Life Style লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Life Style লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৫

মানবপ্রকৃতি ও প্রকৃতির নীরব প্রতিক্রিয়া


প্রকৃতি
কি এই অন্যায় নিরবে সহ্য করে? না। সে তো নীরব, কিন্তু অন্ধ নয়। সে দেখে মানুষ কেমন করে খুন করে, নিপীড়ন চালায়, বিশ্বাসঘাতকতা করে, হিংসা ছড়ায়। প্রকৃতি হয়তো কাঁদে না, চিৎকার করে না; কিন্তু একসময় তার ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। তখন সে ঝড় হয়ে ওঠে সিডর, আম্পান, ভূমিকম্প, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, খরা, বন্যা- সবই যেন মানুষের পাপের নিরব প্রতিক্রিয়া।

আজ প্রকৃতি ভারসাম্য হারিয়েছে, ঠিক যেমন মানুষ হারিয়েছে বিবেক। গ্রীষ্মে শীত, শীতে গ্রীষ্ম, আকাশের রঙে বিষন্নতা, বাতাসে গন্ধ নেই, যেন সব মিলিয়ে প্রকৃতি যেন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে- “তোমরাই কি আমার নিয়ন্ত্রক? না আমি তোমাদের?”

এই বৈপরীত্য আর কাকতালীয় নয়। এটা মানুষ নামের জীবের লোভ, অবিচার, এবং সীমাহীন আত্মমোহের ফল। মানুষের মধ্যে এখন স্বাভাবিক জীবনযাত্রার চেয়ে প্রতিযোগিতা, প্রতিহিংসা, এবং একে অন্যকে ঘায়েল করার কৌশলই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে কারণে আজ মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়েই প্রশ্ন উঠছে “মানুষ কি সত্যিই আশরাফুল মাখলুকাত?”

কখনো কখনো মনে হয়, সৃষ্টিকর্তাও হয়তো ভাবছেন- “আমি কেন এমন একটি জাতিকে সৃষ্টি করলাম, যারা ক্ষমতা আর লাভের জন্য সবকিছু ভুলে যেতে পারে?”( নাউজুবিল্লাহ! হে আল্লাহ!! আমাদের ক্ষমা করো!!!)

সমস্যা হলো আমরা নিজেদের ভুল বুঝি, তবু স্বীকার করি না। কাকে ঠকিয়ে কে বড় হবে, কাকে দমন করে কে ক্ষমতা পাবে, এসব হিসাবের মাঝেই হারিয়ে যাচ্ছে সহানুভূতি, মায়া, ভালোবাসা। সত্য বললে কেউ পাশে দাঁড়ায় না, অথচ মিথ্যার রঙে রাঙানো কুকর্মীরা হয়ে ওঠে নায়ক।

তাই বলা যায়, প্রকৃতি আর সমাজ দুটোরই ভারসাম্য আজ ভেঙে পড়েছে। একটি নষ্ট হলে অন্যটি তার প্রতিক্রিয়া দেয়। আর যদি আমরা এখনই না থামি, না বদলাই; তবে হয়তো একদিন প্রকৃতিই আমাদের চূড়ান্ত জবাব দিয়ে দেবে, এমনভাবে, যেখান থেকে ফিরে আসা অসম্ভব।

মুখোশধারীদের সমাজে অতি-ভদ্রতা একটি পাপ


এই সমাজ
, সমাজের মানুষগুলো, জীবন ও পৃথিবী- সবই এক গভীর বৈচিত্র্যে পূর্ণ। এখানে কেউ চেহারায় নিষ্পাপ, কিন্তু অন্তরে ধূর্ত; কেউ মুখে নীতিকথা বলে, কিন্তু পেছনে কুৎসার বীজ বপন করে। মানুষ চেনা সত্যিই দুঃসাধ্য, কারণ মানুষ চেনা যায় না চোখের দৃষ্টিতে, চেনা যায় সময়ের আয়নায়। সম্পর্ক, সৌজন্যতা কিংবা উপকার এসবের উপর ভিত্তি করে কাউকে চেনা প্রায়শই বিভ্রান্তিকর। কারণ মানুষের প্রকৃত চরিত্র, তার অন্তর্নিহিত রূপ, ধীরে ধীরে সময়ের পরীক্ষায় প্রকাশ পায়। এ যেন এক দীর্ঘ নাট্যচিত্র, যেখানে কেউ অভিনয়ে পটু, কেউ শুধু নির্বাক দর্শক।

আজকাল মানুষের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো তাদের উপকারীর প্রতি অসহিষ্ণুতা। অতীতে তুমি যার উপকার করেছো, একদিন তাকেই হয়তো দেখবে তোমার বিপদ ডেকে আনছে। যার জন্য নিজে কিছু করেনি, তার উপকারও সে নিতে চায়। কিন্তু যখন উপকারের উপায় শেষ হয়ে যায়, তখন সেই মানুষটিই উপকারকারীর ক্ষতির চিন্তায় মত্ত হয়। উপকারের বিনিময়ে কৃতজ্ঞতা নয়, বরং অসূয়া হয়ে ওঠে তার প্রতিক্রিয়া। কেন? কৃতজ্ঞ হওয়ার বদলে সে কেন হয়ে ওঠে হিংস্র ও প্রতিহিংসাপরায়ণ? কারণ মানুষ যতক্ষণ সুবিধা পায়, ততক্ষণ সে শান্ত থাকে। কিন্তু যখন সে বুঝে, তার চাওয়া পূরণ আর সম্ভব নয়, তখন তার ভিতর ভালোবাসা নয় বরং বিদ্বেষ জন্মাতে শুরু করে। উপকার পেতে পেতে একসময় সে ভুলে যায়, কৃতজ্ঞতা কাকে বলে। বরং তাকে ঘিরে তৈরি হয় এক ধরনের অহংবোধ, সে ভাবে, "আমিই এই উপকারের যোগ্য ছিলাম, এ তো আমার প্রাপ্য।"

বিশেষ করে যদি তুমি ভদ্র, শান্ত, সহনশীল এবং সহজ-সরল হয়ে থাকো, তবে তোমার বিপদ আরও বাড়ে। কারণ সমাজের এক শ্রেণির মানুষ দুর্বলতার সুযোগ নিতে সদা প্রস্তুত। তারা জানে, তুমি প্রতিবাদ করবে না, চিৎকার করবে না, সুতরাং তোমার পিঠেই সবচেয়ে বেশি আঘাত করা যায়। এরা মুখে মিষ্টি, অন্তরে বিষাক্ত। এদের জন্য ভদ্রতা যেন নিজের বিপদের দাওয়াতপত্র।

এক শ্রেণির মানুষ আছে, যাদের সমাজে বলা হয় “মেধাবী”। এই বিশেষণ তাদের আত্মতুষ্টির এমন এক চূড়ায় পৌঁছে দেয়, যেখানে তারা ভুলে যায় যে, সত্যিকারের জ্ঞান বিনয়ের জন্ম দেয়, অহংকারের নয়। সমাজের অন্ধ প্রশংসা যখন একটানা কারো প্রতি বর্ষিত হয়, তখন তার ভেতরে জন্ম নেয় এক প্রকার আত্মম্ভরিতা। সে তখন নিজেকে অন্যদের তুলনায় শ্রেষ্ঠ ভাবতে শুরু করে, ভুলে যায় নিজের বাস্তব পরিচয়, তার পারিবারিক ভিত্তি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক অবস্থান আদৌ কতটা শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে। সে বুঝতে পারে না, যোগ্যতা শুধু কাগজে-কলমে নয়, মানসিকতা, মানবিকতা, সততা সবকিছু মিলেই তা পূর্ণতা পায়।

তাদের কাছে নিজেকে বড় দেখানোর সহজ উপায় হলো অন্যদের ছোট করা। বিশেষ করে, যারা প্রকৃত অর্থে মেধাবী, সৎ এবং নির্লোভ, তাদের প্রতি আক্রমণ করাই এদের প্রিয় কাজ। মিথ্যা কথা, চরিত্রহনন, গুজব রটানো, এমনকি দুঃসময়ে ছুরি মেরে দেওয়া, এগুলো যেন তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়। কারণ যদি তারা সেই প্রকৃত যোগ্যদের সম্মান দেয়, তবে নিজেদের কৃত্রিম শ্রেষ্ঠত্ব বজায় থাকবে কীভাবে? সে ভাবে, অন্যকে মাটিতে নামিয়ে আনলেই সে আকাশে উঠবে।

এই চতুর, আত্মম্ভরী, কথিত মেধাবী মানুষগুলো যখন সমাজের নিয়ন্ত্রণ নেয়, তখন তাদের চারপাশে জড়ো হতে থাকে সুবিধাবাদী গোষ্ঠী।এই সুবিধাবাদীরাই তাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, গড়ে ওঠে এক সামাজিক অসুস্থতা। তারা চায় বিশৃঙ্খলা, কারণ বিশৃঙ্খল সমাজেই সবচাইতে বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। সত্য, ন্যায়, মেধা, মূল্যবোধ- সব কিছু তখন হাস্যকর হয়ে দাঁড়ায়। এই গোষ্ঠী নিজেদের প্রয়োজনেই কুৎসাকারীদের পৃষ্ঠপোষকতা করে, তাদের দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে, আর সমাজে একটি পঁচনশীল কাঠামোর জন্ম দেয়।

যদি এইসব অন্যায়ের সামনে তুমি নীরব থাকো, যদি তুমি ভাবো ভদ্রভাবে এড়িয়ে গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে, তবে তুমি ধ্বংসকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছো। কারণ এরা নীরবতাকে ভয় পায় না, বরং প্রশ্রয় মনে করে। তারা তখন নিজের সীমা ভুলে নিজেকে অপ্রতিরোধ্য ভাবতে শুরু করে।

এই মুখোশধারীরা মানবিকতা বোঝে না, বিবেক বোঝে না, কৃতজ্ঞতা বোঝে না। এদের কাছে সৌজন্য এক ধরনের বোকামি, ভদ্রতা একধরনের দুর্বলতা, আর নৈতিকতা একধরনের আবেগপ্রবণ বেহায়াপনা। তাদের সামনে তোমাকে তাদের ভাষাতেই কথা বলতে হবে, বলতে হবে সত্যের ভাষায়, যুক্তির ভাষায়, প্রয়োজনে কঠোরতার ভাষায়। ভদ্রতা নয়, দৃঢ়তা হোক তোমার ঢাল। ক্ষমা নয়, বিচার হোক তোমার শপথ। কারণ, একমাত্র প্রতিবাদীরাই ইতিহাস গড়তে পারে আর নীরবরা হয় কেবল নির্যাতনের পাতার একটি নাম। 

এ প্রসঙ্গে বলবো- 

"ভদ্র হওয়া ভালো , নীরব থাকা উত্তম। কিন্তু এটাও ধ্রুব সত্য- ভদ্রতা যদি সত্যকে চাপা দেয়, তবে সেটি কাপুরুষতা। তাই সত্যকে চিৎকার করে জানাও এবং এটাই ভদ্রতার প্রকৃতরুপ।"

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৪

মেয়েরা পুরুষের কাছে যা চায়

নারী এবং পুরুষ পরস্পর ভিন্ন এই দুটি সত্ত্বার পার্থক্য অনেক বেশি। বিপরীত লিঙ্গ হওয়ার কারণে পরস্পরের প্রতি দুর্বার আকর্ষণ থাকা সত্তেও হরমোনজনিত কারণে এদের মানসিকতা অনেক বেশি আলাদা। ফলে একিপথে চলতে-ফিরতে মানিয়ে চলাটা খুব বেশি জরুরি। আর বিশেষ ক্ষেত্রে ছেলেরা যদি নিজে উদ্যোগী হয়ে নারীকে বুঝতে যায়, তাহলে সম্পর্কটা হয়ে যায় আরো মধুর। মেয়েরাও চায় এই বিষয়গুলো সঙ্গী নিজে বুঝুক এবং করুক। আসুন জেনে নেই পুরুষের কাছে নারীর এমন দশটি চাওয়া-
আবেগী হোন:
ধরুণ, আপনি আপনার সঙ্গীনিকে প্রচন্ড ভালোবাসেন। কিন্তু কখনো এই আবেগ প্রকাশ করলেন না। তাতে কী লাভ হলো। হয়তো বলবেন, সবসময় কী এসব প্রকাশ করা যায় নাকি! কিন্তু বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, সঙ্গীনি আপনার কাছে আবেগের এই প্রকাশ চায়। তাই বলে আপনি আবেগ প্রকাশ করতে গিয়ে একদম আবেগপ্রবণ হয়ে যাবেন, তা কিন্তু কখনোই কাঙ্ক্ষিত নয় সঙ্গীনির কাছে।
কথা বলুন:
অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান চলে আসে শুধুমাত্র আলোচনার মাধ্যমে। আবার ঠিকভাবে কথা না বলায়ও সৃষ্টি হতে পারে বড় বড় সমস্যার। সম্পর্কের ক্ষেত্রে কথা বলাটা সবচেয়ে বেশি জরুরি। আপনি একটা কিছু মনে রেখে দিলেন সঙ্গীনিকে প্রশ্ন না করেই, তাহলে কোনো এক সময় এই নীরবতাই সম্পর্কে টেনে আসবে তিক্ততার। আর তাই মেয়েরা চায় আপনি কথা বলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করুন এবং তার সাথে কথা বলুন সব বিষয়ে।
সে যখন কথা বলে, মন দিয়ে শুনুন:
বেশিরভাগ ছেলেই সঙ্গীনি কথা বললে নিজ ব্যস্ততার কারণে বা গুরুত্ব না দেওয়ার কারণে মন দিয়ে শোনেন না। কাজটা অত্যন্ত ভুল। সঙ্গীনি আপনার কাছে কোনো প্রতিউত্তর আশা করে না। সে চায়, আপনি শুধু মন দিয়ে শুনুন। তাতেই সে খুশী। এবং আপনার কাছে তার এই প্রত্যাশা সে কখনো মুখ ফুটে বলবেও না। নীরবে অপেক্ষা করবে, চাইবে আপনি এর প্রয়োজনীয়তা বুঝে নিজেই উদ্যোগী হবেন তার কথা শুনতে।
আরো বেশি সহানুভূতিশীল হোন:
মানুষ মাত্রই রাগ-দুঃখ-অভিমান ইত্যাদি আবেগে সমৃদ্ধ। কারোর প্রকাশ একটু বেশি, কারোর কম। তবে রাগ প্রকাশের ক্ষেত্রে ছেলেরা একটু বেশি এগিয়ে। অনেক সময় দেখা যায়, অন্যের ওপরের রাগও প্রিয়জনের ওপর ঝেড়ে দেয় ছেলেরা। কিন্তু আপনি কী জানেন, আপনার এই কাজ কতখানি আঘাত করতে পারে আপনার সঙ্গীনিকে? মেয়েরা একটু বেশি অভিমানী হয়। আপনার এক মুহূর্তের এই ভুল আচরন সম্পর্ককে ঠেলে দিতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতির দিকে। কাজেই সহনুভূতিশীল হোন, সঙ্গীনির মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন।
নিজেকে উন্নত করুন:
মেয়েরা সবসময়ই সঙ্গীকে নিয়ে নিজ পরিবারে, বন্ধুমহলে, পরিচিতদের কাছে গর্ব করতে ভালোবাসে। আপনাকে যদি গর্ব করার কোনো বিষয়ই খুঁজে না পান সঙ্গীনি, তাহলে কোনো এক সময় সম্পর্কে হয়তো তিক্ততাও নেমে আসতে পারে। একারণে মেয়েরা চায়, সঙ্গী নিজ চেহারা থেকে শুরু করে সববিণয়ে নিজেকে আগের চেয়ে আরো উন্নত করুক। কিন্তু হয়তো অনেক ক্ষেত্রেই আপনি কষ্ট পাবেন বলে তারা তা প্রকাশ করে না। তারা চায়, আপনি এবিষয়টা নিজেই বুঝে নিন।
রান্না করুন:
পুরুষ রান্না করতে পারুক আর না পারুক- মেয়েরা চায়, সঙ্গী মাঝে মধ্যে তাকে রান্নাঘর থেকে ছুটি দিক। নিজে রান্না করে তাকে খাওয়াক। সে জানে, আপনি রাঁধুনি হিসেবে খুবই খারাপ। হয়তো সে খাওয়ার সময় আপনার রান্নার সমালোচনা করবে। তবু হলফ করে বলে দেওয়া যায়, সঙ্গীনি আপনার কাছে এই ব্যাপারটা প্রত্যাশা করে মনেপ্রানে। কিন্তু এবিষয়েও তারা অপ্রকাশিত। তারা চায়, আপনি নিজ দায়িত্বে বুঝে নিন এটা।
আস্তে গাড়ি চালান:
আপনি হয়তো গতি ভালোবাসেন। কিন্তু আপনার সঙ্গীনি সবসময়ই চায়, আপনি আস্তে ড্রাইভ করবেন। আপনার আনন্দের কথা মাথায় রেখে হয়তো এবিষয়েও কিছু বলবে না কিন্তু প্রত্যাশা করবে, আপনি ব্যাপারটা বুঝুন।
স্বৈরতান্ত্রিক অভ্যাস পরিত্যাগ করুন:
সঙ্গীনি আপনার কাছে নিরাপত্তা প্রত্যাশা করে কিন্তু আপনার স্বৈরশাসকের মতো আচরণ পছন্দ করে না। সে আপনার সম্পত্তি নয়, সঙ্গীনি- কথাটা মাথায় রাখতে হবে আপনার। কাজেই তার ওপর কিছু চাপিয়ে দিয়ে সম্পর্কের তিক্ততা ডেকে আনবেন না।
সৎ হোন:
এই বিষয়টি সর্বশেষে আনা হলেও এটিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সঙ্গীনি কখনোই চাইবে না, আপনি মিথ্যে কথা বলুন তার সাথে। হয়তো অনেক ক্ষেত্রেই সে আপনার মিথ্যে বুঝতে পেরেও নীরব থাকবে, প্রত্যাশা করবে আপনার সত্য বলার। কিন্তু একবার অবিশ্বাস জমে গেলে সম্পর্কের জন্য তা অত্যন্ত ক্ষতিকর। কাজেই মেয়েরা সবসময় প্রত্যাশা করেন, আপনি সত্যবাদী হোন।
রোমান্টিক হতে চেষ্টা করুন:
মেয়েরা খুব বেশি রোমান্স প্রিয় হয়। কাজেই আপনি যতই কাঠখোট্টা হবেন, তত বেশি অসন্তোষ জমবে সম্পর্কে। কিন্তু এই প্রত্যাশার ব্যাপারেও সঙ্গীনি সবসময় নীরব থাকবে। সে চাইবে, ব্যাপারটা আপনি নিজে বুঝে নিন।

সোমবার, সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৪

পারফেক্ট’ প্রেমিকা নির্বাচনে পুরুষদেরকে সতর্ক হওয়া উচিত

সঙ্গিনীর মুখ থেকে যে কথাগুলো শুনতে চান না কোন পুরুষই!নিজের জন্য প্রেমিকা নির্বাচন করার ক্ষেত্রে পুরুষরা একটু খুঁতখুঁতেই হয়ে থাকেন বটে। ডানা কাটা পরী না হলে যেন চলেই না। বন্ধুদেরকে চমকে দেয়ার মতো প্রেমিকা না হলে কি চলে? কিন্তু বাইরের চাকচিক্যে মুগ্ধ হয়ে প্রেমিকা নির্বাচন করে অনেকেই পরবর্তী জীবনে ভোগেন নানান সমস্যায়। সম্পর্কে অশান্তি তো বটেই, বিয়ের পর পরিবারেও শুরু হয় অশান্তি। তাই ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা নির্বাচনে পুরুষদেরকে একটুখানি সতর্ক হওয়া উচিত। জেনে নিন নিজের জন্য ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা নির্বাচনের ক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে।
স্বনির্ভর
প্রেম করার সময়ে অবশ্যই লক্ষ্য রাখুন আপনার প্রেমিকা যেন স্বনির্ভর হয়। স্বনির্ভর হতে হলে তাকে আয় করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। পুরুষ সঙ্গী ছাড়া একেবারেই কোনো কাজ করতে পারেন না এমন কোনো নারীর সাথে সম্পর্কে গড়ে তোলা উচিত না। কারণ আপনার উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা একসময়ে আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল
প্রেম করার আগে খেয়াল করুন মেয়েটি আপনার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কিনা। আপনার পরিবারের সম্পর্কে কথা বলার সময়ে মেয়েটি যদি আপনার পরিবারকে যথেষ্ট সম্মান দিয়ে কথা বলে এবং আন্তরিকতা দেখায় তাহলে প্রেমিকা হিসেবে মেয়েটি হতে পারেন ‘পারফেক্ট’।
আপনার প্রতি যত্নশীল
আপনার পছন্দের নারীটি যদি আপনার প্রতি যত্নশীল হয় তাহলে সে হতে পারে আপনার জন্য ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা। আপনার খোঁজ খবর রাখা, আপনার বিপদের সময়ে মানসিক সহায়তা করা, পাশে থাকা ইত্যাদি গুণগুলোর সমন্বয়েই তিনি হয়ে উঠতে পারেন আপনার জন্য ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা।
মিশুক স্বভাবের
আপনার পছন্দের নারী কি বেশ মিশুক স্বভাবের? আপনার পরিবার, বন্ধু কিংবা কাছের মানুষদের সাথে তার আচরণ যদি যথেষ্ট আন্তরিক ও হাস্যোজ্জ্বল হয় তাহলে তার সাথে সম্পর্কটি এগিয়ে নেয়া আপনার জন্য সহজ হবে। প্রেমিকা হিসেবে তিনি হতে পারেন একজন ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা।
নির্লোভ
অতিরিক্ত লোভী কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলাটা হবে একেবারেই বোকামি। আর তার কারণ হলো নানান রকমের বায়না মেটাতে মেটাতে একটা সময়ে হয়তো ক্লান্ত হয়ে যাবেন আপনি। তখন শুরু হবে মনোমালিন্য এবং টানাপোড়ন।
সামাজিক পার্থক্য নেই
দুজনের মধ্যে সামাজিক কিংবা আর্থিক পার্থক্যটা না থাকাই ভালো। সামাজিক পার্থক্য থাকলে দুজনের পরিবারেই নানান রকমের জটিলতা সৃষ্টি হবে। সেই সঙ্গে সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রাখতে এবং সেটাকে বিয়ের পরিণতি পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে বেশ বেগ পেতে হবে আপনাকে।

মোটা মানুষ সম্পর্কে ভুল ধারণা

মোটা মানুষ সম্পর্কে ভুল ধারণাপ্রচলিত একটি প্রবাদ আছে এরকম যে, আগে দর্শনধারী পরে গুণ বিচারি! এই প্রবচনটি আমাদের চিন্তায় এমনভাবে গেঁথে গেছে যে, বেশির ভাগ সময়েই আমরা শুধু দেখেই অনেক কিছু ভেবে ফেলি। যে কারণে সৃষ্টি হয় নতুন নতুন ভুল ধারণার। যেমন মোটা মানুষদের নিয়ে আমাদের সমাজে বেশ কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এমনকি সেসব ভুল ধারণা আছে আপনার মনেও! আসুন জেনে নেই মোটা মানুষদের সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা-
মোটা মানুষরা বেশি খায়
অতিরিক্ত খাবার মানুষের মোটা হবার অন্যতম কারণ এটা সত্য, তবে সব মোটা মানুষই বেশি খায় না। অনেকেই আছেন যাঁরা হরমোনজনিত কারণে বা বংশগতভাবেই মোটা। তাই সব মোটা মানুষরাই যে বেশি খায়, এটা মোটেও সত্যি কথা নয়।
মোটা মানুষদের বুদ্ধিও মোটা হয়
আমাদের সমাজে এই ধারণাটা একেবারেই বদ্ধমূল যে, মোটা মানুষদের বুদ্ধি কম থাকে! অথচ বুদ্ধি মোটেও শারীরিক গঠনের উপর নির্ভরশীল নয়। একজন মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি তার মস্তিষ্কের গঠনের ওপর নির্ভরশীল। তাই মোটা মানুষদের বুদ্ধিও মোটা হবে, এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ধারণা।
মোটা মানুষরা অলস হয়
ভারী শারীরিক গঠনের জন্য মোটা মানুষদের নড়াচড়া করা একটু কষ্টকর বটে, তবে তার মানে এই নয় যে তাঁরা অলস হন। অনেকেই আছেন যাঁরা প্রচুর শারীরিক পরিশ্রম করে থাকেন। শারীরিক পরিশ্রম করলে ওজন কমে বটে তবে সব ক্ষেত্রে নয়। যাঁরা হরমোনের সমস্যার কারণে মোটা হয়ে যান তাঁদের কায়িক পরিশ্রম করেও ওজন কমানো বেশ কঠিন। ফলে তাঁরা কাজ করলেও শারীরিক গঠনের ওপর খুব বেশি প্রভাব ফেলে না। তাই মোটা মাত্রেই যে অলস, এ কথাটি একেবারেই ভুল।
মোটা মানুষদের যৌনজীবন সুখের হয় না
যৌনতা আমাদের সমাজে খুবই রাখঢাকের ব্যাপার হলেও এ নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। শেষ নেই এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনারও। এরই মাঝে একটা হলো মোটা মানুষদের যৌনজীবন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা। কোনো এক বিচিত্র কারণে প্রায় বেশির ভাগ মানুষেরই এই ধারণা যে, মোটা মানুষদের যৌনজীবন সুখের হয় না। অথচ এটা একটা ভুল ধারণা। আর দশটা সাধারণ মানুষের মতোই তাঁদের যৌনজীবনও স্বাভাবিক ও সুখের হয়। এমনকি তাঁদের দাম্পত্যজীবনেও কোনো সমস্যা হয় না।
মোটা মানুষরা সৃজনশীল হয় না
প্রতিটি মানুষই জন্মগত ভাবে সৃজনশীল ক্ষমতা নিয়ে পৃথিবীতে আসে, কেউ কম কেউ বেশি। এই সৃজনীশক্তি কারোটা বিকশিত হয়, কারোটা হয় না। মোটা মানুষরা সৃজনশীল হয় না এ কথা মোটেও ঠিক না। শিল্পকলার অনেক ক্ষেত্রেই অনেক মোটা মানুষ অবদান রেখেছেন। যেমন আদনান সামী, বাপ্পি লাহিড়ি, ফুয়াদ প্রমুখ। এবং তাঁদের ভারী শরীর কখনোই তাঁদের সৃজনশীলতায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
মোটা মানুষদের কেউ ভালোবাসে না
সুন্দরের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরদিনের। সুন্দর শারীরিক গঠনের নারী ও পুরুষরা সবাইকে আকৃষ্ট করে সহজেই। তাই এ ধারণাটা আমাদের সমাজে বহুলভাবে প্রচলিত যে মোটাদের কেউ ভালোবাসে না। অথচ এটিও ভুল ধারণা। মোটা মানুষদের জীবনেও প্রেম আসে, তাঁদেরকেও কেউ না কেউ ভালোবাসে।

রবিবার, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৪

বিশ্বের সর্ববৃহৎ পুরুষাঙ্গ নিয়ে বিড়ম্বনায় যুবক

বিশ্বের সর্ববৃহৎ পুরুষাঙ্গ নিয়ে বিড়ম্বনায় যুবক (ভিডিও)পুরুষাঙ্গ ছোট হলে অনেকে নানা ধরনের চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। অনেক ডাক্তার রয়েছে যারা কেবল সেক্স নিয়ে কাজ করে থাকেন। কিন্তু ব্রাজিলের এই তরুনের পেনিস তার পায়ের সমান। কি বিপাকে পড়েছেন তিনি তার এই পেনিস নিয়ে!!
৪৫ইঞ্চি দীর্ঘ, ইহাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পুরুষাঙ্গ। সাধারনত একজন ছেলের একটি নিদিষ্ট (কম-বেশি) অঙ্গ থাকে। তবে যদি কারো এই আকৃতি অতিকায় হয় তাহলে তা আশ্চর্যের বিষয়ই বটে। সাধারন ভাবেই এমন ছেলেদের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশী থাকে।
এ দিক বিবেচনা করে ভিডিওটি এখানে দেয়া হলো লিংক। এখানে এক বড় পুরুষাঙ্গ নিয়ে কিভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রন করেন তা তিনি নিজেই বলেছেন। তার বন্ধুরা তার পেনিসে হাত দিয়ে ছবি তুলতে চায়। তার কোন মেয়ে বন্ধু নেই। কোন মেয়ে তাকে বিয়েও করতে রাজি হয় না।
বিশ্বের সর্ববৃহৎ পুরুষাঙ্গ নিয়ে বিপাকে থাকে সেই তরুনেই এই ভিডিওটি না দেখলে চরম মিস করবেন। ভিডিওটি দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
https://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=7tSuH6tJHkQ

সোমবার, জুলাই ২৮, ২০১৪

নারী পছন্দ করেন ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ !

আপনি কি একজন ব্যক্তিত্ববান পুরুষ? আপনার ব্যক্তিত্বের প্রশংসায় আপনার আশেপাশের সবাই পঞ্চমুখ? তাহলে জেনে নিন যে আপনার এই ব্যক্তিত্বের কারণেই আপনি হারাতে পারেন আপনার জীবন সঙ্গী কিংবা প্রেমিকাকে! আপনি চমৎকার ব্যক্তিত্ব, রুচিশীলতা, যত্নশীল স্বভাব ইত্যাদি সব দারুণ বিষয় গুলোই হয়ে উঠতে পারে অনেক নারীর চোখেই রীতিমত চক্ষুশূল!
শুনতে অদ্ভুত শোনালেও একথা সত্যি যে অনেক নারীই পছন্দ করেন ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের। ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের মধ্যে থাকা কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এই পছন্দের বিষয়টি গড়ে উঠতে দেখা যায়। মুখে মুখে যতই অস্বীকার করুন না কেন,মনে মনে অনেক নারীই অস্বীকার করতে পারবেন না যেন এমন পুরুষই তাদের অধিক পছন্দ। কেননা একজন ব্যক্তিত্বহীন পুরুষকে প্রেমিক বা স্বামী হিসাবে পাওয়ার মাধ্যমে তারা এমন কিছু সুবিধা ভোগ করে থাকেন, সেগুলো ব্যক্তিত্ববান পুরুষের মাঝে মিলবে না।
ব্যাপারটি কতখানি ভুল বা কতখানি শুদ্ধ, সেই হিসাবে না গিয়ে আসুন জেনে নেয়া যাক নারীদের ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ পছন্দ করার পেছনে ৫টি মূল কারন সম্পর্কে।
কর্তৃত্ব ফলানো যায়
বেশিরভাগ নারীই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব ফলাতে চায়। তারা চায় সম্পর্কটি পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকুক, যদিও একই সাথে এটাও চায় যে ব্যাপারটি তার পুরুষ সঙ্গী বুঝতে না পারুক। আর এই চাহিদার কারণেই তারা ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদেরকে পছন্দ করে। কারণ ব্যক্তিত্বহীন পুরুষরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই কর্তৃত্ব নিতে পারে না, স্ত্রী কিংবা প্রেমিকার উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয় তারা। স্ত্রী ও প্রেমিকার অনুমতি ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার সাহস পায় না এ ধরণের পুরুষরা। ফলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব পুরোপুরিই নারীর হাতে থাকে যা নারীরা বেশ উপভোগ করে।
সময় ও সঙ্গ পাওয়া যায় অধিক
অধিকাংশ ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদেরই বন্ধু কিংবা সামাজিক পরিধি কম হয়। অন্যদিকে দেখা যায় পছন্দের নারীকে পেলে তারা এতটাই সন্দেহ করার প্রবনতা কিংবা হারানোর ভয়ে ভোগেন যে এক মুহূর্তও প্রেমিকা/স্ত্রীকে একলা রাখতে রাজি হন না। ফলে তাদের বেশিরভাগ সময়টা কাটে প্রেমিকা বা স্ত্রীকে নিয়ে আর অনেক নারীই এটা খুব পছন্দ করেন। বলা যায় নিজের ব্যক্তিত্বহীনতা থেকেই তৈরি হয় এক রকমের অনিরাপত্তার বোধ, ফলে সম্পর্কে একটা স্বাস্থ্যকর দূরত্বে তারা বিশ্বাস করেন না। অনেক ক্ষেত্রেই ধরণের পুরুষরা প্রয়োজনে নিজের গুরুত্বপূর্ন কাজ বাদ দিয়ে হলেও স্ত্রী কিংবা প্রেমিকাকে সঙ্গ দিয়ে থাকেন। আর বলাই বাহুল্য যে অনেক নারীই এটা খুব উপভোগ করেন।
দোষারোপ করা যায়
ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের উপর প্রেমিকা বা স্ত্রীরা নিজের দোষ চাপিয়ে দিতে পারে সহজেই। নিজে যতই দোষ করুক না কেন, দিন শেষে সকল কাজের দায়ভার পুরুষ সঙ্গীর ওপর চাপিয়ে দেয়া যায়।। ব্যক্তিত্ববান একজন পুরুষর স্বভাবতই নিজের দোষ না থাকলে এই দায়ভার নেবেন না। কিন্তু অনেক সময়েই ব্যক্তিত্বহীন পুরুষরা সকল দোষ নিজের কাঁধে নিয়ে নেয়। এক্ষেত্রে কাজ করে খানিকটা হারাবার ভয়, আর অনেক খানিই নিজের দুর্বল ব্যক্তিত্ব। ঢেকে রাখার মতন অসংখ্য দোষ ত্রুটি আছে এই ধরনের নারীরা তাই ব্যক্তিত্ববান পুরুষের চাইতে ব্যক্তিত্বহীন পুরুষকেই বেশি পছন্দ করে থাকে সঙ্গী হিসাবে।
পরিবারের চাইতে বেশি গুরুত্ব পাওয়া যায়
সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্ত্রী ও বাবা-মা কে সমান গুরুত্ব না দিলে সম্পর্ক সুন্দর রাখা কঠিন ব্যাপার। এক্ষেত্রে দুপক্ষের মধ্যেই একটি সমতা বজায় রাখা জরুরী। কিন্তু অধিকাংশ পুরুষই হয় খুব বেশি বাবা-মা ঘেঁষা অথবা অতিরিক্ত বৌ ঘেঁষা হয়। আর এই বৌ-ঘেঁষা স্বভাবের ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদেরকে নারীরা বেশি ভালোবাসেন। সত্যি বলতে কি, অধিকাংশ নারীই চান তাদের স্বামী শুধু তাকে নিয়েই থাকবেন এবং তার পরিবারকে নিজের পরিবারের চাইতেও অনেক বেশি গুরুত্ব দেবেন। ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের কাছ থেকে এটা সহজেই মেলে। ব্যক্তিত্বহীন পুরুষেরা নিজের মা-বাবা, পরিবারকে পাশে ঠেলে স্বার্থপরের মতন কেবল বউ বা প্রেমিকা নিয়ে থাকেন। আর বিয়ের ক্ষেত্রে অনেক নারীই ব্যক্তিত্ববান পুরুষদের চাইতে ব্যক্তিত্বহীন বৌ-ঘেঁষা স্বভাবের পুরুষদেরকে বেশি ভালোবাসেন।
প্রতারণা করতে সুবিধা হয়
ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের সাথে প্রতারণা করা বেশ সহজ। এ ধরণের পুরুষদের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়েই নারীরা এক রকম একঘেয়েমীতে ভোগে এবং পরবর্তিতে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। আর স্ত্রীর প্রতি অন্ধ ভক্তির কারণে পরকীয়ার বিষয়টি অনেক পুরুষ আঁচও করতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রী পরকীয়া করছে জানতে পারলে পুরো ব্যাপারটিকে নিজের ব্যর্থতা হিসেবে মেনে নেয় তারা। তাই কিছুটা প্রতারক ধরণের নারীরা ব্যক্তিত্বহীন পুরুষের সঙ্গ বেশি পছন্দ করে।