মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৪

সুইট অ্যন্ড সেক্সিস্টার

চলতি বছরের ৭ নভ্ম্বর মুক্তি পাচ্ছে বলিউডের অ্যাকশান মুভি ‘অ্যাকশান-জ্যাকশন’৷ ছবির কাজ প্রায় শেষ৷ এই মুহুর্তে শেষ পর্যায়ের শ্যুটিং-র জন্য ইউরোপে পাড়ি দিয়েছে ছবির কাস্ট অ্যন্ড ক্রু৷ ‘অ্যাকশন-জ্যাকশন’ ছবির পরিচালক ডান্স মাস্টার প্রভুদেবা৷
মুম্বইতে শ্যুটিং পর্ব সেরে এখন ইউরোপে ‘অ্যাকশন-জ্যাকশন’ টিম৷ শেষভাগের শ্যুটিং এ শ্যুট করা হবে দুটি গানের সিক্যুয়েন্স৷ তার মধ্যে একটি সফ্ট রোমান্টিক গান আরেকটি ইয়াম্মি আইটেম নাম্বার, যাতে কোমর দোলাবেন স্বয়ং বি-টাউনের সুইট অ্যন্ড সেক্সিস্টার ইয়ামি গৌতম৷
ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে অজয় দেবগণ ও সোনাক্ষী সিনহাকে৷ ‘সন অফ সর্দার’-র পর অজয়-সোনাক্ষী জুটির এটি দ্বিতীয় ছবি৷ এছাড়াও ছবির অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন ভিকি ডোনার খ্যাত নায়িকা ইয়ামি গৌতম, সোনু সুদ ও কুনাল রয় কাপুর

‘সেক্সিয়েস্ট ওয়েমেন অ্যালাইভ’

প্রতিটি কাজে বা খেলাধুলায় র‌্যাঙ্কিংয়ের প্রচলন আছে এবং থাকবে সবসময়। এমনই এক র‌্যাঙ্কিংয়ে বলিউডের সেক্স গডেস ক্যাটরিনা ছিনিয়ে নিলেন ‘সেক্সিয়েস্ট ওয়েমেন অ্যালাইভ’র তকমা।

যৌন আবেদনে বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে ক্যাটরিনা কাইফ। ব্রিটেনের এক সমীক্ষায় চলতি বছরের সবচেয়ে সেক্সি অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছে ক্যাটরিনা। তার কাছে হেরে গিয়েছেন হলিউডের নামকরা তাবড় তাবড় নায়িকারাও।

এইট প্যাক অ্যাবস যাদু চার্লি শাহরুখের

এবার এইট প্যাক অ্যাবস যাদু চার্লি শাহরুখেরসিক্স প্যাক নয়, এবার এইট প্যাক অ্যাবস। পরের ছবি হ্যাপি নিউ ইয়ার-এ আরও আকর্ষণীয় চেহারায় শাহরুখ খান। ফারহা খানের ওম শান্তি ওম সিনেমায় সিক্স প্যাক অ্যাবস দেখিয়ে চমক দিয়েছিলেন কিং খান। এবারও সেই ফারহা খানেরই সিনেমায় নিজেকেই নিজে টপকে গেলেন বলিউডের বাদশা। হ্যাপি নিউ ইয়ার সিনেমায় চার্লি চরিত্রে অভিনয় করছেন। চার্লি হট-বোড ড্যান্সার-কাম-চোর। এই সিনেমায় শাহরুখের এইট প্যাক অ্যাবস-এর প্রথম লুক প্রকাশিত হল।
ছবিটি তুলেছেন বিশিষ্ট ফোটোগ্রাফার ডাব্বু রতনানি ও অবিনাশ গোয়ারিকর। ওম শান্তি ওম সিনেমায় দর্দে ডিস্কো গানে শাহরুখের সিক্স প্যাক অ্যাবসের দেহ সৌষ্ঠব ভক্তদের মুগ্ধ করেছিল। এবার এইট প্যাক অ্যাবস-এ কিং খানের লুক আরও ঝলমলে ও আকর্ষণীয়, যা তরুণ ভক্তদের নজর কাড়তে চলেছে।
নয়া লুকের জন্য শাহরুখ তাঁর ব্যক্তিগত ট্রেনার প্রশান্ত সাওয়ান্ত ও ছেলে আরিয়ানকে কৃতিত্ব দিয়েছেন।

নারীর অন্তর্বাস ইতিহাস

বিবর্তনের মানসিকতায় দেখা যায় পুরুষ ও নারী অপর লিঙ্গের শারীরিক গঠনের ওপর আগ্রহবোধ করে। নারীর শারীরিক গড়নের একটি আকর্ষণীয় অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় তার স্তনযুগলকে। স্তন নারীত্ব এবং উর্বরতার প্রতীকও!
তবে ইতিহাসগত ভাবে স্তনের সৌন্দর্য উপলব্ধির ঘটনা খুব বেশি পুরোনো নয়। প্রাচীনকালে স্তনকে সৌন্দর্য ও যৌনতার বাহক হিসেবে মোটেও গণ্য করা হতো না। এমনকি তা আড়াল করার চেষ্টাও খুব একটা করা হতো না।
আদিম মানব-মানবী যখন রং দিয়ে শরীর রাঙাত তখনো বুকের চেয়ে মুখই প্রাধান্য পেত বেশি। যেকোনো প্রাচীন চিত্রে নারীর স্তন উন্মুক্তই দেখা যায়। এমনকি খ্রীষ্টিয় সময়ের প্রথম দিকে যেসব ছবি ও ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছিল, তাতেও নারীর বক্ষ প্রায় অনাবৃত। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায় অবশ্য নারীস্তনে প্রসাধনী ও গন্ধদ্রব্য ব্যবহারের চল ছিল এবং স্তন ঢাকা পরতো অলংকারে। ভারতীয় উপমহাদেশেও বক্ষ আবৃত করার জন্য কাপড়ের প্রচলন হয় অনেক পরে। লম্বা মালায় ঢেকে থাকত স্তনযুগল।
মোটকথা, প্রাচীন কোনো সামাজিক বা সাংস্কৃতিক তথ্য নেই যার উপর ভিত্তি করে আজকের নরনারীর মনে স্তনের যৌন ও সৌন্দর্যবোধ জেগে ওঠে। মূলত ভিক্টোরীয় যুগে যখন মেয়েদের সাংস্কৃতিক অবদমন শুরু হয়, তার আগে পর্যন্ত নারীস্তনকে ঘিরে সৌন্দর্যবোধ ও যৌনতার কোনো প্রত্যক্ষ যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মূলত তখন থেকেই স্তনকে সৌন্দর্য-অঙ্গ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা শুরু হয় এবং এখান থেকেই বক্ষবন্ধনীর সূত্রপাত।
বক্ষবন্ধনী বা কাঁচুলি নারীদের এমন এক ধরনের অভ্যন্তরীণ পোশাক, যা স্তনকে আবৃত ও সঠিক স্থানে রাখতে সাহায্য করে। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী বক্ষবন্ধনী স্তনকে সুগঠিত ও সুডৌল করতে সাহায্য করে এবং স্তনযুগলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। যদিও এ ধারণা যথেষ্ট বিতর্কিত! আধুনিক গবেষণামতে, বক্ষবন্ধনী কোনো উপকারে আসে না, বরং তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। বক্ষবন্ধনীর একটানা ব্যবহার স্তন টিউমার ও স্তন ক্যানসারের অন্যতম কারণ বলে বিশেষজ্ঞরা মতামত দেন।
উনিশ শতকের শেষের দিকে বক্ষবন্ধনী প্রচলিত হয়। এ সময় ইউরোপের মেয়েরা কর্সেট নামে এক ধরনের অন্তর্বাস পরতেন। এটা এত আঁটসাঁট ছিল যে তাঁরা বাঁকা পর্যন্ত হতে পারতেন না! এই সময়ে ‘কৃত্রিম স্তন’- এর প্রচলন হয়। লেদার, কুইল্টেড স্যাটিন, ইন্ডিয়া রাবার ইত্যাদির তৈরি এসব স্তনকে ইচ্ছেমতো ফোলানো যেত!
বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে কর্সেটের নিচে লেস যোগ করা হলো। কিন্তু জনমত যেতে লাগল এর বিরুদ্ধে। নর্তকী ইসাডোরা ডানকান এবং লোই ফুলার কোমর পর্যন্ত কর্সেটকে করে ফেলেন বুকের নিচ পর্যন্ত এবং এতে ব্যবহার করেন প্রাচীন গ্রিকদের মতো আকারহীন ঝোলা কাপড়।
এরপর বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার মাদলিন ভিয়োনেঁ কর্সেট কেটেছেঁটে পরিধানকারীকে নড়াচড়া করার স্বাধীনতা দিলেন।
১৯১৩ সালে মারি ফেলপস জেকব নামের এক আমেরিকান যুবতী নতুন এক ধরনের বক্ষবন্ধনীর উদ্ভাবন করলেন। এটি নরম, ছোট এবং এমনভাবে বানানো যা দুই স্তনকে আলাদাভাবে এবং স্বাভাবিক ভঙ্গিতে ঢাকল। মারি পরে তাঁর পেটেন্ট ওয়ার্নার কোম্পানিকে বিক্রি করে দেন।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর কর্সেটের প্রচলন একেবারেই বন্ধ হয়ে গেল। মেয়েরা স্তন ছোট রাখে এমন বক্ষবন্ধনী ও ঢিলেঢালা সেমিজের দিকে ঝুঁকে পড়ল। মূলত এসময়েই ‘ফ্ল্যাট চেস্ট’-এর যুগ শুরু হয়।
তিরিশের দশকে ডানলপ কোম্পানি ল্যাটেক্স রাবার আর অ্যামোনিয়া মিশিয়ে ল্যাসটেক্স নামের নরম ইলাস্টিক সুতার তৈরি করে। এই সুতা দিয়ে তৈরি করা হতো এক ধরনের অন্তর্বাস, যা মোজার পরে নেয়া যেত। পরে এর ভেতরে প্যাড ও তারের ব্যবহার শুরু হলো।
পঞ্চাশের দশকে এমনভাবে বক্ষবন্ধনী তৈরি করা শুরু হলো, যাতে স্তনকে বর্ধিত দেখায় এবং নারীত্ব বৃদ্ধি করে। এসময় জেন রাসেলের জন্য বিশেষ বক্ষবন্ধনী ‘এয়ারোডাইনামিক ব্রা’ তৈরি করা হয়, যেটা বিখ্যাত সিনেমা ‘The Outlaw’তে দেখানো হয়েছিল।
ষাটের দশকে বক্ষবন্ধনীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত হলো আক্রোশ! ফেমিনিস্ট আন্দোলনে পোড়ানো শুরু হলো বক্ষবন্ধনী। কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টাতে বেশি সময় লাগল না। স্তনযুগলকে সামলানোর জন্য আবার ফিরে এলো বক্ষবন্ধনী। এবার শুরু হলো আকার-আকৃতি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্যাড ও তারের ব্যবহার।
বক্ষবন্ধনী নারীদের অত্যন্ত গোপনীয় একটি পোশাক হলেও এটা নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই! এমনকি এতে যুক্ত করা হচ্ছে প্রযুক্তিও! জাপানী অন্তর্বাস নির্মাতা কোম্পানি ট্রায়াম্প ২০০৫ সালে বাজারে এমন এক ধরনের বক্ষবন্ধনী ছেড়েছিল, যেটা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে গরম করে ঘর উষ্ণ রাখার কাজে ব্যবহার করা যেত। এটি শীতের দিনে ঘর গরম করার বাড়তি খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
২০০৬ সালে এই ট্রায়াম্প কোম্পানিই বাজারে এনেছিল ব্যাগযুক্ত বক্ষবন্ধনী। এর কাপের ভেতর ভাঁজ করে লুকিয়ে রাখা হতো ব্যাগ, যা শপিং ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করা যেত। কোম্পানির দাবি ছিল যে, এমন অন্তর্বাস পলিথিন ব্যাগ ক্রয়ে নারীদের নিরুত্‍সাহিত করবে। একই কোম্পানি বছর দুয়েক আগে তৈরি করেছিল ‘ম্যারেজ হান্টিং ব্রা’! বিয়ের পোশাকের মতো দেখতে এ বক্ষবন্ধনীতে একটি লেড ডিসপ্লে ছিল, যেখানে ব্যবহারকারী কতদিন ধরে স্বামী খুঁজছেন তা দেখা যাবে।
গত বছর অতিরিক্ত গরম থেকে নারীদের রেহাই দেবার জন্য ট্রায়াম্প তৈরি করেছিল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বক্ষবন্ধনী। এতে ছিল রেফ্রিজারেটর জেল প্যাড, যা বিশেষ প্রক্রিয়ায় শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দিত।
সম্প্রতি ধর্ষণ ঠেকাতে নারীদের জন্য একটি বিশেষ ধরনের বক্ষবন্ধনী তৈরি করেছেন ভারতের তিন শিক্ষার্থী। এই অন্তর্বাস পরিহিত কেউ আক্রান্ত হলে সাথে সাথে বার্তা চলে যাবে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের কাছে। এছাড়া এতে রয়েছে একটি শক প্রযুক্তি যা হামলাকারীকে ৩৮০০ কিলোভোল্টের শক দিতে পারবে। তাও এক বা দুবার নয়, ৮২ বার! এই অন্তর্বাসের ভেতরে থাকবে বিশেষ পলিমার যাতে পরিহিত ব্যক্তিকে শক না লাগে।
সুপ্রাচীনকালে স্তনযুগলকে আবদ্ধ করে রাখার জন্য ব্যবহার করা হতো কাপড়ের টুকরো। বর্তমানে এ কাজটি করে দেয় বক্ষবন্ধনী। তাই পোশাকী সৌজন্যতা বা নারীসুলভ ব্যক্তিত্ব প্রকাশে বক্ষবন্ধনীর আবেদন অপরিসীম। চিকিত্‍সাবিজ্ঞানের যুক্তিতর্ক যা-ই বলুক না কেন, মেয়েরা খুব সহজে বক্ষবন্ধনীর ব্যবহার বন্ধ করবে বলে মনে হয় না।

সোমবার, সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৪

পারফেক্ট’ প্রেমিকা নির্বাচনে পুরুষদেরকে সতর্ক হওয়া উচিত

সঙ্গিনীর মুখ থেকে যে কথাগুলো শুনতে চান না কোন পুরুষই!নিজের জন্য প্রেমিকা নির্বাচন করার ক্ষেত্রে পুরুষরা একটু খুঁতখুঁতেই হয়ে থাকেন বটে। ডানা কাটা পরী না হলে যেন চলেই না। বন্ধুদেরকে চমকে দেয়ার মতো প্রেমিকা না হলে কি চলে? কিন্তু বাইরের চাকচিক্যে মুগ্ধ হয়ে প্রেমিকা নির্বাচন করে অনেকেই পরবর্তী জীবনে ভোগেন নানান সমস্যায়। সম্পর্কে অশান্তি তো বটেই, বিয়ের পর পরিবারেও শুরু হয় অশান্তি। তাই ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা নির্বাচনে পুরুষদেরকে একটুখানি সতর্ক হওয়া উচিত। জেনে নিন নিজের জন্য ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা নির্বাচনের ক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে।
স্বনির্ভর
প্রেম করার সময়ে অবশ্যই লক্ষ্য রাখুন আপনার প্রেমিকা যেন স্বনির্ভর হয়। স্বনির্ভর হতে হলে তাকে আয় করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। পুরুষ সঙ্গী ছাড়া একেবারেই কোনো কাজ করতে পারেন না এমন কোনো নারীর সাথে সম্পর্কে গড়ে তোলা উচিত না। কারণ আপনার উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা একসময়ে আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল
প্রেম করার আগে খেয়াল করুন মেয়েটি আপনার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কিনা। আপনার পরিবারের সম্পর্কে কথা বলার সময়ে মেয়েটি যদি আপনার পরিবারকে যথেষ্ট সম্মান দিয়ে কথা বলে এবং আন্তরিকতা দেখায় তাহলে প্রেমিকা হিসেবে মেয়েটি হতে পারেন ‘পারফেক্ট’।
আপনার প্রতি যত্নশীল
আপনার পছন্দের নারীটি যদি আপনার প্রতি যত্নশীল হয় তাহলে সে হতে পারে আপনার জন্য ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা। আপনার খোঁজ খবর রাখা, আপনার বিপদের সময়ে মানসিক সহায়তা করা, পাশে থাকা ইত্যাদি গুণগুলোর সমন্বয়েই তিনি হয়ে উঠতে পারেন আপনার জন্য ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা।
মিশুক স্বভাবের
আপনার পছন্দের নারী কি বেশ মিশুক স্বভাবের? আপনার পরিবার, বন্ধু কিংবা কাছের মানুষদের সাথে তার আচরণ যদি যথেষ্ট আন্তরিক ও হাস্যোজ্জ্বল হয় তাহলে তার সাথে সম্পর্কটি এগিয়ে নেয়া আপনার জন্য সহজ হবে। প্রেমিকা হিসেবে তিনি হতে পারেন একজন ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা।
নির্লোভ
অতিরিক্ত লোভী কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলাটা হবে একেবারেই বোকামি। আর তার কারণ হলো নানান রকমের বায়না মেটাতে মেটাতে একটা সময়ে হয়তো ক্লান্ত হয়ে যাবেন আপনি। তখন শুরু হবে মনোমালিন্য এবং টানাপোড়ন।
সামাজিক পার্থক্য নেই
দুজনের মধ্যে সামাজিক কিংবা আর্থিক পার্থক্যটা না থাকাই ভালো। সামাজিক পার্থক্য থাকলে দুজনের পরিবারেই নানান রকমের জটিলতা সৃষ্টি হবে। সেই সঙ্গে সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রাখতে এবং সেটাকে বিয়ের পরিণতি পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে বেশ বেগ পেতে হবে আপনাকে।

মোটা মানুষ সম্পর্কে ভুল ধারণা

মোটা মানুষ সম্পর্কে ভুল ধারণাপ্রচলিত একটি প্রবাদ আছে এরকম যে, আগে দর্শনধারী পরে গুণ বিচারি! এই প্রবচনটি আমাদের চিন্তায় এমনভাবে গেঁথে গেছে যে, বেশির ভাগ সময়েই আমরা শুধু দেখেই অনেক কিছু ভেবে ফেলি। যে কারণে সৃষ্টি হয় নতুন নতুন ভুল ধারণার। যেমন মোটা মানুষদের নিয়ে আমাদের সমাজে বেশ কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এমনকি সেসব ভুল ধারণা আছে আপনার মনেও! আসুন জেনে নেই মোটা মানুষদের সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা-
মোটা মানুষরা বেশি খায়
অতিরিক্ত খাবার মানুষের মোটা হবার অন্যতম কারণ এটা সত্য, তবে সব মোটা মানুষই বেশি খায় না। অনেকেই আছেন যাঁরা হরমোনজনিত কারণে বা বংশগতভাবেই মোটা। তাই সব মোটা মানুষরাই যে বেশি খায়, এটা মোটেও সত্যি কথা নয়।
মোটা মানুষদের বুদ্ধিও মোটা হয়
আমাদের সমাজে এই ধারণাটা একেবারেই বদ্ধমূল যে, মোটা মানুষদের বুদ্ধি কম থাকে! অথচ বুদ্ধি মোটেও শারীরিক গঠনের উপর নির্ভরশীল নয়। একজন মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি তার মস্তিষ্কের গঠনের ওপর নির্ভরশীল। তাই মোটা মানুষদের বুদ্ধিও মোটা হবে, এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ধারণা।
মোটা মানুষরা অলস হয়
ভারী শারীরিক গঠনের জন্য মোটা মানুষদের নড়াচড়া করা একটু কষ্টকর বটে, তবে তার মানে এই নয় যে তাঁরা অলস হন। অনেকেই আছেন যাঁরা প্রচুর শারীরিক পরিশ্রম করে থাকেন। শারীরিক পরিশ্রম করলে ওজন কমে বটে তবে সব ক্ষেত্রে নয়। যাঁরা হরমোনের সমস্যার কারণে মোটা হয়ে যান তাঁদের কায়িক পরিশ্রম করেও ওজন কমানো বেশ কঠিন। ফলে তাঁরা কাজ করলেও শারীরিক গঠনের ওপর খুব বেশি প্রভাব ফেলে না। তাই মোটা মাত্রেই যে অলস, এ কথাটি একেবারেই ভুল।
মোটা মানুষদের যৌনজীবন সুখের হয় না
যৌনতা আমাদের সমাজে খুবই রাখঢাকের ব্যাপার হলেও এ নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। শেষ নেই এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনারও। এরই মাঝে একটা হলো মোটা মানুষদের যৌনজীবন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা। কোনো এক বিচিত্র কারণে প্রায় বেশির ভাগ মানুষেরই এই ধারণা যে, মোটা মানুষদের যৌনজীবন সুখের হয় না। অথচ এটা একটা ভুল ধারণা। আর দশটা সাধারণ মানুষের মতোই তাঁদের যৌনজীবনও স্বাভাবিক ও সুখের হয়। এমনকি তাঁদের দাম্পত্যজীবনেও কোনো সমস্যা হয় না।
মোটা মানুষরা সৃজনশীল হয় না
প্রতিটি মানুষই জন্মগত ভাবে সৃজনশীল ক্ষমতা নিয়ে পৃথিবীতে আসে, কেউ কম কেউ বেশি। এই সৃজনীশক্তি কারোটা বিকশিত হয়, কারোটা হয় না। মোটা মানুষরা সৃজনশীল হয় না এ কথা মোটেও ঠিক না। শিল্পকলার অনেক ক্ষেত্রেই অনেক মোটা মানুষ অবদান রেখেছেন। যেমন আদনান সামী, বাপ্পি লাহিড়ি, ফুয়াদ প্রমুখ। এবং তাঁদের ভারী শরীর কখনোই তাঁদের সৃজনশীলতায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
মোটা মানুষদের কেউ ভালোবাসে না
সুন্দরের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরদিনের। সুন্দর শারীরিক গঠনের নারী ও পুরুষরা সবাইকে আকৃষ্ট করে সহজেই। তাই এ ধারণাটা আমাদের সমাজে বহুলভাবে প্রচলিত যে মোটাদের কেউ ভালোবাসে না। অথচ এটিও ভুল ধারণা। মোটা মানুষদের জীবনেও প্রেম আসে, তাঁদেরকেও কেউ না কেউ ভালোবাসে।

এবার তামিলে সিনেমাতে সানি লিওন

এবার তামিলে স্কুলটিচার সানি লিওনবলিউডের পর সানি লিওন এবার পা রাখতে চলেছেন তামিল সিনেমাতে। না শুধু আইটেম নম্বর নয়, পূর্ণদৈর্ঘ্যের একটি সিনেমায় অভিনয় করতে চলেছেন তিনি। জি. নাগেশ্বরা রেড্ডি এর পরিচালনায় ‘কারেন্ট তেগা’ সিনেমাতে মনোজ মাঞ্চুর বিপরীতে অভিনয় করবেন সানি। ‘কারেন্ট তেগা’ তে কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন রাকুল প্রীত সিং এবং জগপতি বাবু।
রেড্ডি জানিয়েছেন যে এটি ‘ভারুথাবাদাথা ভালিবার সঙ্গম’ সিনেমার রিমেক তৈরী করছেন। আগের সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন শিভাকার্তিকায়ন, সাথীরাজ এবং শ্রী দিভ্যা। সানি লিওন নাকি এই সিনেমাটিতে একজন স্কুলটিচারের ভূমিকায় অভিনয় করবেন। এবার দেখার ‘ম্যায় হু না’ এর কলেজ টিচার সুস্মিতা সেনের মতো সেই জাদু বিতর্কের শীর্ষে থাকা সানিও স্কুল টিচার হয়ে চালাতে পারেন কিনা !

প্রথম দিনেই আট কোটিতে মেরি কম

প্রথম দিনেই আট কোটিতে বক্স অফিস চ্যাম্পিয়ন মেরি কমপ্রিয়াঙ্কা অভিনীত মেরি কম মুক্তির প্রথম দিনেই আট কোটির ব্যবসা করে বক্স অফিস চ্যম্পিয়ন হল৷ পাঁচবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার মেরি কমের জীবনীর চিত্রায়ন ওমাঙ্গ কুমারের ‘মেরি কম’৷ এই ছবিটি সম্পূর্ণ হিরোইন কেন্দ্রিক একটি ছবি৷ আর এই ছবিতে প্রিয়াঙ্কা তার দুর্দান্ত অভিনয় কৌশলের মাধ্যমে বড় পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছে বাস্তব মেরি কমের চরিত্রকে৷ এই ছবি তাকে আরো একবার সুযোগ দিল নিজের অভিনয় দক্ষতাকে সকলের সামনে তুলে ধরতে৷
৫ সেপ্টম্বর অর্থাৎ ছবি মুক্তির প্রথমদিন৷ সেই দিন সমগ্র দেশের প্রায় ১৮০০ টি হলে দর্শকের মুখোমুখি হয়েছে রুপোলি পর্দার মেরি কম৷ এমনকি টরেন্টো আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও দোখানো হবে এই ছবি ৷ ভারতীয় চলচিত্র জগতের ক্ষেত্রে এটি নিয়ে আসে এক অন্য মাত্রা৷
‘মেরি কম’ ছবির প্রচারে সকলের ভূমিকা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ মণিপুরের সাধারণ ঘরের মেয়ে মেরি কমের বাস্তব জীবনের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে এই ছবিতে৷ ছবি তৈরির জন্য মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ থেকে ১৮ কোটি৷ মুকক্তির প্রথমদিনেই মেরি কমের ঝুলিতে ৮ কোটি আসলে সপ্তাহ শেষে সোমবারের মধ্যে ২৪ থেকে ২৮ কোটির আসা রাখা যেতেই পারে৷
মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও আসামে এই ছবিকে সম্পূর্ণ করমুক্তও করা হয়েছে৷ তার জেরে ছবির প্রযোজক সঞ্জয়ললীলা বনশালী সেখানের সিনেপ্রেমীদের থেকে সপ্তাহ শেষে মোটামুটি ১২ থেকে ১৪ কোটির আশা রাখছেন৷ মিডিয়াম বাজেটের ছবি হিসাবে মেরি কমের প্রথমদিনের বক্স অফিস কালেকশানের সঙ্গে সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে আলিয়া-অর্জুন অভিনীত ‘টু স্টেটস’(১২ কোটি),শ্রদ্ধা-‘সিদ্ধার্থ মলহোত্রা ‘এক ভিলেন’(১৬ কোটি), ‘হামটি শর্মা কি দুলহানিয়া’(৯ কোটি)-র মতো বেশ কিছু রয়েছে এই তালিকায়৷- ওয়েবসাইট।

যৌনাঙ্গে লুকিয়েও শেষরক্ষা হল না!

যুক্তরাষ্ট্রে যৌনতার ফাঁদে ফেলে বহুমূল্য রোলেক্স ঘড়ি চুরির পর নিজেদের যৌনাঙ্গে লুকিয়েও শেষরক্ষা হল না মক্ষিরানীদের। খদ্দেরের অভিযোগের ফলে একটি ক্যাসিনোর হোটেলে ধরা পড়েছে প্রতারক তিন মক্ষীরানী। খবর বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস’র।   
ব্রিয়ান্না ওয়ারেন, ট্রিনিটি কেন্নার্ড এবং চার্মেলা ট্রিগস নামের তিন মক্ষীরানী প্রথমে তাদের শিকারদের যৌনতার ফাঁদে টেনে নিয়ে আসে। তাদের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক করে। তারপর তাদের অজান্তেই ৭হাজার পাউন্ড মূল্যের রোলেক্স ঘড়ি ছিনিয়ে নেয় তারা। ওয়ারেন ও ট্রিগস এক ভারতীয় পর্যটকের সঙ্গেও ছলনা করেছিল। ঘড়ি ছিনতাইয়ের পর সবকিছু বুঝতে পেরে হোটেল কর্তৃপক্ষকে সব জানায় মক্ষীরানীদের শিকাররা। নিরাপত্তা কর্মিরা পুলিশকে সবকিছু জানায়। হোটেলের বাইরে পুলিশ ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে একটি বন্দুক ও চুরি যাওয়া একটি রোলেক্স ঘড়ি উদ্ধার করা হয়। তার আগেই নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়ে তাদের অপকর্ম। দুই মক্ষীরানীকে তাদের যৌনাঙ্গে ঘড়ি ঢোকাতে দেখা গিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি,প্রতারণার কঠোর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৪

বিশ্বের সর্ববৃহৎ পুরুষাঙ্গ নিয়ে বিড়ম্বনায় যুবক

বিশ্বের সর্ববৃহৎ পুরুষাঙ্গ নিয়ে বিড়ম্বনায় যুবক (ভিডিও)পুরুষাঙ্গ ছোট হলে অনেকে নানা ধরনের চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। অনেক ডাক্তার রয়েছে যারা কেবল সেক্স নিয়ে কাজ করে থাকেন। কিন্তু ব্রাজিলের এই তরুনের পেনিস তার পায়ের সমান। কি বিপাকে পড়েছেন তিনি তার এই পেনিস নিয়ে!!
৪৫ইঞ্চি দীর্ঘ, ইহাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পুরুষাঙ্গ। সাধারনত একজন ছেলের একটি নিদিষ্ট (কম-বেশি) অঙ্গ থাকে। তবে যদি কারো এই আকৃতি অতিকায় হয় তাহলে তা আশ্চর্যের বিষয়ই বটে। সাধারন ভাবেই এমন ছেলেদের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশী থাকে।
এ দিক বিবেচনা করে ভিডিওটি এখানে দেয়া হলো লিংক। এখানে এক বড় পুরুষাঙ্গ নিয়ে কিভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রন করেন তা তিনি নিজেই বলেছেন। তার বন্ধুরা তার পেনিসে হাত দিয়ে ছবি তুলতে চায়। তার কোন মেয়ে বন্ধু নেই। কোন মেয়ে তাকে বিয়েও করতে রাজি হয় না।
বিশ্বের সর্ববৃহৎ পুরুষাঙ্গ নিয়ে বিপাকে থাকে সেই তরুনেই এই ভিডিওটি না দেখলে চরম মিস করবেন। ভিডিওটি দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
https://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=7tSuH6tJHkQ

বিচ্ছেদের ৩ বছর পর সন্তানের জন্ম!

বিচ্ছেদের ৩ বছর পর সন্তানের জন্ম, চমকে গেলেন স্বামীগত ৮ বছর স্ত্রীর সঙ্গে দেখাই হয়নি। থাকতেনও স্ত্রীর থেকে দুরে অন্য দেশে। অথচ নাকি তাঁরই পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন স্ত্রী! ঘটনা শুনে তাজ্জব স্বামী।
বছর ৪৮-এর আরজে হঠাত্‍ই জানতে পারেন ২০১০ সালের ২২ এপ্রিল দুবাইয়ের হাসপাতালে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী। শিশুটির বাবার নাম হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে তাঁরই নাম। অথচ ২০০৬ সালের পর থেকে স্ত্রীর সঙ্গে দেখাই হয়নি তাঁর। আরজে বলেন, ২০০৬ সালে আমি কুয়েতে চাকরি নিয়ে চলে যাই। আমার স্ত্রী ও ছেলে আরব আমিরশাহিতেই থাকতেন। এরপর চাকরির জন্য আমি বিভিন্ন দেশে থাকলেও আরবে ফিরিনি। এরপর ২০০৭ সালে আমার স্ত্রী ডিভোর্স ফাইল করেন। আগের বছর আমি জানতে পারি আমার স্ত্রীর আরেকটি সন্তান রয়েছে।
বছর চল্লিশের ওই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। তিনি স্বীকার করেছেন অবৈধ সম্পর্কের জেরেই এই সন্তানের জন্ম দেন তিনি। চিকিত্‍সক আমির সইফকে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীর নামে সন্তানের নাম নথিভুক্ত করে হাসপাতাল থেকে বার্থ সার্টিফিকেট নেন তিনি। এমনকী, ওই নাম ব্যবহার করেই পাসপোর্ট ও সংযুক্ত আমিরশাহির পরিচয়পত্রও জোগাড় করেন। যদিও, যাঁর সঙ্গে সম্পর্কের কথা তিনি জানিয়েছেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছেন। তবে ডিএনএ টেস্টে পাওয়া গিয়েছে তাঁর পিতৃত্বের প্রমাণ।

রিয়াল ছেড়ে অন্য ক্লাবে যাচ্ছেন রোনালদো!

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে আর মাঠে নামবেন না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো! সম্প্রতি গুজব ছড়িয়েছে যে, রিয়ালের সাথে আর আগের মতো বনিবনা হচ্ছেনা তার, তাই এই মৌসুমেই রিয়াল ছেড়ে অন্য ক্লাবে চলে যাবেন তিনি।
লা লিগা শিরোপাটা বাদ দিলে গত মৌসুম অসাধারণ কেটেছে রিয়াল মাদ্রিদের। সেই সাথে মাঠের পারফর্ম্যান্সে অবিশ্বাস্য ছিলেন দলের প্রাণভোমরা রোনালদো। মুলত তার বদৌলতেই এক যুগ পর চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা এসেছে রিয়ালের ঘরে।
এবারের মৌসুমের শুরুটাও হয়েছে দারুণ। কিন্তু হঠাৎ সুখের সংসারে ‘অশান্তির আগুন’! খেলোয়াড়দের দলবদল নিয়ে নানা কথা উঠেছে রিয়ালের বিরুদ্ধে। বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মন্তব্যের পর।
এ মৌসুমে রেকর্ড টাকায় রিয়াল ছেড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে পাড়ি জমিয়েছেন অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া। আর্জেন্টিনা মিডফিল্ডার পরে জানিয়েছেন, ‘রিয়াল ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।’ এরপর বার্নাব্যু ছেড়েছেন আরেক গুরুত্বপূর্ণ সেনানী জাবি আলোনসোও। অবশ্য দলে এসেছেন নতুন দুই খেলোয়াড়—হামেস রদ্রিগেজ ও টনি ক্রুস।
গ্রীষ্মের এ দলবদলে রিয়ালের খেলোয়াড় কেনা-বেচা ভালো লাগেনি পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের। বলেই দিয়েছেন, ‘আমার ভাবনা একদম পরিষ্কার। তবে আমি যা ভাবি, তা সব সময় প্রকাশ করতে পারি না। যদি রিয়ালের দায়িত্ব আমার হাতে থাকত, তবে হয়তো ভিন্ন কিছু করতাম (দলবদলের ক্ষেত্রে)। ডি মারিয়া, জাবি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু তারা এখন আর নেই। ফলে নতুন খেলোয়াড়দের নিয়েই আমাদের খুশি থাকতে হবে।’
তার মানে ডি মারিয়া-জাবিকে ছেড়ে দেওয়া ভালো লাগেনি রোনালদোর। এ ছাড়া কদিন আগেই জানিয়েছেন, খেলোয়াড়ি জীবনে আবার ফিরতে চান ইউনাইটেডে। ওদিকে ডি মারিয়া বলেছেন, ‘জানি না রোনালদো রিয়ালে কতদিন টিকতে পারবে’। সব মিলে গুঞ্জন, রিয়াল ছাড়ছেন সিআর সেভেন?
গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে রোনালদোর মন্তব্যের জবাব দিলেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। রিয়াল সভাপতি বললেন, ‘সন্দেহ নেই, সে (রোনালদো) রিয়ালের নীতি নিয়ে কোনো প্রশ্ন তুলতে চায়নি। তার সঙ্গে কোনো মতবিরোধ নেই। একেবারেই নেই। জানি ক্রিস্টিয়ানো অনেক ভালো। একজন বিশ্বসেরা খেলোয়াড় হিসেবে দলের প্রতি তার আনুগত্য, নিষ্ঠা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।’
অবশ্য ২০১৩-১৪ মৌসুমে সবচেয়ে বেশি আয় করা ক্লাবের তালিকায় রিয়ালের অবস্থান এক নম্বরে। এ দিয়ে টানা ১০বার শীর্ষ ধনী ক্লাব হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে রিয়াল। গত মৌসুমে রিয়ালের আয় রেকর্ড ৬০০ মিলিয়ন ইউরো। সূত্র: রয়টার্স, গোলডটকম।

যেসব নিয়মে ধরে রাখতে পারবেন ‘চির তারুণ্য’

ছোটবেলায় সবাই খুব তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যেতে চায়! কিন্তু বড় হবার পর সহজে কেউ বুড়ো হতে চায় না। বয়স বাড়াকে হয়তো থামিয়ে দেয়া যাবে না। তবে শরীর এবং মনে বার্ধক্যকে বিলম্বিত করার উপায় কিন্তু আছে! মেনে চলুন কিছু নিয়ম, তাহলেই ধরে রাখতে পারবেন চির তারুণ্য।
জলচিকিত্‍সা
খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এরপর বাথরুমে যান। বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরো এক গ্লাস পানি খান। সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি খাবেন। এই নিয়মে পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি বা জলচিকিত্‍সা। মূলত এটি হলো প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিত্‍সা। আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে - ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে প্রায় ৩৬ ধরনের রোগ হয় না এবং হলেও সেরে যায়।
চাইনিজ হারবাল মেডিসিন
চাইনিজ হারবাল মেডিসিন দেখে নিশ্চয়ই ভাবছেন, জিনিসটা না জানি কী! জিনিসটা আর কিছুই নয়, চা! দুধ-চিনি ছাড়া হালকা গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি চাইনিজ হারবাল মেডিসিন। সেকালে এই চা দিয়ে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও পেটের নানা রকম রোগের চিকিত্‍সা করা হতো। আবার আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চায়ে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধে নিশ্চিত অবদান রাখে। এছাড়াও অন্যান্য বহু গুণ রয়েছে চায়ের। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত বেশি।
সকালটা শুরু করুন দুধ ছাড়া খুব হালকা গরম এক কাপ চা দিয়ে। আপনার ওজন বেশির দিকে হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না। সারাদিনে এমন চা কমপক্ষে চার কাপ খাবেন।
মধু
মধুও একটি প্রাচীন প্রাকৃতিক ওষুধ। মধুতে রয়েছে অনেক ধরনের গুণ। প্রাচীনকালে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরিতে মধু ব্যবহার করা হতো। মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খাবেন।
ভিটামিন সি
ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ। এর অসংখ্য গুণাগুণ। জানা গেছে, দিনে এক হাজার মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে। তবে ট্যাবলেট খেলে হবে না, খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাজা ফলমূল। প্রতিদিনই খেতে হবে। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে সাহায্য করে। আমলকী, সব ধরনের লেবু, টমেটো, পেয়ারা, কাঁচামরিচ, নানা রকম টক স্বাদের ফলে বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।
মাংস ও দুধকে 'না'
রেডমিট অর্থাত্‍ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের মুরগিও খাওয়া চলবে না। শুধু চর্বি হীন বাচ্চা মুরগির মাংস খাওয়া চলতে পারে। পূর্ণবয়স্কদের জন্য গরু,ছাগল, মহিষের দুধ অপ্রয়োজনীয় তো বটেই, রীতিমতো ক্ষতিকর। দুগ্ধজাত খাবারও তাই। তবে টক দই খেতে পারেন। টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।
যা খাবেন
প্রচুর পরিমাণে আধা সেদ্ধ শাকসবজি, তরিতরকারি এবং অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি, এই হওয়া উচিত আপনার প্রতিদিনের মূল খাদ্য। সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন কাঁচা লেটুসপাতা, পুদিনাপাতা, টমেটো ইত্যাদি। ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের মাছ খেতে পারলে আরো ভালো। কেননা তা মহৌষধ। তবে গাদা গাদা মাছের কাঁটা খাওয়া ঠিক নয়। এতে পাকস্থলীতে পাথর হতে পারে।

স্বামী-স্ত্রীর মধুর দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে কিছু করণীয়

স্বামী-স্ত্রীর মধুর দাম্পত্য জীবনে আছে সুখ-দুঃখ আর হাসি-কান্না। আবার এ মধুর জীবনে রয়েছে মনোমালিন্য। তবে মনোমালিন্যতার সময়টুকু যদি দীর্ঘ হয় তাহলে দাম্পত্য জীবনে অসুখী হতে পারেন।
প্রত্যেককেই মনে রাখ দরকার, কোনোভাবেই যেন রাগ দীর্ঘস্থায়ী না হয়। মনোমালিন্য খুবই খারাপ সমস্যা, যা সুন্দর সম্পর্ককে নষ্ট করে দিতে পারে। তবে কিছু কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে সচেতন স্বামীরা সহজেই স্ত্রীর রাগ সামলে নিতে পারেন।
জেনে নিন তেমন কিছু বিষয়-
স্ত্রী যেভাবে খুশি হয় : প্রতিটি নারীর কিছু দুর্বল জায়গা থাকে। কিছু কিছু সাধারণ বিষয় থাকে, যাতে স্ত্রীরা খুব অল্পতে পটে যায়। তার একটি তালিকা তৈরি করুন। নিয়মিত তা চর্চার চেষ্টা করুন।
প্রতিজ্ঞা রক্ষা : স্ত্রীর কাছে কোনো প্রতিজ্ঞা করলে বা প্রতিশ্রুতি দিলে তা রক্ষা করার চেষ্টা করুন। ভুলবশত তার রাগের কারণে বড় কোনো অঙ্গীকার করা ঠিক না। যদি কখনও কোনো অঙ্গীকার ভঙ্গ করেই থাকেন তবে তা না লুকিয়ে বরং তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করুন।
রাগের সময় যুক্তি দিতে যাবেন না : যখন আপনার স্ত্রী প্রচণ্ড রেগে যান, তখন কোনো কথা সে শুনতে পছন্দ করবে না। তাই কথা না বলে শুধু তার দিকেই দৃষ্টি রাখুন। এমন কিছু করবেন না যাতে সে আরও রেগে যায়। আবার তার রাগকে তাচ্ছিল্যও করবেন না। রেগে গেলে তর্ক করবেন না বা পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করবেন না বরং আন্তরিক হওয়ার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন অনেক সময় রাগান্বিত অবস্থায় কোনো যুক্তি উপস্থাপন করলে তা আরও রাগের হয়ে দাঁড়ায়। স্ত্রীর পাশে বসুন, স্ত্রী শান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাগের বিষয় জানতে চাইবেন না। রাগের কারণ জানার জন্য কিছু সময় অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না আপনার স্ত্রী শান্ত বা প্রাণবন্ত না হয়।
প্রয়োজনে আত্মসমর্পন : আপনি আপনার স্ত্রীর মতের সঙ্গে একমত নন। কিন্তু শান্ত করার জন্য একমতের ভান করতে পারেন। জানান তার কথার সঙ্গে আপনি একমত। হতে পারে তা আপনার মাথা নাড়ানোর মাধ্যমে, মাঝে মাঝে বশ্যতা প্রকাশ করুন।
খোঁচা নয় পরামর্শ দরকার : অনেক কারণেই আপনার স্ত্রীর মনে রাগ ক্ষোভ-জমে থাকতে পারে। হতে পারে এটি আপনার বাবা-মায়ের কারণেও। তাই হঠাৎ আপনার সঙ্গে কঠিন করে কথা বললে তার প্রতিউত্তর না দেওয়ারই চেষ্টা করবেন। তাকে তার অতীত, পাবিারিক অবস্থা, স্বভাব নিয়ে খোঁচা দিবেন না বরং কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় বা সে নিজেকে শুধরে নিতে পারে সে বিষয়ে পরামর্শ দিন।
আঘাত করবেন না : অনেক সময় স্ত্রী আবেগ প্রকাশের জন্যও রাগ দেখায়। বিশ্বজুড়ে এটি স্ত্রীদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। তার রাগের কারণ হতে পারে আপনার আচরণ, চাকরি কিংবা খোঁচা মেরে কথা বলা। আবার এও হতে পারে, সে যা বলে তা সম্পর্কে নিজেও অবহিত নন। এ সময় তাকে শান্ত করার চেষ্টা করুন। পরবর্তী সময়ে দুজনে বিষয়টি নিয়ে বসুন, নতুন করে আলাপ করুন।
- See more at: http://www.bd24live.com/article/4320/index.html#sthash.ZrNU7o6b.dpuf

মুখ দেখেই বলা যাবে হার্টের অবস্থা

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে জানিয়েছেন মানুষের মুখ দেখেই তার শরীরের অভ্যন্তরীণ অবস্থার ধারণা পাওয়া যাবে। রচস্টের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এমনই এক টেকনোলজির সন্ধান দিয়েছেন যা দিয়ে মুখ দেখেই উপসমযোগ্য কিন্তু সম্ভাব্য বিপজ্জনক হার্টের পরিস্থিতি বোঝা যাবে।

তবে একাজে সাহায্য লাগবে একটি ওয়েব ক্যাম ও সফটওয়্যার অ্যালগোরিদমের। শনিবার হার্ট রিদম নামের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণার রিপোর্ট।
এই গবেষণায় উঠে এসেছে মুখের চামড়ার রঙের সূক্ষ্ম পরিবর্তন অনেক সময় অসম রক্তপরিবহনের ফলে হয়। এই অসম রক্ত পরিবর্তনের কারণ আসলে হার্টের বিপজ্জনক অবস্থা। অনেক সময় অনিয়মিত বা দ্রুত হৃদস্পন্দনের কারণে শরীরে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়।

নতুন টেকনোলিজির মাধ্যমে একটি সফটওয়্যার অ্যালগোরিদম মুখমণ্ডলকে স্ক্যান করে চামড়ার রঙের পরিবর্তন সহজেই ধরতে পারবে। এই পরিবর্তন খালি চোখে বোঝা অসম্ভব।

যেসকল বদঅভ্যাসে হতে পারে স্তন ক্যান্সার

বর্তমানে সারা বিশ্বের নারীদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। কিছুদিন আগে স্তন ক্যান্সারের কারণে হলিউডের অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির স্তন অপসারনের কথাও কারো অজানা নয়। তাই স্তন ক্যান্সার মোটেই হালকাভাবে নেয়ার মতন কোন বিষয় নয়। এটি নির্ণয়ের ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো হয়তো আপনার জানা আছে। কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনার দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের কারণে আপনিও রয়েছেন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে?
জেনে নিন সেরকম ৮ টি খারাপ অভ্যাসের কথা যার কারণে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে আপনার স্তনেও!
১। ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী ব্যবহারঃ
স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করুন। কেননা নয়তো এটি আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দিতে পারে অনেকখানি। স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলো কেটে ফেলতে পারে।
২। বক্ষবন্ধনী সারাক্ষণ পরে থাকাঃ
সারাক্ষণ বক্ষবন্ধনী পরে থাকার কারণে ঘাম নির্গত হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। ঘরে থাকার সময়টুকুতে বক্ষবন্ধনী ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।
৩। লেবেল না দেখে ডিওডোরেন্ট কেনাঃ
আজকাল কর্মজীবী নারী হোক বা শিক্ষার্থী সারাদিনের বাইরে থাকা আর সেই সাথে ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাইই! এতে নিজের ফ্রেশ ভাবটা যেমন বজায় থাকে তেমনি ঘামের গন্ধের কারণে অন্য কারো সামনেও বিব্রত হতে হয় না। কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি বাড়ায়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই কোন কোম্পানির পণ্যটি ব্যবহার করবেন তা আগে একজন স্কিন বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নিন।
৪। কেমিকেলযুক্ত চুলের রঙ ব্যবহারঃ
চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সাথে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রঙ কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সাথে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর কেমিকেলের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সার। তাই ভালো কোম্পানির ভেষজ চুলের রঙ ব্যবহার করুন। আর মেহেদী ব্যবহার করলে তা একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভালো আর সেই সাথে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

৫। প্লাস্টিকের বক্সে সব সময় খাবার রাখাঃ
প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।
৬। এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহারঃ
ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে বা সুগন্ধিযুক্ত ঘর পেতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং কেমিকেল, যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে। এটির সাথে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক আছে। এর চেয়ে ফুটন্ত পানিতে এক টুকরো দারুচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে!
৭। কেমিকেলযুক্ত ক্লিনার ব্যবহারঃ
অদ্ভুত হলেও সত্যি যে, আপনার রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয় বরং অন্য ধরনের ক্যান্সার ও বিভিন্ন ধরনের ক্রনিক রোগ, যেমন মাইগ্রেন ও এলার্জিরও জন্ম দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।
৮। ন্যাপথলিনের ব্যবহারঃ
আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনের সিঙ্কেও ফেলে রাখেন কয়েকটি। কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে ১০০ মাইল দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়ায় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।
দৈনন্দিন ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকুন। দূরে থাকুন স্তন ক্যান্সার থেকে। সুস্থ থাকুন।

কুকুর ও তরুণীর বিয়ে!

কুকুর ও তরুণীর বিয়ে!ঝাড়খণ্ডের এক প্রত্যন্ত গ্রামের এক ১৮ বছরের তরুণী মাঙ্গলি মুণ্ডার সঙ্গে বিয়ে হল একটি কুকুরের। এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে গিয়েছে। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদে সরব হয়েছেন সমাজকর্মীদের একাংশ। যদিও গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গ্রামকে অপদেবতার হাত থেকে বাঁচাতেই এই উদ্যোগ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গ্রামের বড়রা মাঙ্গলি মুণ্ডার হাত দেখে বলেন, কোনও পুরুষের সঙ্গে তার বিয়ে হলে তা মুণ্ডা পরিবার ও সম্প্রদায়ের ধ্বংস ডেকে আনবে। যার সঙ্গে মাঙ্গলির বিয়ে হয়েছে সেই সারমেয়টির নাম ‘শেরু’। মাঙ্গলি কোনওদিন স্কুলে যায়নি। বিয়ের পর তার বক্তব্য, আমি মোটেও বিয়ে করে খুশি নই। কিন্তু গ্রামের মানুষের ও আমার কপালের কথা ভেবে আমাকে এই বিয়ে করতে হল। এই বিয়ের পর আমি একজন পুরুষকে বিয়ে করতে চাই যার সঙ্গে আমি অনেকদিন কাটাতে পারব।

মাঙ্গলি জানিয়েছে, আমি এই বিয়ে করতে চাইনি। কিন্তু গ্রামবাসীরা দ্রুত এই বিয়ে সেরে ফেলতে বলছিল। কারণ, তারা চান যত দ্রুত গ্রামের উপর থেকে দুর্ভাগ্যের ছায়া সরে যাক।

স্থানীয় সূত্রে খবর, এই বিয়ের পর মাঙ্গলির আবার একটি বিয়ে করতে পারবে। কোনও সমস্যা হবে না। কুকুরটিকে ডিভোর্স করে এক পুরুষকে বিয়ে করতে পারবে মাঙ্গলি। গ্রামের এর আগেই এরকম ঘটনা ঘটেছে। বিয়েতে নিমন্ত্রিতের সংখ্যা ছিল ৭০ জনেরও বেশি। মাঙ্গলির মা সীমাদেবী জানিয়েছেন, কুকর হলে কী হবে, শেরুর সঙ্গে তার মেয়ের বিয়েতে কোনও ফাঁক রাখা হয়নি।

গাঁজার চেয়েও ফেসবুককে বেশি ক্ষতিকর!

গাঁজার চেয়েও ফেসবুককে বেশি ক্ষতিকর বললেন মাইলি সাইরাসজনপ্রিয় মার্কিন পপতারকা মাইলি সাইরাস মনে করেন গাঁজা সেবনের চেয়েও ফেসবুক স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ক্ষতিকর। ২১ বছর বয়সী বিতর্কিত এই তারকা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রামের ওপর তার সমস্ত রাগ ঝাড়েন। এসময় তিনি বলেন, “কোন জিনিসটা আসলে আপনার মস্তিষ্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে জানেন? গুগলে নিজেকে খুঁজলে আর ইন্সটাগ্রাম ও ফেইসবুকে মানুষের মন্তব্য পড়লে।”
কিছুদিন আগে ইন্সটাগ্রামে গাঁজা সেবন করার সময় তোলা নিজের কিছু ছবি পোস্ট করেছিলেন তিনি।
এ ব্যাপারে তিনি বলেন, “এই ছবি গুলো আমি দিয়েছি কারণ, আমি এমন এক পরিবেশে বড় হয়েছি, যেখানে গাঁজাকে ক্ষতিকর হিসেবে দেখা হয় না।”
সাবেক এই ডিজনি তারকা এবারের এমটিভি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা মিউজিক ভিডিওর জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ-ও জানালেন, নিজেকে কখনোই মানুষের অনুসরনীয় বলে ভাবেন না তিনি।

বেশি করে বড় পর্দায় সময় দিতে চান মম

আরও বেশি করে বড় পর্দায় সময় দিতে চান মম২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার প্রতিযোগীতার মাধ্যমে বিনোদন জগতে শুরু হয় মমর পথচলা। মমর মতো অনেক তারকাই উঠে এসেছে লাক্স-চ্যানেল আই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। এদের অনেকেই মিডিয়াতে বেশ ভালো করছেন, আবার অনেকেই দর্শকের মন থেকে হারিয়ে গেছে।
লাক্স-চ্যানেল আই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে মম বলেন, ‘এই প্রতিযোগীতার বিভিন্ন ধাপ খুব বেশি কঠিন নয়। মূলত সম্ভবনাময় এবং প্রতিভাবানদেরই এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাছাই করে নির্বাচিত করা হয়।’
বাংলাদেশে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারকা বাছাইয়ের ধারনার প্রবক্তা হলেন শাহদাত চৌধুরী। তিনি আনন্দ বিচিত্রা এবং বিচিত্রা সাময়িকীর সম্পাদক ছিলেন। তার হাত ধরেই শুরু হয় লাক্স-আনন্দধারা ফটোজনিক প্রতিযোগিতা।
এই সম্পর্কে মম বলেন, ‘মেধা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে শাহদাত ভাইয়ের এক অন্য চোখ ছিলো। শাহদাত ভাইয়ের হাত ধরে যারা মিডিয়াতে প্রবেশ করেছে, তারা সকলেই ভালো অবস্থানে রয়েছে। সম্ভবত তিনিই বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো শোবিজ সম্পাদক।
জাকিয়া বারি মম, তিনি যেমন সুন্দরী, তেমন মেধাবী এবং বুদ্ধিমতী। ২০০৬ সালে ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমার মাধ্যমে মিডিয়াতে তার অভিষেক ঘটে। যদিও এরপরে সিনেমা জগতে নয়, বরং ছোট পর্দাতেই বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েন মম।
যদিও সম্প্রতি আবারো বড় পর্দায় মনোযোগী হয়েছেন মম। গত বছর এবং চলতি বছরে দুটি প্রধান ধারার সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন মম। সিনেমা দুটি হলো ‘প্রেম করবো তোমার সাথে’ এবং ‘ছুঁয়ে দিলে মন’। এই দুটি সিনেমায় মমর সঙ্গে সহ-অভিনেতা হিসেবে রয়েছেন আনিসুর রহমান মিলন এবং জায়েদ খান।
ভবিষ্যতে আরও বেশি করে বড় পর্দায় সময় দিতে চান মম। ঈদুল আযহার পরেই মুক্তি পাবে ‘প্রেস করবো তোমার সাথে’ সিনেমাটি। তবে সম্প্রতি এই দুটি সিনেমার সাফল্যের উপর ভবিষ্যতে মমর সিনেমায় বেশি মনোযোগী হওয়া এবং না হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে।
মমর দৃষ্টিতে পরিচালনা খুবই কঠিন কাজ এবং তিনি কখনোই এতে আগ্রহী নন বলে সাফ জানিয়ে দেন। 

কিশোরী বয়সে সমকামী ছিলেন জেসিকা অ্যালবা

কিশোরী বয়সে সমকামী ছিলেন জেসিকা অ্যালবাকিশোরী বয়সে একজন সমকামীর প্রেমে পড়েছিলেন হলিউড অভিনেত্রী জেসিকা অ্যালবা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি অকোপটে এ কথা স্বীকার করেছেন। তিনি পেশায় ব্যালের একজন নর্তকী ছিলেন। আর এ জন্য স্থানীয় চার্চেও লোকজন তার ওপর ভীষণভাবে চটেছিল। রিপোর্ট এম ভি পি ইন্টারটেইনমেন্টের।
রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, দ্য বিস্ট ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৩৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী বলেছেন, ‘আমাকে চার্চ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। কারণ আমি নারীর বেশধারী পুরুষের প্রেমে পড়েছিলাম। সমকামীদের হয়ে কথা বলা তার কাছে নতুন নয়।
অ্যালবা এর আগে ২০০৬ সালে এল জি বি টি সংস্থার হয়ে সমকামী, বহুকামী এবং লিঙ্গ পরিবর্তিতদের হয়ে কথা বলেছিল। তিনি জানিয়েছেন, এই ব্যাপারগুলোতে চার্চের এবং বাইবেলের হস্তক্ষেপ তার অনুভূতিতে সমানভাবে আঘাত করে। তার এমন বক্তব্য নারী হিসেবে তার আদর্শকে অনেকখানি পিছিয়ে দিয়েছে।
অ্যালবা অভিনীত সিন সিটি ২ : এ ডেম টু কিল ফর সিনেমাটি ৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভারতের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পেয়েছে। এই ছবিতে আরও অভিনয় করেছে জোসেফ গোরডন লেভিট, ইভা গ্রীন, জোস ব্রুলিনসহ আরও অনেকে।

সোনালী পর্দার আড়ালের অন্ধকার

যেপথ ধরে অন্ধকার জগতে বলিউড সুন্দরীরাএকদিন হয়ত নিজেদের মহিমা দেখিয়ে আলো ছড়িয়েছিলেন শ্বেতারা। কিন্তু সেই আলো বেশি দিন আলোকিত করতে পারিনী তাদের ক্যারিয়ারকে। অচিরে হারিয়ে গিয়েছে অন্ধোকার জগতে।
সম্প্রতি হাইপ্রোফাইল সেক্স র‍্যাকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদকে পুলিশ হাতেনাতে গ্রেফতার করে৷ এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই সোনালী পর্দার আড়ালের অন্ধকার জনসমক্ষে বেরিয়ে এসেছে৷ এই প্রথম যে কোন বিখ্যাত অভিনেত্রী সেক্স র‍্যাকেটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন তা একেবারেই নয়৷
এর আগেও অনেক অভিনেত্রী দেহব্যবসায় জড়িত ছিলেন যাদের পুলিশ গ্রেফতার করেছিল৷ যদিও শ্বেতার মত রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন অভিনেত্রীর এই ধরণের কাজে লিপ্ত থাকাটা স্বভাবতই অবাক করা৷ কিন্তু এটাই বোধহয় এই জাঁকজমকের দুনিয়ার বাস্তব সত্য৷
বিখ্যাত তামিল অভিনেত্রী ভুবনেশ্বরীও দেহব্যবসার জড়িত ছিলেন৷ এই অভিযোগে দুই মডেলের সঙ্গে চেন্নাই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল এই অভিনেত্রীকে৷ ২০০৯ সালের অক্টোবরে ভুবনেশ্বরীর প্রতিবেশীরাই পুলিশকে জানিয়েছিল, তার বাড়িতে অনের রাত পর্যন্ত বিভিন্ন লোকের আসা যাওয়া লেগে থাকে৷ এরপরেই পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে৷ তদন্তে জানা যায় ভুবনেশ্বরীর এই সেক্স র‍্যাকেটের সঙ্গে তামিল ও তেলেগু ছবির অভিনেত্রীরাও রয়েছেন৷
তামিল ছবির অপর অভেনত্রী এষা আনসারিকেও যোধপুর পুলিশ সেক্স র‍্যাকেট চালানোর অপরাধে গ্রেফতার করে৷ ২০১৩ সালে এশাকে তার তিন পুরুষ সঙ্গীসহ গ্রেফতার করা হয়৷ পুলিশি তদন্তে জানা যায়, এশা দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের সেক্স পরিষেবা দিতেন৷ ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এশার এই সেক্স ব্যবসা চলত৷ এই অভিনেত্রী বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘ওম শান্তি ওম’ ও ‘চলতে চলতে’ ছবিতে কাজ করেছেন৷
‘লাইফ কি তো নিকল পরি’ ছবি দিয়েই বলিউডে এন্ট্রি নিয়েছিলেন অভিনেত্রী মিষ্টি মুখার্জি৷ মিষ্টিকেও দেহব্যবসার অভিযোগে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল৷ ফ্যাশন ডিজাইনার রাকেশ কটোরিয়ার সঙ্গে আপত্তিজনক অবস্থায় ধরা পড়েন মিষ্টি৷ ১৫ তলার এই ফ্ল্যাটবাড়ি উদ্ধার হয় প্রায় একলক্ষ নীল ছবির সিডি ও ডিভিডি৷ পুলিশ মিষ্টির সঙ্গে তার বাবা ও ভাইকেও গ্রেফতার করে৷ কারণ দেহব্যবসার সঙ্গে মিষ্টির গোটা পরিবারই জড়িত ছিল৷
এই লিস্টে রয়েছে বিখ্যাত অভিনেত্রী যমুনার নামও৷ ২০১১ সালে দেহব্যবসার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে৷ ক্রাইম ব্রাঞ্চের পুলিশ আট যুবতী ও একগ্রাহকের সঙ্গে অভিনেত্রী যমুনাকে গ্রেফতার করে৷
তেলেগু ধারাবাহিকের বিখ্যাত অভিনেত্রী শ্রাবণীকে ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয়৷ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি একটি হাই প্রোফাইল সেক্স র‍্যাকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ পুলিশের তদন্তকারী দল তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করে৷
এছাড়াও অপর এক তেলেগু অভিনেত্রী সায়রা বানো ও জ্যোতিও সেক্স র‍্যাকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ ২০১০ সালে হায়দরাবাদ পুলিশ স্প্রিং স্বর্গ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে এই র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস করে৷

শুক্রবার, আগস্ট ২৯, ২০১৪

যে ভাবে কমে পুরুষের পৌরুষত্ব

সন্তান ধারণ বা যৌন সমস্যা শুধুই মহিলাদের হবে এমন নই৷ পুরুষরাও এই ধরণের সমস্যায় জর্জরিত৷ স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা ও জীবনশৈলীর পরিবর্তনের কারণে পুরুষদের মধ্যে সমস্যা তৈরি হচ্ছে৷পুরুষের পৌরুষত্ব কমে আসতে থাকে। এই সমস্ত সমস্যার এমন কিছু কারণ অনেকেই অজানা৷
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বন্ধ্যাত্বের জন্য প্রায় ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে পুরুষরা দায়ী থাকেন৷ কিন্তু, সচেতনতা ও চিকিৎসার অভাবে এর প্রতিকার করা হয় না৷ এমনই কিছু কারণ উঠে এসেছে গবেষণায়৷
স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে, যা পুরুষের বীর্য কোষকে প্রভাবিত করে৷ এতে বীর্যকোষের ভেতরের কোষে সংকোচন, রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়া, প্রদাহ ইত্যাদি সমস্যা দেখা যায়৷ এতে বীর্যের গুণগত মানের উপরেও প্রভাব পড়ে৷ কিছু ক্ষেত্রে বীর্য কোষে ক্যানসারের কারণেও পুরুষদের মধ্যে বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে৷
ডায়াবেটিসের ফলেও পুরুষের বীর্যের গুনগত মানের উপর প্রভাব পড়তে পারে৷ এতে শরীরে ইনসুলের ভারসাম্য অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে৷ এরফলেও পুরুষের যৌনজীবনের উপর বিপরীত প্রভাব পড়তে পারে৷
অতিরিক্ত উচ্চ তাপমাত্রার ফলেও বীর্যের উৎপাদনের উপর বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে৷ তাই যারা উচ্চ তাপমাত্রায় দীর্ঘক্ষণ কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকারক হতে পারে৷
মানসিক চাপের ফলেও পুরুষরা বন্ধ্যাত্বের শিকার হয়ে থাকেন৷ মনে করা হয়, অবসাদের ফলে তার প্রভাব কেবল মানসিক পরিস্থিতির উপরেই পড়ে৷ কিন্তু এতে সারা শরীরের উপরেই খারাপ প্রভাব পড়তে পারে৷ অবসাদের কারণে সেক্স হরমোনের উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায় যা পৌরুষত্বকে প্রভাবিত করতে পারে৷
ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোশিয়েশনের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অতিরিক্ত ধূমপানের ফলেও পুরুষরা বন্ধ্যাত্বের শিকার হন৷ এতে বন্ধ্যাত্বের সম্ভাবনা প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে৷ এছাড়াও ফার্টিলিটি অ্যান্ড স্টর্লিটি’র একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘক্ষণ কোলের উপর ল্যাপটপ রেখে যারা কাজ করেন, তাদের বীর্যের গতি এবং ডিএনএ-এর উপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে৷

নিয়মিত কিছু খাদ্য খেলেই যৌনশক্তি বৃদ্ধি করা সম্ভব!

সেক্সুয়াল বিষয়টি প্রত্যেকটি মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িত। বয়সের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের যৌনশক্তিরও পরিবর্তন হয়। এটি লুকোছাপার কোনো বিষয় নয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেকের যৌনশক্তি কমে আসে। আবার যৌবনে অনেকে নানা কারণে যৌনশক্তি হারিয়ে ফেলেন।
একারণে অনেকের দাম্পত্য জীবনে কলহের সৃষ্টি হয়। যৌনশক্তি বৃদ্ধির জন্যে বেশি কিছু করার প্রয়োজন হয়না। ভারতের একজন বিখ্যাত সেক্সোলজিস্ট ডা. ভিজয় সিংহল বলেছেন, নিয়মিত কিছু খাদ্য খেলেই যৌনশক্তি বৃদ্ধি করা সম্ভব।
তরমুজ: তরমুজ শরীরের কামশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়। এটি রক্তের চলাচল স্বাভাবিক রাখে ও প্রচ- গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখে।
আখরোট: এটি মানুষের শরীরে বীর্য তৈরিতে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া এটি নারীদের গর্ভধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
স্ট্রবেরী: স্ট্রবেরীতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক রয়েছে। এটি নারী ও পুরুষের সেক্সুয়াল পাওয়ার বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভুমিকা রাখে। নারীদের জন্যে এটি বেশি উপকারী।
ডার্ক চকলেট: ডার্ক চকলেট যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে তেমন কোন ভূমিকা রাখেনা। তবে এটি মানুষের মনমরা ভাব দূর করে এবং তাকে রোমান্টিক করে তোলে।
ডিম: ডিম পুরুষদের জন্যে বেশি উপকারী। এটি পুরুষের বিশেষ অঙ্গ শক্ত করে তোলে। নারীদের জন্যেও এটি বেশ উপকারী।
কফি: কফি নারী ও পুরুষের কাম উত্তেজনা বাড়ায়। তাছাড়া এটি মানুষের মস্তিষ্কের উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
মাছ ও মাংস: এ দুটি আমরা নিয়মিতই খেয়ে থাকি। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘বি’, জিঙ্ক, আয়রন ও প্রোটিন রয়েছে। এই উপাদানগুলো মানুষের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে।
জাফরান: জাফরান মানুষের স্ট্যামিনা ও এনার্জি বাড়ায়। এটি নারী ও পুরুষকে বিশেষ মুহূর্তে সর্বোচ্চ প্রশান্তি দেয়।
জাম: জামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এটি মানুষের দেহে শুক্রাণুর পরিমাণ বাড়ায়। তাছাড়া এটি নারীদের গর্ভধারণ করার অক্ষমতা দূর করে।
কাজুবাদাম: কাজুবাদাম মানুষের মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে এবং শরীরের রক্ত তৈরি ও প্রবাহতে সাহায্য করে। মানুষের শরীরে যথাযথ পরিমাণে রক্ত থাকলে যৌনশক্তিও বাড়ে।
মানুষের যেকোন কারণে যৌনশক্তি কমে যেতে পারে। তাছাড়া প্রাকৃতিভাবেও অনেকের যৌনশক্তি একটু কম থাকতে পারে। এসব কারণে হতাশ না হয়ে উল্লেখিত খাবারগুলো বেশি করে খেলে যেকারো যৌনশক্তি স্বাভাবিক থাকবে।