মঙ্গলবার, এপ্রিল ২২, ২০১৪

মহিলাদের মিলনের বেশী আকাঙ্খা ও গোপণ সূত্রসমূহ

মহিলাদের যৌন মিলনের চরমানন্দের উল্লাসধ্বনিতে নির্গত গাঢ় তরল এবং মিলনকালীন তরল নিঃস্বরন (যাকে অনেকে বির্যপাত বলে মনে করেন) দুটি ভিন্ন ঘটনা. এ দুটির মধ্যে পার্থক্য হলো... মিলনকালীন তরল নিঃস্বরন (Squirting) ঘটনাটি সাধারণত যৌন মিলনের চরমানন্দের উল্লাসধ্বনি একটি ফর্ম হতে অধিকৃত হয়। বিভিন্ন মেডিক্যাল গবেষক দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী মহিলাদের যৌন সংসর্গ বা প্রচণ্ড উত্তেজনা সময় তরল নিঃস্বরিত হতে পারে যার দুটি ভিন্ন ধরন আছে। গবেষণায় দেখা যায় মিলনকালে নারীর প্রস্রাবের থলি থেকে মিশ্রিত তরল প্রচুর পরিমাণে নির্গমনশীলতার ফলে "squirting হয়" এবং এটি "বাস্তব চারমানন্দ উল্লাসধ্বনিতে নির্গত তরল" থেকে পৃথক হয়। প্রকৃত চারমানন্দ তরল প্রস্টেট থেকে নির্গত পুরু, সাদাটে তরল জাতীয় পদার্থ। এটি দেখতে অনেকটা পুরুষ বির্যপাত এর বীর্য এর সাদৃশ্য হয়। শারীরিক (যৌন) মিলনের নানা দিক :  আপনি হয়ত জানেন যে ভালোবাসা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো শারীরিক তথা যৌন মিলন৷ আবার শারীরিক প্রয়োজনীয়তার একপ্রকার বহিঃপ্রকাশ সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি৷ কিন্তু আপনি জানেন কি শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে যার ফলে আপনার ব্যক্তিজীবন আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠতে পারে:
 
জীবন কাল বাড়ে: নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷
 
ভালো ব্যায়াম : শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালো ভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়, শারীরিক মিলন কার্যে আপনি 30 মিনিট লিপ্ত থাকলে আপনার 85 ক্যালোরি খরচ হয়৷ আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে 75 মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷
 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায়: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থাত আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়৷
 
ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়: বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিংসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷
 
পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয়: যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷
 
মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি: মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবথেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷
 
ভালো ঘুম হয়: শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷
 
আত্মবিশ্বাস বাড়ে: শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতর কার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷
 
ভালোবাসা বাড়ে: শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷
 
কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে: শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
 
ওজন কমে: শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয় তার ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷
 
ভালো ত্বক: শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷
প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয়: নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷
 
হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি: শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷
 
কার্ডিওভাস্কুলার এর ক্ষেত্রে উন্নতি: মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷
 
বিস্বস্ত তা বাড়ে: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷
 
রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায়: শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শরীরে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়৷ এর ফলে সারা শরীরের প্রতিটি কোষে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছায়৷
 
সৌন্দর্য্য বাড়ে: শারীরিক মিলন কালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলন কালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷
 
- See more at: http://news.zoombangla.com/lifestyle/2014-04-17-22-14-39-24-5130#sthash.G8ablmua.dpuf
মহিলাদের যৌন মিলনের চরমানন্দের উল্লাসধ্বনিতে নির্গত গাঢ় তরল এবং মিলনকালীন তরল নিঃস্বরন (যাকে অনেকে বির্যপাত বলে মনে করেন) দুটি ভিন্ন ঘটনা. এ দুটির মধ্যে পার্থক্য হলো... মিলনকালীন তরল নিঃস্বরন (Squirting) ঘটনাটি সাধারণত যৌন মিলনের চরমানন্দের উল্লাসধ্বনি একটি ফর্ম হতে অধিকৃত হয়। বিভিন্ন মেডিক্যাল গবেষক দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী মহিলাদের যৌন সংসর্গ বা প্রচণ্ড উত্তেজনা সময় তরল নিঃস্বরিত হতে পারে যার দুটি ভিন্ন ধরন আছে। গবেষণায় দেখা যায় মিলনকালে নারীর প্রস্রাবের থলি থেকে মিশ্রিত তরল প্রচুর পরিমাণে নির্গমনশীলতার ফলে "squirting হয়" এবং এটি "বাস্তব চারমানন্দ উল্লাসধ্বনিতে নির্গত তরল" থেকে পৃথক হয়। প্রকৃত চারমানন্দ তরল প্রস্টেট থেকে নির্গত পুরু, সাদাটে তরল জাতীয় পদার্থ। এটি দেখতে অনেকটা পুরুষ বির্যপাত এর বীর্য এর সাদৃশ্য হয়। শারীরিক (যৌন) মিলনের নানা দিক :  আপনি হয়ত জানেন যে ভালোবাসা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো শারীরিক তথা যৌন মিলন৷ আবার শারীরিক প্রয়োজনীয়তার একপ্রকার বহিঃপ্রকাশ সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি৷ কিন্তু আপনি জানেন কি শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে যার ফলে আপনার ব্যক্তিজীবন আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠতে পারে:
 
জীবন কাল বাড়ে: নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷
 
ভালো ব্যায়াম : শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালো ভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়, শারীরিক মিলন কার্যে আপনি 30 মিনিট লিপ্ত থাকলে আপনার 85 ক্যালোরি খরচ হয়৷ আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে 75 মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷
 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায়: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থাত আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়৷
 
ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়: বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিংসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷
 
পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয়: যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷
 
মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি: মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবথেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷
 
ভালো ঘুম হয়: শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷
 
আত্মবিশ্বাস বাড়ে: শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতর কার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷
 
ভালোবাসা বাড়ে: শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷
 
কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে: শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
 
ওজন কমে: শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয় তার ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷
 
ভালো ত্বক: শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷
প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয়: নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷
 
হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি: শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷
 
কার্ডিওভাস্কুলার এর ক্ষেত্রে উন্নতি: মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷
 
বিস্বস্ত তা বাড়ে: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷
 
রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায়: শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শরীরে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়৷ এর ফলে সারা শরীরের প্রতিটি কোষে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছায়৷
 
সৌন্দর্য্য বাড়ে: শারীরিক মিলন কালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলন কালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷
 
- See more at: http://news.zoombangla.com/lifestyle/2014-04-17-22-14-39-24-5130#sthash.G8ablmua.dpuf
মহিলাদের যৌন মিলনের চরমানন্দের উল্লাসধ্বনিতে নির্গত গাঢ় তরল এবং মিলনকালীন তরল নিঃস্বরন (যাকে অনেকে বির্যপাত বলে মনে করেন) দুটি ভিন্ন ঘটনা. এ দুটির মধ্যে পার্থক্য হলো... মিলনকালীন তরল নিঃস্বরন (Squirting) ঘটনাটি সাধারণত যৌন মিলনের চরমানন্দের উল্লাসধ্বনি একটি ফর্ম হতে অধিকৃত হয়। বিভিন্ন মেডিক্যাল গবেষক দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী মহিলাদের যৌন সংসর্গ বা প্রচণ্ড উত্তেজনা সময় তরল নিঃস্বরিত হতে পারে যার দুটি ভিন্ন ধরন আছে। গবেষণায় দেখা যায় মিলনকালে নারীর প্রস্রাবের থলি থেকে মিশ্রিত তরল প্রচুর পরিমাণে নির্গমনশীলতার ফলে "squirting হয়" এবং এটি "বাস্তব চারমানন্দ উল্লাসধ্বনিতে নির্গত তরল" থেকে পৃথক হয়। প্রকৃত চারমানন্দ তরল প্রস্টেট থেকে নির্গত পুরু, সাদাটে তরল জাতীয় পদার্থ। এটি দেখতে অনেকটা পুরুষ বির্যপাত এর বীর্য এর সাদৃশ্য হয়। শারীরিক (যৌন) মিলনের নানা দিক :  আপনি হয়ত জানেন যে ভালোবাসা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো শারীরিক তথা যৌন মিলন৷ আবার শারীরিক প্রয়োজনীয়তার একপ্রকার বহিঃপ্রকাশ সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি৷ কিন্তু আপনি জানেন কি শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে যার ফলে আপনার ব্যক্তিজীবন আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠতে পারে:
 
জীবন কাল বাড়ে: নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷
 
ভালো ব্যায়াম : শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালো ভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়, শারীরিক মিলন কার্যে আপনি 30 মিনিট লিপ্ত থাকলে আপনার 85 ক্যালোরি খরচ হয়৷ আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে 75 মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷
 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায়: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থাত আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়৷
 
ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়: বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিংসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷
 
পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয়: যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷
 
মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি: মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবথেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷
 
ভালো ঘুম হয়: শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷
 
আত্মবিশ্বাস বাড়ে: শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতর কার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷
 
ভালোবাসা বাড়ে: শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷
 
কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে: শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
 
ওজন কমে: শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয় তার ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷
 
ভালো ত্বক: শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷
প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয়: নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷
 
হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি: শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷
 
কার্ডিওভাস্কুলার এর ক্ষেত্রে উন্নতি: মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷
 
বিস্বস্ত তা বাড়ে: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷
 
রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায়: শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শরীরে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়৷ এর ফলে সারা শরীরের প্রতিটি কোষে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছায়৷
 
সৌন্দর্য্য বাড়ে: শারীরিক মিলন কালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলন কালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷
 
- See more at: http://news.zoombangla.com/lifestyle/2014-04-17-22-14-39-24-5130#sthash.G8ablmua.dpuf

গাইবান্ধায় মহিলাসহ দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

২২ এপ্রিল ২০১৪

প্রকাশ্যে গুলি করে গাইবান্ধা ন্যাশনাল ব্যাংকের সামনে থেকে টাকা ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত এক নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ ছিনতাই করা ২ লাখ ৫ হাজার টাকার মধ্যে তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৯শ’ টাকা উদ্ধার করেছে।  গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজিউর রহমান বলেন, আজ  ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত জাহান নবীকে তার নিজ বাড়ী সদর উপজেলার পাঠান ডাঙ্গা থেকে এবং শিমুল তাড়ী গ্রাম থেকে আঙ্গুরী রানীকে গ্রেফতার করে। এ সময় ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি টিভিএস মোটর সাইকেলও আটক করে পুলিশ। সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে গ্রামীণ ফোনের গাইবান্ধার ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্সি সোমেসি ট্রেডার্সের ডিস্ট্রিবিউটর সহ ২ জন গাইবান্ধা ন্যাশনাল ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যায় । এ সময় ওই ব্যাংকের সামনে ওৎ পেতে থাকা অস্ত্রধারী ছিনতাইকারীরা ওই দুইজনকে গুলি করে টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ গুরুতর আহত একজন রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছে।

রামুতে ২৭ মালয়েশিয়াগামী অবৈধ যাত্রী আটক

২২ এপ্রিল ২০১৪
 কক্সবাজারের রামুতে ২৭ জন মালয়েশিয়াগামী যাত্রীকে আটক করেছে ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)। আজ সকালে রামু উপজেলার মরিচ্যা যৌথ পোস্টে তুশি নিশু ট্যুরিষ্ট বাস নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে চালকসহ তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো- সোহান, মো. এফজুল, দ্বীনে ইসলাম, কাইসার, শাহীন, বেল্লাল হোসেন, মোমেন, সাইফউদ্দিন, তাজুল ইসলাম, গফুর মিয়া, আরফান। এদের বাড়ি ঢাকা, সিলেট, হবিগঞ্জ, নরসিংদীসহ বিভিন্ন জেলার মানুষ রয়েছে বলে জানা গেছে।  ১৭ বিজিবি’র নায়েব সুবেদার ফজলুল হক জানান, আনন্দ ভ্রমণের নাম করে জয় ট্যুরিজমের মালিক মোঃ নুর নামে এক ব্যক্তি ট্যুরিষ্ট বাস তুশি নিশুতে করে আটককৃত ব্যক্তিদেরকে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার কলাতলি থেকে টেকনাফ নিয়ে যাচ্ছিল। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডিমলায় বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

২২ এপ্রিল ২০১৪, মঙ্গলবার, ৭:২৮

 ডিমলায় বিএনপি’র দুই গ্র“পে সংঘর্ষ হয়েছে। আজ সন্ধায় ডিমলা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি রইছুল আলম গ্র“প ও সভাপতির পদত্যাগের দাবীতে আন্দোলনকারী গ্র“পের মাঝে এই সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে আহত হয় উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ নেতা কর্মী। আহতদের মধ্যে ডিমলা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি রইছুলের পদত্যাগের দাবীতে আন্দোলনকারী গ্র“পের অন্যতম ছাত্রনেতা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলীকে আশঙ্খা জনক অবস্থায় প্রথমে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার আবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানতরিত করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সভাপতি রইছুল আলম সমর্থিত লোকজন আহত আইয়ুব আলীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে দোকান ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করে। এ ঘটনায় বিএনপি’র সভাপতি গ্র“পের সুমন(২৫) নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ। বর্তমানে শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

টেকনাফে দু’ব্যবসায়ীকে আটক করায় বন্দরের বাণিজ্য বন্ধ

২২ এপ্রিল ২০১৪
 টেকনাফ স্থল বন্দরের দুই ব্যবসায়ীকে বিজিবি কর্তৃক ষড়যন্ত্রমূলক আটক ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে টেকনাফ স্থল বন্দরের কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ঘোষণা করেছে সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন, আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি ও ট্র্রাক মালিক-শ্রমিক এসোসিয়েশন। সোমবার রাত ১০টায় টেকনাফ সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ দিদার হোসেন।

লক্ষ্মীপুরে দুইগ্রুপের বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ২, আহত ১০

২২ এপ্রিল ২০১৪
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেত্তপাড়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি সমর্থিত  সোলাইমান উদ্দিন জিসান ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত নাসির বাহিনীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ৮ম শ্রেনীর স্কুল ছাত্র রবিউল ইসলাম শিমুল ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। এছাড়া ফরহাদ হোসেন নামে একজন অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। এ সময় বিএনপি নেতা তোফায়েল আহমদ,কাজী রাজু আহমদসহ ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়েছে। গতরাত ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। আহত রাজু আহমদকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল ও তোফায়েল আহমদকে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে বাকীদের গোপনে অন্যত্র চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে  জানা গেছে। পরে সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য আলী করিম ও মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। খবর পেয়ে লক্ষ্মীপুর থেকে দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি তদন্ত রকিব-উল হোসেন জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।

ধানমন্ডি মাঠে নির্মাণ বন্ধ করতে রিট


২২ এপ্রিল ২০১৪ ধানমন্ডি মাঠের নির্মাণাধীন অবকাঠামো অপসারণ এবং চলমান নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি হাবিবুল গণির হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
রিট আবেদনে ধানমন্ডি মাঠে জনগণের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতেরও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেন স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনসহ ৬ জন। রিট আবেদনকারীর আইনজীবী হিসেবে আছেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। উল্লেখ্য ২০১১ সালের ১৫ই মার্চ হাইকোর্ট এক রায়ে ধানমন্ডি মাঠের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে আদেশ দেন। রায় না মানায় ২০১৩ সালের ২৭শে মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রায় অবমাননার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে। তার পরও সম্প্রতি মাঠে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। মাঠটি এখন ধানমন্ডি শেখ জামাল ক্লাবের নিয়ন্ত্রণে। মাঠ দখলমুক্ত করতে আন্দোলন করছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনও করেছে উভয় পক্ষ। 

‘লংমার্চের নামে গাড়ি মার্চ করছে বিএনপি’--স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম

২২ এপ্রিল ২০১৪
 তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার কথা বলে লংমার্চের নামে গাড়িমার্চ করছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বলেছেন, তারা ক্ষমতায় থাকতে তিস্তা নিয়ে কোন কাজ করেনি। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকতে তিস্তা নিয়ে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করেছে। অতীতে আমরাই গঙ্গা চুক্তি করেছিলাম। আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ভারতের সঙ্গে তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতে এখন নির্বাচন হচ্ছে। আমরা আশা করছি সেখানে নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে অদূর ভাবিষ্যতে তিস্তা সমস্যার সমাধান হবে। বিএনপির লংমার্চের সমালোচনা করে তিনি বলেন, লংমার্চের উদ্দেশ হলো, তারা ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন বানচাল করতে না পেরে তাদের দলের নেতা-কর্মীরা হতাশ। তাই তারা এখন নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করতে তিস্তাকে ইস্যু বানিয়েছে। বিএনপি শান্তিপূর্ণভাবে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করলে সরকার তাদের কোনা ধরনের বাধা দেবে না বলেও জানান এই মন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, জাতীয় পার্টির নেতা শফিকুল ইসলাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, এপ্রিল ১২, ২০১৪

Pohela Boishakh 1421 Pohela Boishakh 2014 ll



The Bengali New Year called Pohela Boishakh for this year 2014 is mentioned as the term Pohela Boishakh 2014 will be celebrated at 14 April 2014.

This day will be celebrated in not only in Bangladesh but also in Kolkata, India and everywhere in the world where Bangladeshi peoples live.

Pohela Boishakh in Bangladesh is very very much colorful as all the Bangladeshi people are Bangali and they just love their country and culture very much.

Pohela Boishakh in India is also very colorful but it is only in west bengal that is Kolkata. They celebrates this day through some colorful and traditional functions in different premises.

This day is the first day in the Bengali Calendar which was started by Somrat Akbar in Mughol Period. 

There are some common features of pohela boishakh among the Bangladeshi people i mean the Bengali.

Female wears traditional boishakhi saree in this day with colorful print. Female are always very much conscious about their Pohela Boishakh Dresses.

Male wears traditional Panjabi and lungi or dhuti in this day.

People sings very traditional Pohela Boishakh Song or also known as Boishakhi Song or Boishakhi Gan in this day actually they just love to be a pure Bangali in this day.

People try to send Pohela Boishakh Gift to their near and dear people. It's an very attractive tradition for Pohela boishakh. They may send Boishakhi Photos as a gift or something others.

Normally all Bengali people try to take panta ilish as their breakfast in the morning.

And they know very well about the panta ilish recipe. Besides these are lots of Boishakhi food recipe which Bangladeshi people try to cook in this day.

Targeting this day different fashion houses from home and abroad produces different types of fashionable dresses for Pohela Boishakh Fashion.

In Bangladesh during the boishakh 1st day there set huge Pohela Boishakh Concert for the the people who loves bangla songs. Most of them are free for all like ramna botomul concert, ruchi boishakhi concert etc. and some are also paid concert held in indoor stadiums.

For new generation people in Bangladesh mobile network enhances the enjoyment of Boishakh. They used to exchange different types of Pohela Boishakh SMS Message among family, friends and near and dear.

There might be lots of colorful program around the country and also fairs (mela) for every people.

Lastly, I would like to say Pohela Boishakh 2014 or Pohela Boishakh 1421 will be the most amazing day for Bangladeshi peoples in this year. Hope you all will enjoy this day very very much. Best of luck everyone.

This year 2014, for pohela boishakh 142,  wish for all the best Pohela Boishakh wishes.

শুক্রবার, এপ্রিল ১১, ২০১৪

The International Crimes Tribunal (Bangladesh) ll



The International Crimes Tribunal (ICT) is a war crimes tribunal in Bangladesh set up in 2009 to investigate and prosecute suspects for the genocide committed in 1971 by the Pakistan Army and their local collaborators, Razakars, Al-Badr and Al-Shams during the Bangladesh Liberation War. During the 2008 general election, the Awami League (AL) pledged to establish the tribunals in response to long-demanded popular calls for trying war criminals. The first indictments were issued in 2010.
The government set up the tribunal after the Awami League won the general election in December 2008 with more than two-thirds majority in parliament. The War Crimes Fact Finding Committee, tasked to investigate and find evidence, completed its report in 2008, identifying 1600 suspects. Prior to the formation of the ICT, the United Nations Development Programme offered assistance in 2009 on the tribunal's formation. In 2009 the parliament amended the 1973 act that authorized such a tribunal to update it.
By 2012, nine leaders of Jamaat-e-Islami, the largest Islamist party in the nation, had been indicted as suspects in war crimes. Three leaders of Jamaat were the first tried; each were convicted of several charges of war crimes. The first person convicted was Abul Kalam Azad (Bachchu), tried in absentia as he had left the country; he was sentenced to death in January 2013.
The ICT received support internationally and the UN offered support with the planning. The EU has passed three resolutions supporting the trials and Jean Lambert has said "she expected that the trial would conform to the highest standard possible." Human Rights Watch, which initially supported the establishment of the tribunal, have criticised it for issues of fairness and transparency, as well as reported harassment of lawyers and witnesses representing the accused. Bianca Karim and Tirza Theunissen have written that the international community have voiced concerns that the trial will not be transparent or impartial.
Jamaat-e-Islami supporters and their student wing, Islami Chhatra Shibir, called a general strike nationwide on December 4, 2012, which erupted in violence. They have demanded the tribunal be scrapped permanently and their leaders be released immediately.
After Abdul Quader Molla, assistant secretary general of Jamaat, was convicted in February 2013 and sentenced to life imprisonment rather than capital punishment, a peaceful demonstration started at Shahbag intersection in Dhaka. Tens of thousands of mostly young demonstrators, including women, have called for the death penalty for those convicted of war crimes. Non-violent protests supporting this position have occurred in other cities as the country

Liberation War Museum ll


Liberation War Museum, Bangladesh established in 1996, commemorates heroic struggle of Bengalee nation for democracy and national rights which following genocide unleashed by military rulers of Islamic Republic of Pakistan, turned into armed struggle with emergence of Bangladesh as Secular Democratic State in December 1971.
A museum dedicated to all freedom loving people and victims of mindless atrocities and destructions committed in the name of religion, ethnicity and sovereignty. The museum encourages reflection upon the sufferings and heroism of Bangladesh liberation war and its ideals. Liberation War Museum endeavors to link this history with contemporary pressing social and humanitarian issues


Liberation War Museum, Bangladesh established in 1996, commemorates heroic struggle of Bengalee nation for democracy and national rights which following genocide unleashed by military rulers of Islamic Republic of Pakistan, turned into armed struggle with emergence of Bangladesh as Secular Democratic State in December 1971.
A museum dedicated to all freedom loving people and victims of mindless atrocities and destructions committed in the name of religion, ethnicity and sovereignty. The museum encourages reflection upon the sufferings and heroism of Bangladesh liberation war and its ideals. Liberation War Museum endeavors to link this history with contemporary pressing social and humanitarian issues. - See more at: http://www.explore-dhaka.com/explore/spot_details/spot_id/149/name/liberation-war-museum#sthash.65zLzNQn.dpuf
Liberation War Museum, Bangladesh established in 1996, commemorates heroic struggle of Bengalee nation for democracy and national rights which following genocide unleashed by military rulers of Islamic Republic of Pakistan, turned into armed struggle with emergence of Bangladesh as Secular Democratic State in December 1971.
A museum dedicated to all freedom loving people and victims of mindless atrocities and destructions committed in the name of religion, ethnicity and sovereignty. The museum encourages reflection upon the sufferings and heroism of Bangladesh liberation war and its ideals. Liberation War Museum endeavors to link this history with contemporary pressing social and humanitarian issues. - See more at: http://www.explore-dhaka.com/explore/spot_details/spot_id/149/name/liberation-war-museum#sthash.65zLzNQn.dpuf