় মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেওয়াটা জরুরি৷ মানসিক ভাবে আপনি যদি যৌন মিলনের জন্য তৈরি থাকেন তাহলেই আপনি এর চরম সুখ লাভ করতে পারবেন৷ যৌন মিলনের জন্য চারটে গোপণ তথ্যের প্রথমটা হল :
সিডাকশান: বেশীরভাগ মানুষই মনে করে যৌন মিলনের আগে নিজেদের যৌন উত্তেজনা বাড়াতে হবে৷ না সেটা একেবারেই ভুল ধারনা৷ আগে মনে প্রাণে যৌন চেতনা জাগান৷ যৌন মিলনের আগে মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিন৷ আপনি কখনই ভাববেন না আপনার পার্টনারের যৌন উত্তেজনা নিমেষেই বেড়ে যাবে৷ মানসিক ভাবে অনুভব করার পরেই এটা বাড়ানো সম্ভব৷
সেনসেশান: যৌন মিলনের ক্ষেত্রে সিক্স সেনস একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়৷ সেক্ষেত্রে আপনি এবং আপনার পার্টনার উভয়েরই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে জাগ্রত করতে হবে৷ কারণ যৌন মিলনের সময়ে প্রচুর এনার্জীর প্রয়োজন জয়৷ এনার্জী লাভের জন্য ষষ্ট ইন্দ্রিয়কে জাগানো জরুরি৷
সারেন্ডার: তৃতীয় চাবিকাঠিটা হল নিরাপত্তা৷ যৌন মিলনের সময় আপনি যদি নিশ্চিন্তে আপনার পার্টনারের কাছে নিজেকে সপে দিতে পারেন তাহলেই আপনার যৌন মিলন সফল হবে৷ এর জন্য পার্টনারের কাছে আপনি যে নিরাপদ রয়েছে সেই মানসিক ভাবনাটা থাকা জরুরি৷
রিফ্লেকশান: আপনি যদি প্রথম তিনটে নিয়্ম ভ্রুনাক্ষরে পালন করে তাহলে আপনি আপনার অভিজ্ঞতাতেই এর প্রতিবিম্বটা খুঁজে পাবেন৷ পুণরায় যৌন মিলনের আগ্রহ আপনার মনে জাগবে৷


রবিবার, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৪

যেসব নিয়মে ধরে রাখতে পারবেন ‘চির তারুণ্য’

ছোটবেলায় সবাই খুব তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যেতে চায়! কিন্তু বড় হবার পর সহজে কেউ বুড়ো হতে চায় না। বয়স বাড়াকে হয়তো থামিয়ে দেয়া যাবে না। তবে শরীর এবং মনে বার্ধক্যকে বিলম্বিত করার উপায় কিন্তু আছে! মেনে চলুন কিছু নিয়ম, তাহলেই ধরে রাখতে পারবেন চির তারুণ্য।
জলচিকিত্‍সা
খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এরপর বাথরুমে যান। বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরো এক গ্লাস পানি খান। সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি খাবেন। এই নিয়মে পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি বা জলচিকিত্‍সা। মূলত এটি হলো প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিত্‍সা। আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে - ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে প্রায় ৩৬ ধরনের রোগ হয় না এবং হলেও সেরে যায়।
চাইনিজ হারবাল মেডিসিন
চাইনিজ হারবাল মেডিসিন দেখে নিশ্চয়ই ভাবছেন, জিনিসটা না জানি কী! জিনিসটা আর কিছুই নয়, চা! দুধ-চিনি ছাড়া হালকা গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি চাইনিজ হারবাল মেডিসিন। সেকালে এই চা দিয়ে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও পেটের নানা রকম রোগের চিকিত্‍সা করা হতো। আবার আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চায়ে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধে নিশ্চিত অবদান রাখে। এছাড়াও অন্যান্য বহু গুণ রয়েছে চায়ের। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত বেশি।
সকালটা শুরু করুন দুধ ছাড়া খুব হালকা গরম এক কাপ চা দিয়ে। আপনার ওজন বেশির দিকে হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না। সারাদিনে এমন চা কমপক্ষে চার কাপ খাবেন।
মধু
মধুও একটি প্রাচীন প্রাকৃতিক ওষুধ। মধুতে রয়েছে অনেক ধরনের গুণ। প্রাচীনকালে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরিতে মধু ব্যবহার করা হতো। মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খাবেন।
ভিটামিন সি
ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ। এর অসংখ্য গুণাগুণ। জানা গেছে, দিনে এক হাজার মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে। তবে ট্যাবলেট খেলে হবে না, খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাজা ফলমূল। প্রতিদিনই খেতে হবে। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে সাহায্য করে। আমলকী, সব ধরনের লেবু, টমেটো, পেয়ারা, কাঁচামরিচ, নানা রকম টক স্বাদের ফলে বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।
মাংস ও দুধকে 'না'
রেডমিট অর্থাত্‍ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের মুরগিও খাওয়া চলবে না। শুধু চর্বি হীন বাচ্চা মুরগির মাংস খাওয়া চলতে পারে। পূর্ণবয়স্কদের জন্য গরু,ছাগল, মহিষের দুধ অপ্রয়োজনীয় তো বটেই, রীতিমতো ক্ষতিকর। দুগ্ধজাত খাবারও তাই। তবে টক দই খেতে পারেন। টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।
যা খাবেন
প্রচুর পরিমাণে আধা সেদ্ধ শাকসবজি, তরিতরকারি এবং অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি, এই হওয়া উচিত আপনার প্রতিদিনের মূল খাদ্য। সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন কাঁচা লেটুসপাতা, পুদিনাপাতা, টমেটো ইত্যাদি। ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের মাছ খেতে পারলে আরো ভালো। কেননা তা মহৌষধ। তবে গাদা গাদা মাছের কাঁটা খাওয়া ঠিক নয়। এতে পাকস্থলীতে পাথর হতে পারে।

স্বামী-স্ত্রীর মধুর দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে কিছু করণীয়

স্বামী-স্ত্রীর মধুর দাম্পত্য জীবনে আছে সুখ-দুঃখ আর হাসি-কান্না। আবার এ মধুর জীবনে রয়েছে মনোমালিন্য। তবে মনোমালিন্যতার সময়টুকু যদি দীর্ঘ হয় তাহলে দাম্পত্য জীবনে অসুখী হতে পারেন।
প্রত্যেককেই মনে রাখ দরকার, কোনোভাবেই যেন রাগ দীর্ঘস্থায়ী না হয়। মনোমালিন্য খুবই খারাপ সমস্যা, যা সুন্দর সম্পর্ককে নষ্ট করে দিতে পারে। তবে কিছু কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে সচেতন স্বামীরা সহজেই স্ত্রীর রাগ সামলে নিতে পারেন।
জেনে নিন তেমন কিছু বিষয়-
স্ত্রী যেভাবে খুশি হয় : প্রতিটি নারীর কিছু দুর্বল জায়গা থাকে। কিছু কিছু সাধারণ বিষয় থাকে, যাতে স্ত্রীরা খুব অল্পতে পটে যায়। তার একটি তালিকা তৈরি করুন। নিয়মিত তা চর্চার চেষ্টা করুন।
প্রতিজ্ঞা রক্ষা : স্ত্রীর কাছে কোনো প্রতিজ্ঞা করলে বা প্রতিশ্রুতি দিলে তা রক্ষা করার চেষ্টা করুন। ভুলবশত তার রাগের কারণে বড় কোনো অঙ্গীকার করা ঠিক না। যদি কখনও কোনো অঙ্গীকার ভঙ্গ করেই থাকেন তবে তা না লুকিয়ে বরং তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করুন।
রাগের সময় যুক্তি দিতে যাবেন না : যখন আপনার স্ত্রী প্রচণ্ড রেগে যান, তখন কোনো কথা সে শুনতে পছন্দ করবে না। তাই কথা না বলে শুধু তার দিকেই দৃষ্টি রাখুন। এমন কিছু করবেন না যাতে সে আরও রেগে যায়। আবার তার রাগকে তাচ্ছিল্যও করবেন না। রেগে গেলে তর্ক করবেন না বা পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করবেন না বরং আন্তরিক হওয়ার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন অনেক সময় রাগান্বিত অবস্থায় কোনো যুক্তি উপস্থাপন করলে তা আরও রাগের হয়ে দাঁড়ায়। স্ত্রীর পাশে বসুন, স্ত্রী শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাগের বিষয় জানতে চাইবেন না। রাগের কারণ জানার জন্য কিছু সময় অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না আপনার স্ত্রী শান্ত বা প্রাণবন্ত না হয়।
প্রয়োজনে আত্মসমর্পন : আপনি আপনার স্ত্রীর মতের সঙ্গে একমত নন। কিন্তু শান্ত করার জন্য একমতের ভান করতে পারেন। জানান তার কথার সঙ্গে আপনি একমত। হতে পারে তা আপনার মাথা নাড়ানোর মাধ্যমে, মাঝে মাঝে বশ্যতা প্রকাশ করুন।
খোঁচা নয় পরামর্শ দরকার : অনেক কারণেই আপনার স্ত্রীর মনে রাগ ক্ষোভ-জমে থাকতে পারে। হতে পারে এটি আপনার বাবা-মায়ের কারণেও। তাই হঠাৎ আপনার সঙ্গে কঠিন করে কথা বললে তার প্রতিউত্তর না দেওয়ারই চেষ্টা করবেন। তাকে তার অতীত, পাবিারিক অবস্থা, স্বভাব নিয়ে খোঁচা দিবেন না বরং কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় বা সে নিজেকে শুধরে নিতে পারে সে বিষয়ে পরামর্শ দিন।
আঘাত করবেন না : অনেক সময় স্ত্রী আবেগ প্রকাশের জন্যও রাগ দেখায়। বিশ্বজুড়ে এটি স্ত্রীদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। তার রাগের কারণ হতে পারে আপনার আচরণ, চাকরি কিংবা খোঁচা মেরে কথা বলা। আবার এও হতে পারে, সে যা বলে তা সম্পর্কে নিজেও অবহিত নন। এ সময় তাকে শান্ত করার চেষ্টা করুন। পরবর্তী সময়ে দুজনে বিষয়টি নিয়ে বসুন, নতুন করে আলাপ করুন।
- See more at: http://www.bd24live.com/article/4320/index.html#sthash.ZrNU7o6b.dpuf