Female লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Female লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, জুলাই ২০, ২০১৪

লিউকোরিয়া প্রতিরোধের কয়েকটি উপায়

লিউকোরিয়া হচ্ছে সাদা স্রাব। নারীর যোনি থেকে ক্রমাগত সাদা তরলের ক্ষরণ হলে তাকে লিউকোরিয়া বলা হয়। আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলের নারীদের এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায় বেশি। ভারতের উত্তর প্রদেশের নারীরা এই রোগে আক্রান্ত হয় বেশি।
লিউকোরিয়ার সাধারণ কারণ-
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ।
যোনিতে সেপ্রর ব্যবহার ।
রক্তাল্পতা এবং দীর্ঘ সময় অসুস্থ থাকা ।
ট্রিকমোনাল ইনফেকশন ।
মনিলিয়াল ইফেকশন ।
কারভিকটিজ ।
লিউকোরিয়া প্রতিরোধের কয়েকটি উপায়-
সুতির প্যান্টি ব্যবহার করা ।
যৌনতায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ।
যৌনমিলনের আগে এবং পরে যৌনাঙ্গ ধৌত করা ।
যোনির পিচ্ছিলতা বাড়াতে কেওয়াই জেলি ব্যবহার ।
যোনিতে কোনো প্রকার সেপ্র ব্যবহার না করা ।
জন্ম নিরোধক পিল সেবনের পূর্বে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সর্ম্পকে জেনে নেয়া ।
সুষম খাদ্য গ্রহণ ।
সূত্রঃ প্রফেসর ডাঃ মোহাম্মদ ফিরোজ

নারীর যৌনাকাঙক্ষা বাড়তে স্প্রে

যে সকল মহিলা দীর্ঘদিন ধরে যৌন শীতলতায় ভুগছেন তাদের জন্য এক আনন্দের বার্তা ঘোষণা করেছেন গবেষকরা। গবেষকদের মতে, এক বিশেষ ধরনের তরল পদার্থ মহিলাদের যৌনাঙ্গে স্প্রে করলে তাদের যৌনাকাঙক্ষা বাড়তে পারে এবং সেই সাথে শরীরও হতে পারে চাঙ্গা। Alprostadil নামের এ ওষুধটি কিন্তু একেবারে নতুন নয়। ইতোপূর্বে এই ওষুধটি পুরুষদের যৌন সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হতো। Prostaglandin E থেকে এটি প্রস্তুত করা হয়।
মূলত সেই মহিলারাই যৌন শীতলতায় ভোগেন যাদের শরীর ও মন একই সাথে যৌন ইচ্ছায় সাড়া দেয় না। সম্প্রতি আমেরিকান ইউরোলজিক্যাল এ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সভায় এ সম্বন্ধীয় এক সমীক্ষায় রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। রজঃনিবৃত্তপ্রাপ্ত যৌন শীতলতায় ভোগা ৪০ থেকে ৭০ বছর বয়স্ক মহিলাদের ওপর পরিচালিত এই সমীক্ষায় দেখা যায় যেসব মহিলা Alprostadil নামক তরল ওষুধটি তাদের ভগাঙ্কুর ও যোনিপথে স্প্রে করেছেন তাদের তীব্র থেকে অতি তীব্র যৌনাকাঙক্ষা সৃষ্টি হয়েছে এবং শরীর ও মন সেজন্য প্রস্তুত হয়েছে। সমীক্ষায় এই ফলাফলের কারণে গবেষকরা আশান্বিত এবং সেই সাথে যারা যৌন শীতলতা সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন তারাও আশান্বিত হতে পারেন এই ভেবে যে, অষঢ়ৎড়ংঃধফরষ স্প্রে ব্যবহারে জীবন আবারও হতে পারে মধুময়।
ডা. একে এম খালেকুজ্জামান দিপু
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০০৯
- See more at: http://www.ebanglahealth.com/1894#sthash.cEUbhoNg.dpuf

বৃহস্পতিবার, জুন ২৬, ২০১৪

ফর্সা হওয়ার সহজ উপায়

indexত্বক ফর্সা বা কালো হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে মেলানিনের উপর । এর আধিক্য বেশি হলে গায়ের রঙ কালো আর কম হলে ফর্সা হয়ে থাকে । তবে প্রাকৃতিক কিছু উপাদানে রয়েছে এনজাইম ও হরমোন যা ত্বকের কোষ সুস্থ করে ত্বককে করে তলে উজ্জ্বল । ত্বকের রঙ ফর্সা করতে মুখে নিয়মিত ব্যাবহার করতে হবে ।
* মুখে দই লাগাতে পারেন । ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন । সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন এই ভাবে লাগাতে হবে ।
* নিয়মিত দুধ দিয়ে মুখ মুছলেও ত্বক ফর্সা হয় ।
* অয়েলি স্কিনের জন্য লেবুর রস ও ডিমের সাদা অংশ সমপরিমাণে মিশিয়ে মুখে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন । ত্বক উজ্জ্বল না হয়ে পারেই না ।
* সারা গায়ের রঙ উজ্জ্বল করতে বেসন , দই আর সামান্য হলুদ মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন । গোসলের সময় সাবানের পরিবর্তে এটি নিয়মিত ব্যাবহার করুন ।
*কচি শসা ব্লেন্ড করে মুখে লাগিয়ে রেখে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক ভালো পরিষ্কার হবে।
*পাকা টমেটো ও ত্বক পরিচ্ছন্নতায় উপকারী।
* আপেলের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এরপর টক দইয়ের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল হবে।

বুধবার, জুন ২৫, ২০১৪

`অকর্মের ঢেঁকী`র কামালে স্তনও ফিট!

কুমড়োর কামালে স্তন ক্যান্সারও জুজু, থাকে এক্কেবারে ফিট! ত্বকও ফিটফাট। একজন মেয়ের সবচেয়ে বড় বন্ধু কে! ভরা সভায় কথাটা জিজ্ঞাসা করলেন এক ডাক্তার। সবাই অবাক ত্বকের কথা বলতে গিয়ে কেন এই প্রশ্ন। কিছুক্ষণ পরেই উত্তর পাওয়ার পর সবাই ঘাড় নাড়লেন।
কুমড়োই নাকি মেয়েদের সবচেয়ে বড় বন্ধু হতে পারে। স্তন ক্যান্সার থেকে রোগপ্রতিরোধ করা ক্ষমতা, হাড়ের জোর বাড়ানো থেকে শরীরে ভিটামিনের সঠিক জোগান। সবই মেলে বাঙালীর কাছে `অকর্মের ঢেঁকী` হিসাবে পরিচিত কুমড়ো থেকে। আসলে কুমড়োকে সেভাবে পাত্তা দেওয়ার রেওয়াজটা সেভাবে কারও মধ্যেই নেই, কিন্তু কুমড়োর কামালের কথা শুনে সবাই একেবারে সাবাসী করচেন। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কুমড়োর কামাল
স্তন ক্যানসারে রক্ষা করতে পারে কুমড়ো। থাকে ফিট।
রক্তের চাপ কমাতে, শিরা, পেশী, হাড়কে সতেজ রাখতে কুমড়োর জুড়ি মেলা ভার। হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে কুমড়ো অতিপ্রয়োজনীয় জিনিস।
শীতকালে ত্বক শুস্ক থাকার কারণে নামী দামি অনেক ক্রিম মাখছেন, কিন্তু ঔজ্বল্য ফিরছে না। আপনি কুমড়ো খোলা বেঁটে মাখুন তারপর দেখুন আপনার ত্বক কি বলছে। শীতকালে ত্বকে ভিটামিন এ-র অভাব ভীষণভাবে দেখা যায়। এইজন্য ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। কিন্তু কুমড়ো এমন একটা সব্জী প্রচুর পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আপনার শরীরে ভিটামিন এ তে পরিনত হয়।
আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় ভাইরাস ঘটিত রোগ থেকে রেহাই পেতে পারেন। নিয়মিত কুমড়ো খেলে আলফা ক্যারোটিন, বেটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি, লৌহ এবং প্রচুর পরিমানে ভিটামিনও পেতে পারেন।

আপনার দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে গেলেও কুমড়ো খেতে পারেন। কুমড়োতে ক্যারোটেনোয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (lutein and beta cryptoxanthin) থাকে যা আপনার চোখের ছানি থেকে দূরে রাখে।