International লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
International লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৪

যৌনাঙ্গে লুকিয়েও শেষরক্ষা হল না!

যুক্তরাষ্ট্রে যৌনতার ফাঁদে ফেলে বহুমূল্য রোলেক্স ঘড়ি চুরির পর নিজেদের যৌনাঙ্গে লুকিয়েও শেষরক্ষা হল না মক্ষিরানীদের। খদ্দেরের অভিযোগের ফলে একটি ক্যাসিনোর হোটেলে ধরা পড়েছে প্রতারক তিন মক্ষীরানী। খবর বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস’র।   
ব্রিয়ান্না ওয়ারেন, ট্রিনিটি কেন্নার্ড এবং চার্মেলা ট্রিগস নামের তিন মক্ষীরানী প্রথমে তাদের শিকারদের যৌনতার ফাঁদে টেনে নিয়ে আসে। তাদের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক করে। তারপর তাদের অজান্তেই ৭হাজার পাউন্ড মূল্যের রোলেক্স ঘড়ি ছিনিয়ে নেয় তারা। ওয়ারেন ও ট্রিগস এক ভারতীয় পর্যটকের সঙ্গেও ছলনা করেছিল। ঘড়ি ছিনতাইয়ের পর সবকিছু বুঝতে পেরে হোটেল কর্তৃপক্ষকে সব জানায় মক্ষীরানীদের শিকাররা। নিরাপত্তা কর্মিরা পুলিশকে সবকিছু জানায়। হোটেলের বাইরে পুলিশ ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে একটি বন্দুক ও চুরি যাওয়া একটি রোলেক্স ঘড়ি উদ্ধার করা হয়। তার আগেই নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়ে তাদের অপকর্ম। দুই মক্ষীরানীকে তাদের যৌনাঙ্গে ঘড়ি ঢোকাতে দেখা গিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি,প্রতারণার কঠোর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার, আগস্ট ২৯, ২০১৪

পুরোপুরি নগ্ন হয়ে রবফ স্নান!

এবার পুরোপুরি নগ্ন হয়ে বরফ স্নানে সোফিয়া !এএলএস আইস বাকেট চ্যালেঞ্জ নিনেল এবার ব্রিটিশ অভিনেত্রী ও মডেল তারকা সোফিয়া হায়েত। এর আগে্ এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে আলোচনায় উঠে আাসেন বলিউড অভিনেত্রী পুনম পান্ডেসহ বহু নামিদামী তারকা।
তবে পুনম পান্ডে অন্তরবাস পরে বরফ স্নান করলেও আরো এক ধাপ এগিয়ে পুরোপুরি নগ্ন হয়ে রবফ স্নান করার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী সোফিয়া হায়েত।
এরই মধ্যে এক দফা মহড়াও দেয়া হয়ে গেছে তার। তিনি আইস বাকেট চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে নগ্ন হয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন।
ছবিতে দেখা যায়, সোফিয়া নগ্ন হয়ে স্তনের উপর হাত রেখে একটি বেঞ্চির উপর শুয়ে রয়েছেন। এর আগে অর্ধনগ্ন হয়ে বরফ স্নানের দৃশ্য ভিডিওবন্দি করে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন পুনম।
অভিনেত্রী পুনম জানায়, রেড এফএমের এক রেডিও জকি তাকে এই চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন৷ এএলএস আইস বাকেট চ্যালঞ্জের নিয়ম অনুযায়ী পুনম বলিউডের তিন খানকে এই চ্যালেঞ্জের জন্য নমিনেট করেছেন৷
এবার দেখার আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে শাহরুখ-আমির-সলমন এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন কিনা৷

শনিবার, আগস্ট ২৩, ২০১৪

বৃটেনে স্কুলে ৩ বছরে ৩০০ ছাত্রী ধর্ষিত

ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানি ক্রমেই বৃটিশ স্কুলগুলোর ক্লাসের মধ্যেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত তিন বছরে এই অপরাধের সংখ্যা ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানা গেছে। ফ্রিডম অব এক্টের অধীনে পুলিশের মাধ্যমে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট  কর্তৃক এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রিপোর্টে জানা গেছে, ২৮৬৫টি সেক্স-ক্রাইম এর অভিযোগ পুলিশের রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, আর এই রেকর্ডের অর্ধেকেরও বেশী অভিযোগ করেছেন স্কুলের ছাত্রীরা।
রিপোর্টে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে শ্রেণিকক্ষ এবং স্কুল কম্পাউন্ডের মধ্যে ৩২০টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত বছর ১,০৫২ টি শ্লীলতাহানির অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়, যার মধ্যে ১৩৪টি ছিলো স্কুলের মধ্যেই ধর্ষণের অভিযোগ।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ইউকে পুলিশ ফোর্সে রেপ এন্ড সেক্স ক্রাইম ৪৬ শতাংশের মধ্যে ৩৭ শতাংশ হয়ে থাকে। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ এবিউস ভিক্টিম এবং এর অর্ধেকেরও বেশী ছাত্র ছাত্রীদের দ্বারা স্কুলের মধ্যে রিপোর্টে বলা হয়েছে।
ডিপার্টম্যান্ট অব এডুকেশন বর্তমানে এই ইস্যুতে কাজ করছে এবং সরকারের উপর এখন চাইল্ড সেফগার্ড এর রিফর্ম করার ব্যাপারে প্রেসারও রয়েছে। এদিকে হেড টিচাররা বলছেন এ অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা চাইল্ড প্রটেকশন এক্সপার্টের সুপারিশ করেছেন। এখন পর্যন্ত আইনগতভাবে এর কোন বাধ্যবাধকতা ও পেনাল্টির কোন বিধান নেই, যদি এটা প্রয়োগ করা হয় বা না হয়।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, হাম্পশায়ারে স্কুল কম্পাউন্ডে ১২ বছরের এক ছাত্রীকে উলঙ্গ এবং এক ছাত্র ধর্ষণ করার পরে মিডিয়ার লাইম লাইটে এই ইস্যু চলে আসে। ক্রাউন প্রসিউকিশন সার্ভিস কেস নেয়ার পর পর্যাপ্ত এভিডেন্স না থাকায় শেষ পর্যন্ত কোন চার্জ করেননি।
তবে রিপোর্টে বলা হয়েছে, মানচেস্টারে ৫৭ বছর বয়সী রিচার্ড জোন্স নামের রিলিজিয়স টিচার স্কুলে ওয়ান-টু-ওয়ান সাক্ষাতের ভিত্তিতে একজনকে কিস করেন এবং অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন। এক ছাত্রীর মা তার কম্পিউটারে এক্সপ্লিসিট ম্যাসেজ দেখে সন্দেহ বশত হেড টিচারের সাথে আলাপ করলে পুলিশী তদন্তে রিচার্ডের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৮ বছরের জেল হয়।
এ ব্যাপারে এনএসপিসিসির ক্লেয়ার লিলি বলেন, স্কুলগুলোতে অবশ্যই চাইল্ড প্রটেকশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা উপস্থিত থাকতে হবে এবং একই সাথে হেড টিচার ও অভিভাবকদের এক সাথে আগে ভাগে সজাগ থেকে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে অনৈতিক অবস্থা সৃষ্টির আগেই বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। শ্যাডো হোম সেক্রেটারি ইউভেট কোপার রিপোর্ট প্রকাশের পর পরই সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন। ডিপার্টম্যান্ট অব এডুকেশনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্কুলে ছেলে মেয়েদের নিরাপত্তা প্রদানের চাইতে আর কোন কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়, ডিপার্টম্যান্ট সর্বাবস্থায় চাইল্ড সেফটি ও চাইল্ড প্রটেকশনের ব্যাপারে খুবই সচেতন এবং সেজন্য সকল ব্যবস্থাই গ্রহণ করবে।

ইমরানের দল ও সরকার সংলাপে

অবশেষে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের সরকারের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসেছে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। এতে কিছুটা হলেও পাকিস্তানের অশান্ত রাজনীতিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা থেকে উত্তরণে আজও সংলাপের প্রক্রিয়া চলমান থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিটিআই’র নেতা শাহ মেহমুদ কুরেশি। গতকাল দুই পক্ষের বৈঠকের পর তিনি বলেন, সংলাপের প্রথম দফায় পিটিআই প্রতিনিধিবর্গ ৬ দফা দাবি সংবলিত একটি সনদ সরকারের প্রতিনিধিবর্গের কাছে পেশ করেছেন। আজ উভয় পক্ষই নিজেদের আপত্তির বিষয়গুলো মনোযোগ সহকারে শুনেছেন এবং আমরা আগামীকাল (শনিবার) আবার বৈঠকে বসবো। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন। বৈঠকটি কোথায় হয়েছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে রাজধানী ইসলামাবাদের একটি স্থানে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিবর্গ আলোচনায় বসেছেন বলে জানা গেছে। কুরেশি, জাভেদ হাশমি, পারভেজ খাট্টাক, আসাদ উমর, আরিফ আলভি ও জাহাঙ্গীর তারীন পিটিআই’র প্রতিনিধিত্ব করেন। অন্যদিকে, সরকার পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন পাঞ্জাব প্রদেশের গভর্নর চৌধুরী মোহাম্মদ সারওয়ার, আহসান ইকবাল, পারভেজ রশিদ ও ডক্টর আবদুল কাদির বেলুচ। পিটিআই’র প্রেসিডেন্ট মাখদুম জাভেদ হাশমি সরকারি প্রতিনিধিবর্গকে বলেছেন, নওয়াজ শরীফের উচিত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের পর পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ দলের অন্য কাউকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করা। পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সহ-সভাপতি আসিফ আলি জারদারিকে বুঝতে হলে একটি ‘পিএইচডি’ ডিগ্রি থাকা দরকার বলেও মন্তব্য করেন। গতকাল পিটিআইয়ের ৩৪ জন জাতীয় পরিষদ সদস্যের সবাই পদত্যাগ করার পর এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালের সাধারণ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ছিল না এবং ক্ষমতাসীন দল ভোট-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিল বলে অভিযোগ পিটিআইয়ের। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ, অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং নির্বাচনী সংস্কার ও নির্বাচন কমিশনে পরিবর্তন দাবি করেছে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন দলটি।

যখন খেলাধুলার কথা তখন সময় দিতে হয় স্বামীর সেবায়

মহিনা সাবান নামের এক ধাত্রী জর্ডানের একটি শরণার্থী ক্যাম্পে অল্প বয়সে মেয়েরা যেন পরিবারের একজন বোঝায় পরিনত না হয় সে বিষয়ে সেখানে পরামর্শ দিচ্ছেলেন। তিনি বলছেন, আপনারা হয়তো ১৩ অথবা ১৭ বছর বয়সের মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু রান্না থেকে শুরু করে ঘর-সংসারের অনেক কাজ তারা জানে না। যখন তাদের খেলাধুলার কথা তখন তাদের সময় দিতে হয় স্বামীর সেবায়। কিন্তু তারা তো এসবের জন্য প্রস্তুত নয়। অসেন ক্ষেত্রে এসব কারণে বিচ্ছেদ হয়ে থাকে।
 
জাতিসংঘের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সিরিয়ায় যুদ্ধের কারণে দেশছাড়া শরণার্থী মেয়ে-শিশুদের জোর করে বিয়ে দেবার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। ইউনিসেফ বলছে, জর্ডানে অবস্থিত শরণার্থী কেন্দ্রে যেসব নারীদের বিয়ের ঘটনা ঘটছে তার এক-তৃতীয়াংশই ১৮ বছরের কম বয়সী। অনেক পরিবারই সেখানে কন্যা-শিশুদের নিরাপত্তার কারণে অল্পবয়সে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। তবে জাতিসংঘ বলছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সিরিয়ায় বাল্যবিবাহ দেয়া হচ্ছে দারিদ্র্যের কারণে। 
জর্ডানের শরণার্থী ক্যাম্পে এক শিশুর জন্ম। তার কিশোরী মা আমলার বিয়ে হয়েছে মাত্র ১৬ বছর বয়সে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুধু তাকে গৃহহীনই করেনি। ছিনিয়ে নিয়েছে তার শৈশবও। একজন ধাত্রী আমলাকে মাতৃত্ব বিষয়ে কিছু ধারণা দিচ্ছিলেন। আমলা বলছেন, এই সময় হয়তো তার স্কুলে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার বাবা মা তার বিয়ে দিয়ে দেয়। এক বছর আগে। চিকিৎসা কেন্দ্রের বাইরে বালি দিয়ে তৈরি বেঞ্চে বসে আছেন অনেক মহিলা। তার মধ্যে ১৬ বছরের এক শিশু বসে আছেন তার সন্তান নিয়ে। ১৫ বছর বয়সে তার বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর এখন সে এক কন্যা সন্তানের মা। কিন্তু সন্তানকে হারানোর আশংঙ্কায় দিন কাটছে তার। সে বলছে, যা ঘটছে তা আসলে ঠিক নয়। একটি শিশুর পক্ষে আর একটি শিশুকে বড় করে তোলা কি করে সম্ভব? এখানকার অনেক পরিবারই আর্থিক সংঙ্কটের মধ্যে আছে। আমি ডির্ভোস চাওয়ায় আমার স্বামী আমার মেয়েকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু আমি আমার মেয়েকে হারাতে চাই না।
সিরিয়ার যুদ্ধের কারণে ঘর ছাড়া লোকদের আশ্রয় এই শরণার্থী কেন্দ্রটি। সিরিয়ার লোকজনের মাঝে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেয়া সংস্কৃতি আগে থেকেই রয়েছে। আর এর সাথে এখন অনেকেই বলছেন, গৃহযুদ্ধের কারণে তারা মেয়েদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই বাধ্য হচ্ছেন বিয়ে দিতে। ক্যাম্পের বাইরে অনেক মেয়েকেই একরকম বিক্রি করে দেয়া হয়। এখানে আশ্রয় নেয়া লোকজন বলছেন, দরিদ্র পরিবার তাদের অল্প বয়সি মেয়েদের বয়স্কদের কাছে বিয়ে দিলে তাদেরকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হয়। যার কারণে এখানে কন্যা শিশুদের নিয়ে একরকম কেনাবেচা চলছে। আর এইসব পুরুষদের টার্গেট অল্প বয়সি মেয়েরা। 
মালিহার (ছদ্দনাম) বয়স ১৪ বছর। তার একটি পুত্র সন্তান আছে। ১৩ বছর বয়সের সময় তাকে ৫০ বছর বয়সের এক ব্যাক্তির সঙ্গে বিয়ে দেয় তার মা। এরপর যখন সে গর্ভবতী হয় লোকটি তাকে ফেলে চলে যায়। শিশু পুত্রটি নিয়ে তার এখন অনিশ্চিত ভবিষৎ। সে বলেন, একটি মেয়ের জন্য নিসন্দেহে তার খুশির দিন হচ্ছে তার বিয়ের দিন। কিন্তু আমার জীবনে সব চেয়ে কষ্টের দিন ছিল সেটি। সবাই সে দিন বলছিল, একটু হাসো। কিন্তু আমার মধ্যে সব সময় একটি ভিতি কাজ করছিল। আর এই ভয়টা শুরু হয়েছিল আমাদের বাগদানের দিন থেকে। বাবা না থাকায় তাদের পরিবারের সাতজনের থাকা- খাওয়ার দায়িত্ব নিতে হয়েছে তার বিধবা মাকে। তার মা বলেন, অভাবের কারনে বাধ্য হয়েছি আট হাজার পাউন্ডের বিনিময়ে মেয়েকে ৫০ বছরের এক ব্যাক্তির সঙ্গে বিয়ে দিতে। অন্য কোন উপায় ছিল না। তবে এভাবে আর কোন শিশুকে বলি দিতে চাইনা। এরকমই অবস্থায় ক্যাম্পের ভেতরে দেখা গেল এক শিশু কন্যার বিয়ের আয়োজন চলছে। সংঘাতের কারণে এসব বিয়েতে আয়োজন নামমাত্র। বিয়ের কনেকে দেখে মনে হচ্ছে, সে যেন খেলতে খেলতে নববধূর সাজে সেজেছে। কারণ তার যা বয়স তাতে বিয়ে ব্যাপারটার মানে তার কাছে হয়তো কোন খেলা ছাড়া কিছুই নয়।

শনিবার, জুলাই ২৬, ২০১৪

ফিলিস্তিনি শিশুদের গোশত হালাল!

22736drv {focus_keyword} ফিলিস্তিনি শিশুদের গোশত হালাল! 22736drv e1406363089360গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত ১৮ দিনে আট শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে যাদের মধ্যে বহু শিশুও রয়েছে। কিন্তু মানবতা বিরোধী এই মর্মান্তিক শিশু হত্যার ঘটনাকে নিয়ে নিষ্ঠুর রসিকতা করেছেন প্যারিসের ডেপুটি মেয়র জ্যাক রেনোঁ। ফিলিস্তিনি শিশু শহীদ হওয়ার ঘটনাকে সমর্থন করে তিনি বলেছেন,‘ওদের গোশত হালাল।’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে ওই মন্তব্য করেছেন উগ্র ফরাসি ডানপন্থী দলের এই নেতা। ইহুদিবাদী নরপিশাচদের পক্ষে ওই জঘন্য ও চরম সাম্প্রদায়িক উক্তি করে ৬৬ বছর বয়স্ক রেনোঁ আরো বলেছেন, ‘আমরা ইসরাইলে হামলার শিকার ফরাসি ইহুদিদের সমর্থন দেব।’
তার এইসব মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুসলমানরা। প্রায় ২৫ হাজার মুসলমান প্যারিসে বিক্ষোভ মিছিল করে এই হঠকারিতার নিন্দা জানান। অবশ্য ব্যাপক নিন্দা ও প্রতিবাদের মুখে রেনোঁ দাবি করেছেন যে, টুইটারের ওই একাউন্টটি তার নয়, অন্য কেউ তার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করেছে!
উল্লেখ্য, ফরাসি সরকার সে দেশে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে ও ইসরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল এবং সমাবেশ করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করছে। কিন্তু সরকারি এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গত বেশ কয়েক দিন ধরে ফরাসি নাগরিকরা ফিলিস্তিনে ইসরাইলি গণহত্যার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে আসছেন। পুলিশ এইসব বিক্ষোভ দমনের জন্য ব্যাপক মাত্রায় কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করছে।

গণমাধ্যমে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ক্লিনটের নতুন প্রেমিকা

সম্প্রতি গণমাধ্যমে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ক্লিনটের নতুন আরও এক প্রেমিকার খবর। দীর্ঘদেহী, ব্লন্ড চুলের সে নারী, যার সঙ্গে দীর্ঘ তেরো বছর সম্পর্ক ছিল বলে উল্লেখ করেছেন The first Family Details: Secret Service Agents Reveal the Hidden Life Of President বইটির লেখক রোনাল্ড কেসলার।
নতুন করে আলোর নিচে চলে আসা ভদ্রমহিলার নাম জুলিয়া ম্যাকমাহন, বর্তমানে তিনি তিন সন্তানের জননী। রোনাল্ড কেসলার উল্লেখ করেছেন, হিলারী ক্লিনটন যে সময়গুলোয় বাড়িতে থাকতেন না, কেবলমাত্র তখনই জুলিয়ার আগমন ঘটতো। এবং এ ব্যাপারে উভয় পক্ষই বেশ সাবধানতা অবলম্বন করতেন।


clinton's lover {focus_keyword} ক্লিনটনের আরও এক প্রেমিকা! clintons lover

রোনাল্ড কেসলার বয়সকালে একজন সিক্রেট সার্ভিসম্যান ছিলেন। সিক্রেট সার্ভিসম্যানরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিদের আবাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেন। কেসলার বলেছেন, কর্মসময়ে জুলিয়ার সত্যিকার পরিচয় জানতেন না তারা। জুলিয়ার কাছে যাওয়া নিষেধ ছিল, তাকে আটকানো নিষেধ ছিল তো বটেই। সে বইয়ে আরও উল্লেখ আছে, বাইরের কেউ ক্লিনটন বা হিলারির সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাকে বিশেষ  সাংকেতিক নাম বলতে হতো। যিনি সাংকেতিক নামটি জানেন না, তিনি দেখা করার অনুমতি পেতেন না।
ক্লিনটনের সাংকেতিক নাম ছিল ‘ঈগল’, আর হিলারির ‘এভারগ্রীন’ বা চিরসবুজ।
মনিকা লিউনস্কির পর জুলিয়া ম্যাকমাহনের আগমনে ক্লিনটনকে নতুন করে কতটা বিব্রত হতে হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

রবিবার, জুলাই ২০, ২০১৪

প্রাথমিক স্কুল থেকে যুবতীর নগ্ন দেহ!

উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী সরকারের রাজত্বে প্রাথমিক স্কুলগুলি অপরাধের প্রধান আস্তানা হয়ে উঠছে৷ গ্রাম প্রধান যেখানে বসেন সেখানে থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে মোহনলালাগঞ্জ এলাকার বলসিংখেড়া গ্রামের প্রাথমিক স্কুল থেকে বৃহস্পতিবার উদ্ধার হল এক যুবতীর নগ্ন দেহ৷
মনে করা হচ্ছে যুবতীকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে৷ স্কুলের বারান্দায় রক্ত ছড়িয়ে পড়েছিল৷ যুবতীর জামা ও চটি এলাকা থেকেই উদ্ধার করা হয় কিন্তু মৃতদেহের সনাক্তকরণ করা যায়নি৷
মোহললাল গঞ্জ এলাকার সিও রাজেশ যাদব জানিয়েছেন, বলসিংখেড়া গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের চত্বরে স্থানীয় বাসিন্দারাই যুবতীর মৃতদেহ দেখতে পান৷
স্কুলের নিরাপত্তারক্ষী জহরলাল পুলিশে খবর দেয়৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ তদন্ত শুরু করে, তখনই যুবতীর জামা স্কুল চত্বর থেকেই উদ্ধার করা হয়৷ যদিও স্কুলের বাইরে থেকে যুবতীর চটি উদ্ধার করা হয়৷
স্কুলের বারান্দার প্রচুর রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে৷ যুবতীর যৌন অঙ্গেও গভীর ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া যায়৷ জিজ্ঞাসাবাদ করলেও যুবতীর সনাক্তকরন করা যায়নি৷ তদন্তের পর পুলিশ যুবতীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়৷
গ্রামবাসীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, যুবতীকে অপহরণ করে স্কুলে নিয়ে আসা হয়েছিল৷ এরপর তাকে ধর্ষণ করা হয় ও শ্বাসরোধ করে তার হত্যা করা হয়৷ পুলিশ জানিয়েছেন, ডাক্তারদের প্যানেলের মাধ্যমে যুবতীদের দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে৷ রিপোর্টের মাধ্যমেই তার মৃত্যুর সঠিক জানা সম্ভব৷
পুলিশ যুবতীর দেহ সনাক্ত করার চেষ্টা করছে৷ মৃতদেহ উদ্ধারের খবর রাজধানীসহ আসপাশের বিভিন্ন জেলার পুলিশ থানায় জানানো হয়েছে৷ পুলিশ জানিয়েছেন, যুবতীকে সনাক্ত না করা গেলে তদন্তে এগোনো সম্ভব হবে না৷

ইসরায়েলের উন্মত্ততা: গাজায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩৪২

আহত শিশুর আর্তনাদ, সন্তানহারা মায়ের বুকফাটা কান্না কিংবা বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড়—কোনোটিতেই ভ্রূক্ষেপ করছে না ইসরায়েল। গাজার কট্টরপন্থী গোষ্ঠী হামাসকে দমন করার নামে নির্বিচার হামলায় ফিলিস্তিনিদের নিধনযজ্ঞ অব্যাহত রেখেছে দেশটি। গতকাল শনিবার গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েল তার স্থল ও বিমান হামলা আরও তীব্র করে। গতকালসহ নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩৪২ জনে উঠেছে, যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশই শিশু।
ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় গতকাল ওই অঞ্চল সফরে গেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন। অন্যদিকে ইসরায়েলের চলমান ‘উন্মত্ততা’ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধান মধ্যস্থতাকারী সায়েব এরেকাত। খবর এএফপি, বিবিসি, রয়টার্স ও সিএনএনের। 
৮ জুলাই থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলের অভিযান ‘অপারেশন প্রোটেকটিভ এজ’ দ্বাদশ দিনে পড়েছে গতকাল। ১০ দিন বিমান হামলার পরও হামাসের রকেট ছোড়া বন্ধ করতে না পারায় বলদর্পী ইসরায়েল বৃহস্পতিবার থেকে স্থল অভিযান শুরু করে।
গতকাল গাজার বিভিন্ন জনপদে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর লক্ষ্য করে বিমান থেকে ব্যাপক বোমা ফেলে ইসরায়েলি বাহিনী। এ ছাড়া ছোড়ে ট্যাংকের গোলা। এ অভিযানে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিহত হয় আরও ৪৮ জন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গতকাল দুপুরের পর ইসরায়েলি বিমান থেকে ছোড়া বোমায় নয়জন নিহত হন। এর আগে সকালে দক্ষিণ গাজার খান ইউনুস শহরে বিমান হামলায় নিহত হন সাতজন। অন্যদিকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে অনমনীয় হামাসের রকেট হামলাও অব্যাহত ছিল। তবে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থার অধিকারী দেশটিতে তা তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। 
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সুড়ঙ্গ দিয়ে সে দেশের মাটিতে ঢুকে পড়া এক ফিলিস্তিনি জঙ্গিকে হত্যার দাবি করেছে গতকাল। সেনাবাহিনী বলেছে, মেশিনগান নিয়ে ইসরায়েলি জনপদে হামলা চালানোর জন্য ঢুকে পড়েছিল একদল জঙ্গি। গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়। অন্যদিকে ইসরায়েলের দুজন সেনা প্রাণ হারায়। 
মৃত্যু উপত্যকা: দুই দিকে ইসরায়েল আর একদিকে সাগরঘেরা ফিলিস্তিনশাসিত গাজা উপত্যকা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এক আতঙ্কের জনপদ। ইসরায়েলের মুহুর্মুহু হামলায় গুঁড়িয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর। মৃত্যুমুখে ঢলে পড়ছে এমনকি ঘরের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা নারী-পুরুষ-বৃদ্ধ-শিশুনির্বিশেষে যে কেউ। উগ্রপন্থী হামাসকে শায়েস্তা করাই ইসরায়েলের ঘোষিত লক্ষ্য হলেও হতাহতদের মধ্যে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের সংখ্যা নগণ্য। অতীতের অনেক ঘটনার মতোই হামাসের রকেট হামলার জবাবে বহুগুণ শক্তিশালী ইসরায়েল প্রত্যাঘাত করছে জঙ্গিবিমান আর কামান বা ট্যাংক দিয়ে। গাজায় পদাতিক সেনা পাঠানোরও চিন্তাভাবনা আছে ইসরায়েলের। তবে বেসামরিক প্রাণহানি অনেক বেড়ে যাওয়া ও ইসরায়েলের সেনাদের দিকেও হতাহতের আশঙ্কা থাকায় দেশটির ভেতরেই এ নিয়ে বিরোধিতা আছে।
‘উন্মত্ততা’ বন্ধের দাবি: ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনের প্রধান মধ্যস্থতাকারী সায়েব এরেকাত গতকাল সকালে সিএনএনকে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টার হামলায় ৬৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময়ে ধ্বংস করা হয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামো। ক্ষতিগ্রস্ত বা একেবারে বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েক হাজার বাড়িঘর। এ উন্মত্ততা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
ফিলিস্তিনের জরুরি সেবা বিভাগের মুখপাত্র আশরাফ আল-কাদরা বলেন, হামলায় গতকাল যাঁরা প্রাণ হারান তাঁদের মধ্যে আছেন গাজার উত্তরে বেইত হানুন শহরের জুবেইদা পরিবারের এক সদস্যও। ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়ে গত কয়েক দিনে পরিবারটির আরও চার সদস্য প্রাণ হারান। এর মধ্যে রয়েছে ছয় ও দুই বছর বয়সী দুটি শিশু। চিকিৎসা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, গতকাল সকালে বেইত হানুনে ইসরায়েলি হামলার শিকার হয় আবু জুরাদ পরিবারের চার শিশু। ট্যাংকের গোলায় প্রাণ হারায় তারা। এ নিয়ে এই পরিবারের আট সদস্য নিহত হলেন। এর আগেও ইসরায়েলের গোলায় গাজার একটি পরিবারের চার শিশু মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ইসরায়েলের সাম্প্রতিকতম অভিযান শুরুর পর গাজায় এখন পর্যন্ত নিভে গেছে ৭২টি শিশুর প্রাণ।
বিবিসি জানায়, অভিযান শুরুর পর সহিংসতায় ইসরায়েলের পক্ষে নিহত হয়েছেন এক সেনা ও এক বেসামরিক লোক। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। 
গাজার শাসন পরিচালনাকারী ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি বলেছেন, ‘নেতানিয়াহু আমাদের শিশুদের হত্যা করছে, এর মূল্য তাঁকে পরিশোধ করতে হবে।’©
নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্থল আক্রমণের আওতা ‘উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়ানোর’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, স্থল অভিযান জোরদারে সেনাবাহিনীকে প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিমান হামলার পাশাপাশি স্থল অভিযানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, হামাসের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিতে স্থল অভিযানের প্রয়োজন আছে। শুধু বিমান হামলা চালিয়ে সেনারা এ কাজ করতে পারেনি। 
প্রায়ই ইসরায়েলের ঘেরাও ও নিরাপত্তা কড়াকড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়া গাজা থেকে মিসর ও ইসরায়েলে যাওয়ার জন্য বেশ কিছু সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক আছে। জঙ্গিরা যেমন অস্ত্র পাচারের জন্য এগুলো ব্যবহার করে তেমনি বিভিন্ন বৈধ ও ইসরায়েল ঘোষিত অবৈধ পণ্য আমদানির সুযোগ করে দিয়ে তা স্থানীয় নির্জীব অর্থনীতিতে অবদান রাখে। 
হতাহত কমানোর আহ্বান ওবামার: ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, ইসরায়েলিদের আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি তাঁর সমর্থন রয়েছে। কোনো দেশ তার ভূখণ্ডে একের পর এক রকেট এসে পড়া সহ্য করতে পারে না। তবে গাজায় বেসামরিক লোকজনের প্রাণহানির ঘটনায় তিনি উদ্বিগ্ন। প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন, সহিংসতা বৃদ্ধি ও নিরীহ মানুষের আরও প্রাণহানির ঝুঁকিতে ওয়াশিংটন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ইসরায়েল বেসামরিক লোকজনের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যবস্থা নেবে বলে ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা।
ওবামার এ আহ্বানের জবাবে ইসরায়েলি সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল বেন্নি গ্যান্টজ বলেছেন, সেনাবাহিনী স্থল অভিযান আরও জোরদার করছে। চরম মুহূর্ত সামনে আসছে। 
জাতিসংঘ কর্মকর্তারা বলেছেন, স্থল অভিযান থেকে বাঁচতে এরই মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।
পাশ্চাত্যের অন্যান্য তৎপরতা: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, ক্রমাবনতিশীল গাজা পরিস্থিতি নিয়ে ফোনালাপ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এ প্রসঙ্গে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট বলেছে, রকেট হামলা থেকে আত্মরক্ষায় সংগতিপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার ইসরায়েলের অধিকারের প্রতি আলাপে দুই নেতা তাঁদের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লঁরা ফ্যাবিয়াস গতকাল গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। এ সময় তিনি মিসরের নেওয়া শান্তি উদ্যোগের প্রতি আবারও তাঁর দেশের সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেন। 
অভিযানের প্রেক্ষাপট: ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের সর্বশেষ এই হামলার শুরু সম্প্রতি ইসরায়েলি তিন কিশোরকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ইসরায়েল এ জন্য হামাসকে দায়ী করলেও তারা তা অস্বীকার করেছে। পরে ফিলিস্তিনি এক কিশোর একইভাবে দৃশ্যত প্রতিশোধমূলক অপহরণ ও হত্যার শিকার হওয়ার পর উত্তেজনা নতুন মোড় নেয়। গাজা থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামাসের রকেট ছোড়া বন্ধের অজুহাতে ইসরায়েল নতুন করে এই অভিযান শুরু করে। 
এর আগে ২০১২ সালের নভেম্বরেও হামাসশাসিত গাজায় বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছিল ইসরায়েল। পরে আট দিনের মাথায় মিসরের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়। ফিলিস্তিনি শাসিত অপর অঞ্চল পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী হিসেবে পরিচিত ফাতাহ গোষ্ঠীর হাতে। তবে গত এপ্রিল মাসে দুই সংগঠনের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করে এ বছরের মধ্যে যৌথভাবে নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে মতৈক্য হয়েছে।

শনিবার, জুলাই ১৯, ২০১৪

শালীকে খুঁজতে পতিতালয়ে জামাইবাবু!

এক নিখোঁজ যুবতীর খোঁজে পতিতালয়ে চিরুনি তল্লাশি চালাল পুলিশ৷ শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের ইংরেজবাজার থানার পতিতাপল্লীতে। পুলিশ সূত্রে খবর, চলতি মাসের ১০ তারিখ কোচবিহার জেলার কোতোয়ালী থানার ঘুঘুমারি ব্লকের দুধেরখুটি গ্রামের এক ২৩ বছরের যুবতী নিখোঁজ হয়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে সেলাইয়ের কাজ করত ওই যুবতী৷ সেখান থেকে আর বাড়ি ফিরে আসেনি ওই যুবতী৷ এরপর হঠাৎ ১৪ই জুলাই ওই যুবতী বাড়িতে ফোন করে জানায় সে মালদহের এক পতিতাপল্লীতে রয়েছে। তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যেতে।
এরপর মেয়েটির জামাইবাবু খদ্দের সেজে গতকাল ওই পতিতালয়ে যায় এবং তাঁর সাথে কথা বলে। কথা বলার পরপরই সেখান থেকে বেরিয়ে থানায় গিয়ে পুলিশকে সব কথা জানায় ওই ব্যক্তি৷ এরপর পুলিশ শনিবার তল্লাশি চালায় পতিতাপল্লীতে। শনিবার তাঁকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পতিতাপল্লির অন্যান্য বাসিন্দারাই পুলিশের হাতে ওই মহিলাকে তুলে দেন বলে পুলিশ সূত্রের খবর।

নিজের যৌনাঙ্গ কর্তন ও নিজেকে ‘ঈশ্বর’ দাবি

র‌্যাপ সংগীতজ্ঞ আন্দ্রে জনসন ভয়াবহ এক কাণ্ড ঘটিয়ে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছেন। বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হচ্ছে, আত্মহত্যার চেষ্টার সময় তিনি নিজের গোপনাঙ্গ নিজ হাতে কর্তন করেছেন। এরপর লস অ্যাঞ্জেলেসের যে ভবনে তিনি থাকেন, সেখান থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েছেন। তবে বেঁচে গেছেন। এখানেই শেষ নয়। তিনি নিজেকে ঈশ্বর দাবি করে ইন্টারনেটে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। অবশ্য, ওই র‌্যাপার বলছিলেন, তিনি আত্মহত্যা করতে চাননি। শুধু বিশেষ অঙ্গটিই কেটে ফেলতে চেয়েছিলেন। তার মনে হচ্ছিল, এটাই সব সমস্যার মূল ছিল। আন্দ্রে জনসনের বদ্ধমূল ধারণা, যৌনতা শুধুই মরণশীলদের জন্য। তার দাবি তিনি ‘ঈশ্বর’। এ খবর দিয়েছে অনলাইন মিড-ডে। সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটগুলোতে সবচেয়ে ঝড় তুলেছে এ খবর। জনসন অবশ্য স্বীকার করেছেন, এ ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন। তবে তিনি যা করছিলেন, তা সম্পূর্ণ সচেতনভাবেই করেছেন বলে মন্তব্য করেন। স্টেজে সাধারণ তিনি ক্রাইস্ট বেয়ারার নামে পারফর্ম করেন এবং তার ব্যান্ড নর্থস্টার উ-ট্যাং ক্ল্যানের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। তিনি বলছিলেন, তিনি যে নিজেকে ঈশ্বর মনে করেন সে সম্পর্কে আগে কোন কথা বলেননি, কারণ মানুষ তাকে পাগল বা উন্মাদ মনে করতো। কিন্তু, এখন নিজেকে তিনি জীবিত ও প্রাণবন্ত অনুভব করছেন। সেখানে যৌনাঙ্গ থাকা বা না থাকাটা কোন বিষয়ই নয়। সবচেয়ে বড় কথা হলো, তিনি চিন্তার এমন একটি স্তরে বাস করছেন, যেখানে বিশ্বাসের ভিত্তিটা একটু বেশিই বেশ দৃঢ়।

গাজা পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন ওবামা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করেছেন। তবে গাজায় হামলা তীব্রতর করার বিপক্ষে নিজের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছেন তিনি। গাজায় ৩ শতাধিক বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় তিনি ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেন। এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সহিংসতা নিরসনের লক্ষ্যে আজ ওই অঞ্চল সফর করবেন। সফরে তিনি ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সমঝোতার চেষ্টা করবেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। গতকাল ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেন ওবামা। এ সময় তিনি ফিলিস্তিনের হামাস যোদ্ধাগোষ্ঠীর হামলা থেকে ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করেন। একই সঙ্গে গাজা পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন তিনি। ইসরাইলের সমর্থনে ওবামা বলেন, কোন রাষ্ট্রের সীমান্তের অভ্যন্তরে রকেট নিক্ষেপের বিষয়টি মেনে নেয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, আমাদের মিত্র ও সহযোগী রাষ্ট্রসমূহ ইসরাইলের হামলা আরও তীব্রতর হওয়ার ঝুঁকি এবং আরও বেশি নিরীহ মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ওদিকে বান কি মুনের সফরের উদ্দেশ্য হবে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান ‘সহিংসতার অবসান ঘটানো ও সমাধানের পথ বের করা’। জাতিসংঘ মহাসচিবের মধ্যস্থতায় বরফ গলবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এদিকে ১০ দিনের বিমান হামলার পর গত বৃহস্পতিবার স্থল অভিযানে নামে ইসরাইল। এতে এখন পর্যন্ত ৬৫ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। জাতিসংঘ বলছে, ইসরাইলের স্থল অভিযান থেকে প্রাণ বাঁচাতে ৪০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন।

পাকিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ৮ নিহত

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলে মার্কিন ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ৮ সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। পাকিস্তানের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এ তথ্য দিয়েছেন। তারা বলছেন, উত্তর ওয়াজিরিস্তানের দাত্তা খেল এলাকায় এ ড্রোন হামলা পরিচালিত হয়। এ এলাকাতেই পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী গত ১৫ই জুন থেকে বড় ধরনের অভিযান চালাচ্ছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া। এ সপ্তাহে ওই অঞ্চলে দ্বিতীয়বারের মতো ড্রোন অভিযান চালানো হলো। উত্তর ওয়াজিরিস্তান জঙ্গিদের অভয়ারণ্য হিসেবে বিবেচিত। আফগান সীমান্তের কাছে মার্কিন ও ন্যাটো সেনাদের ওপর যে হামলাগুলো চালানো হয়, তার পরিকল্পনা এসব এলাকাতেই হয় বলে গোয়েন্দা সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদের সম্পর্কে টানাপড়েনের অন্যতম কারণ মার্কিন ড্রোন অভিযান। মার্কিন ড্রোন হামলা পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে বরাবর তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে পাকিস্তান। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানের ভূখণ্ডে পরিচালিত হচ্ছে একের পর এক ড্রোন হামলা। আর তাতে জঙ্গি সদস্য ছাড়াও প্রাণ হারাচ্ছেন বেসামরিক ও নিরপরাধ মানুষ।

শুক্রবার, জুলাই ১৮, ২০১৪

পৃথিবীর শেষ প্রান্তে রহস্যময় বিশাল গর্ত!

পৃথিবীর প্রান্তে রহস্যময় গর্তবিশাল এক রহস্য তৈরি করেছে ‘পৃথিবীর শেষ প্রান্ত’ হিসেবে পরিচিত রাশিয়ার ইয়ামাল পেনানসুলায় রহস্যময় একটি গর্ত। সপ্তাহ খানেক আগে তৈরি বিশাল এই গর্ত কীভাবে হলো, তা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। এক সপ্তাহ পরও এর সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা।
অদ্ভুত এই গর্তটি তৈরির কারণ কী হতে পারে? গর্ত তৈরির কারণ হিসেবে এখন পর্যন্ত অনেক তত্ত্বই শোনা যাচ্ছে। কেউ বলছেন, গ্রহাণুর আঘাতে এটা ঘটেছে, কেউ বলছেন আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট (ইউএফও) এর কারণ হতে পারে।
গর্তটির গভীরতা কত, তা এখনো পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি। তবে গর্তমুখের পরিমাপ ১০০ মিটারের কাছাকাছি হতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এই গর্তটির তৈরি হওয়া নিয়ে যে রহস্য তৈরি হয়েছে, তা সমাধান করতে ইতিমধ্যে কাজে নেমে পড়েছেন বিজ্ঞানীরা। সিডনি থেকে বিজ্ঞানীদের একটি দল বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে বুধবার রাশিয়ায় পৌঁছেছেন। তাঁরা এই রহস্যের কিনারা করতে পারবেন কি না, তা সময়ই বলে দেবে।তবে এই রহস্যময় গর্ত তৈরি হওয়ার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ভূগর্ভস্থ পানি, লবণ ও গ্যাসের মিশ্রণের ফলে কোনো এক বিস্ফোরণের ফলে তৈরি হতে পারে এই গর্ত। অবশ্য গ্রহাণু বা উল্কার আঘাতে এই গর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছেন অনেকে।
হঠাৎ করে সাইবেরিয়ায় তৈরি বিশাল এই গর্তের ভেতরটা ঘন কালো। সম্প্রতি এই গর্তটির একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, এই রহস্যময় গর্ত এবং তার চারপাশ ঘিরে থাকা গাছপালা। এলাকাটি বেশ দুর্গম। গর্তটির আশেপাশের মাটিও বেশ বিপজ্জনক এবং অস্থিতিশীল বলে মনে হয়। এই এলাকার কাছেই একটি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। অনেকেই ধারণা করছেন, মাটির নিচে গ্যাস, পানি ও লবণের মিশ্রণে কোনো বিস্ফোরণ ঘটার কারণে তৈরি হয়েছে এই গর্ত।
অবশ্য ‘সিডনি মর্নিং হেরাল্ড’-এ এই রহস্যময় গর্ত নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে তাতে ‘পিঙ্গো’ নামের একটি বিশেষ তত্ত্বের কথা বলা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের পোলার সায়েন্টিস্ট ডক্টর ক্রিস ফগউইলের মতে, এই গর্ত তৈরি হয়েছে পিঙ্গোর কারণে। পিঙ্গো হলো মেরু এবং এর কাছাকাছি অঞ্চলে পাওয়া এক ধরনের বরফের স্তূপ যা মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকে। পিঙ্গোর আকৃতি বেশি বড় হলে এটা যদি গলে গিয়ে থাকে, তবে এই বিশাল গর্ত সৃষ্টি হওয়া সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ববিদ ডেভিড উইলশের মতে, এটি রহস্যজনক একটি ঘটনা। মাটি নিচের দিকে ধসে গিয়ে তৈরি হওয়া এটা কোনো সাধারণ সিঙ্ক হোল নয়, আবার কোনো উল্কাপাতের ফলেও তৈরি নয়। উল্কার আঘাতে এত বড় গর্ত তৈরি হওয়ার ঘটনা ঘটলে তার প্রভাব হতো ভিন্ন। এ ছাড়া এত গভীর গর্ত হওয়ার প্রশ্নই উঠত না। গর্তের কিনার ঘিরে যে জঞ্জাল দেখা যাচ্ছে তাতে মনে হয় মাটির নিচ থেকে কোনো ধরনের বিস্ফোরণে এটা তৈরি হয়েছে। অবশ্য এই অঞ্চলটি ভূকম্পনপ্রবণ এলাকা নয়। এটা পকেট আকারে সঞ্চিত প্রাকৃতিক গ্যাসের বিস্ফোরণে তৈরি হতে পারে।
বর্তমানে এই রহস্যময় গর্তের রহস্য উদ্ধারে ইয়ামাল কর্তৃপক্ষ, রাশিয়ার সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব দ্য আর্কটিক ও ক্রায়োস্ফিয়ার ইনস্টিটিউট অব দ্য অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসের গবেষকেরা কাজ করছেন। মাটি, পানি ও বাতাস থেকে নমুনা বিশ্লেষণ করে এই রহস্য সমাধান করতে চেষ্টা করবেন তাঁরা। রহস্যের জট কি খুলবে শিগগিরই? প্রকৃতির এই রহস্যের সমাধান জানতে আমাদের আপাতত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

আজ ম্যান্ডেলার ৯৬তম জন্মদিন

30-Freedom_Smile-Wদক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী নেলসন ম্যান্ডেলার ৯৬তম জন্মদিন শুক্রবার। মৃত্যুর পর এটাই তার প্রথম জন্মদিন। ম্যান্ডেলা ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর পরলোকগমন করেন। দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিশ্বের অনেক দেশেই তার জন্মদিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন করা হবে নানা আয়োজনে। একই দিনে আন্তর্জাতিক ম্যান্ডেলা দিবসও (নেলসন ম্যান্ডেলা ইন্টারন্যাশনাল ডে) উদ্যাপন করা হবে। ম্যান্ডেলার সম্মানে ২০০৯ সালে তার জন্মদিনটিকে ম্যান্ডেলা দিবস ঘোষণা করে জাতিসংঘ। ১৯১৮ সালে ম্যান্ডেলার জন্ম। তার বাবা নাম রেখেছিলেন রোলিহ্লাহলা ডালিভুঙ্গা মানডেলা। স্কুলের এক শিক্ষক তার ইংরেজি নাম রাখেন নেলসন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার আপামর মানুষের কাছে তিনি ছিলেন ‘মাদিবা’। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের এই মহান নেতা বিশ্বকে বেঁধে গেছেন ঐক্যের সুতোয়। শ্বেতাঙ্গদের বৈষম্য থেকে মুক্তি আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করায় দক্ষিণ আফ্রিকানদের কাছে ‘টাটা’ (বাবা) নামে পরিচিত ছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা। 

ধর্ষণে অভিযুক্ত পুলিশের অতিরিক্ত আইজি!

ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্য পুলিশের আইজি পদমর্যাদার এক অফিসারের বিরুদ্ধের ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। শনিবার এক মহিলার এই অভিযোগ দায়ের করেন।

ওই মহিলা জয়পুরের বাসিন্দা। পাশাপাশি তার মেয়ে এবং ভাইঝির আপত্তিকর ছবি তোলারও অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তবে এখনো পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ কর্তারা এই অভিযোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
সুত্রের খবর, ওই মহিলার স্বামী একটি মামলার জেরে ভূপালের জেলে বন্দি। ওই মহিলা মধ্যপ্রদেশ রাজ্য পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (সিআইডি) অনিল কুমার মিশ্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন মহিলা থানাতে।
মহিলার অভিযোগ, তার স্বামীকে জেল থেকে ছাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন ওই রাজ্য পুলিশ কর্তা। এই প্রলোভন দেখিয়ে ভূপালসহ রাজ্যের অন্যান্য জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে ওই পুলিশ অফিসার। তাকে ব্ল্যাকমেল করার জন্য মহিলার মেয়ে এবং ভাইঝির অর্ধনগ্ন ছবিও তোলেন ওই পুলিশ অফিসার।
স্থানীয় থানার পুলিশ জানিয়েছে, মহিলার বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযোগের স্বপক্ষে মহিলা কিছু প্রমাণও পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত আইপিএস অফিসার অনিল মিশ্র এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংবাদমাধ্যমের কাছে। তার দাবি, মহিলার স্বামী একটি প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত। সেই মামলার তদন্তকারী দলের তিনি একজন সদস্য। সেই জন্যই ওই মহিলা তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তুলেছেন।

ব্রিটেনে বছরে ৭২ হাজার পুরুষ ধর্ষিত হন!

প্রতিনিয়ত একের পর এক নারী ধর্ষণের ঘটনা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু পুরুষরা কি একেবারেই বিপদমুক্ত? পুরুষের বিপদ শুনে আপনার ভ্রু কুঁচকে গেল তাই তো? সত্যি সত্যিই, প্রতি বছর কেবল ব্রিটেনে প্রায় ৭২ হাজার পুরুষও ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকেন। অর্থাৎ দেশটিতে শতকরা ১২ ভাগ বা প্রতি দশ জনের একজন বা তারও বেশি সংখ্যক পুরুষ ধর্ষিত হন। সেকারণেই পুরুষ নির্যাতন ঠেকাতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে চলেছে ব্রিটিশ সরকার। সম্প্রতি প্রকাশিত এক সরকারি পরিসংখ্যান এমন তথ্যই জানাচ্ছে। পরিসংখ্যানে বলা হয়, গত বছর ব্রিটেনের ২,১৬৮ জন পুরুষ ধর্ষণ ও বিভিন্ন ধরনের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৩ বছরের শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সের পুরুষই রয়েছেন। পুরুষদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ঠেকাতে ব্রিটিশ সরকার আগামী আর্থিক বছরে পাঁচ লক্ষ ইউরো বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ অর্থ সোশ্যাল কাউন্সেলিং, পরামর্শ ও ধর্ষিত পুরুষদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে বলে জানা যায়। 

দেশে ফেরার চেষ্টা চালিয়েই যাবেন তসলিমা!

বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার যাতে বাংলাদেশকে অনুরোধ করে এ জন্য তিনি সরকারকে অনুরোধ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাই কমিশনে গিয়ে ধরনা দিয়েছেন তার পাসপোর্ট নবায়নের জন্য। কিন্তু বার বারই শূন্য হাতে ফিরেছেন। তসলিমা নাসরিনের ভাষায়, এ বিষয়ে আমার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। কেন তা করা হয়েছে তার পিছনে কোন কারণ দেখানো হয় নি। তবে দূতাবাসের কর্মকর্তারা আমার প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছেন। কিন্তু তারা তো সরকারের নির্দেশনার বিরুদ্ধে যেতে পারেন না। তবু তসলিমা দেশে ফেরার চেষ্টা চালিয়েই যাবেন। অনলাইন বিবিসিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ সব কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, তসলিমা নাসরিনের বয়স এখন ৫২ বছর। তিনি ইসলামের তীব্র সমালোচক। এ জন্য কট্টর মুসলমানদের পক্ষ থেকে হত্যার হুমকি দেয়ার পর তিনি ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন। এর পরপরই তার বাংলাদেশী পাসপোর্ট বাতিল করা হয়। তিনি প্রথমে চলে যান ভারতে। কিন্তু সেখানেও প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মুখে ২০০৮ সালে তিনি সুইডেন চলে যান। তারপর ফিরে আসেন ভারতে। এবারও স্থানীয় মুসলমানরা দেশে তার অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেন। এর পর থেকে তিনি ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে বসবাস করছেন। বাংলাদেশ তার নাগরিকত্ব দেয়া নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করেনি। তবে তসলিমা নাসরিন দেশে ফিরতে নাছোড়বান্দা। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ, বিরোধী জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির খালেদা জিয়া অথবা তত্ত্বাবধায়ক সরকার- যে বা যিনিই ক্ষমতায় থাকুন না কেন তাদের অবস্থানের কোন পার্থক্য নেই। তসলিমা নাসরিনকে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টিতে তারা সবাই একতাবদ্ধ। এ বিষয়ে তসলিমা নাসরিন বলেন, আমার লড়াই চলতেই থাকবে। সহজে আমি হার মানবো না। দিল্লির এপার্টমেন্টে বসে তিনি এ সব কথা বলেন বিবিসি’র সাংবাদিককে। ভারত সরকারের সঙ্গে তার ভিসা নিয়ে দীর্ঘ দিনের লড়াই শেষে এখানেই অবস্থান নিয়েছেন। গত দু’দশক ধরে ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র ও সুইডেনে বসবাস করার পর তিনি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাকে দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবে গ্রহণ করেন। কিন্তু এখানে তিনি অবস্থান করেন স্বল্প সময়ের জন্য। সেখানে তার উপস্থিতির বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়। তিনি ২০০৮ সালে ওই শহর ছাড়তে বাধ্য হন। দিল্লিতে তার এপার্টমেন্টের প্রতিটি দেয়ালে বইয়ের শেলফ। তিনি সেখানে ব্যস্ত জীবন কাটান। পড়াশোনা ও লেখালেখির বাইরে সামাজিক মিডিয়া টুইটারে রয়েছে তার সরব উপস্থিতি। এছাড়া পোষা বিড়াল মিনুকে নিয়ে সময় কাটান। এ সবের বাইরে তিনি মাঝে মাঝেই বাংলাদেশ হাই কমিশনের দরজায় গিয়ে হাজির হন। তসলিমা নাসরিন বলেন, আমার লেখার বিরোধিতা করে বাংলাদেশের কট্টর ইসলামপন্থি ছোট্ট একটি গ্রুপ। কিন্তু সরকার কেন এসব মানুষকে ভয় পায়? তারা আমার মত মেনে নিতে পারে না বলেই কি আমি দেশের বাইরে থাকবো? নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেন নি তসলিমা। তিনি বলেন, আমি আমার ক্ষোভ দিয়ে সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছি। সেই ক্ষোভ ছাড়া আমি কিছুই নই। তাই এর সঙ্গে কোন সমঝোতা নয়। তসলিমা বলেছেন, তিনি ভারতের নতুন সরকারকে বাংলাদেশের কাছে তার বিষয় তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। তার ভাষায়, যদি তারা তা করতে পারেন তাহলে তিনি তাদের কাছে অসীম কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ থাকবেন। বিবিসি লিখেছে, রাশিয়ার ভিন্নমতাবলম্বী লেখক আলেকসান্দর সোলজেনিৎসিন ১৬ বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরেছেন। ফরাসি লেখক এমিল জোলা লন্ডন থেকে ফিরেছেন দেশে। তসলিমা নাসরিনের বেলায় ২০ বছর পেরিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানেন, সরকারিভাবে তিনি এ দেশের নাগরিক নন, যে দেশকে তিনি নিজের দেশ বলছেন। তিনি বুঝতে পারেন এর কারণ কি। তবে সে জন্য তিনি পিছিয়ে যাবেন না। তিনি বলেন, দেখুন এটা শুধু আমার একার সঙ্গে করা হচ্ছে এমন নয়। এটা মুক্তভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়। 
(মানবজমিন)

২৯৫ যাত্রী নিয়ে বিধ্বস্ত হলো মালয়েশিয়ান বিমান

২৯৫ যাত্রী নিয়ে বিধ্বস্ত হলো আরেক মালয়েশিয়ান বিমান। ইউক্রেন রাশিয়া সীমান্তে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ খবর দিয়েছে রাশিয়ার বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স। আমস্টারডাম থেকে কুয়ালালামপুর যাওয়া পথে বোয়িং ৭৭৭ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র একটি দুর্ঘটনার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দেয়া হবে বলে তিনি জানান। দুর্ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স৷ তারা জানিয়েছে, আমস্টারডাম থেকে কুয়ালালামপুরগামী বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল৷
ইউক্রেনের আকাশে থাকাকালীন বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়৷ ঘটনার পিছনে রুশ-পন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দায়ী করেছে ইউক্রেন অভ্যন্তরীণমন্ত্রক৷ তাদের দাবি, রাশিয়া সীমান্তের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে বিমানটি ধ্বংস করা হয়েছে৷ যদিও এই খবরের সত্যতা নিয়ে সংশয় রয়েছে৷

https://www.youtube.com/watch?v=V9pcY6TkvwA ( ভিডিও )

বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৭, ২০১৪

গণধর্ষণের শিকার কুস্তি খেলোয়াড়!

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মীরঠে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক মহিলা কুস্তি খেলোয়াড়। ধর্ষণের পর তার ছবি ফেসবুকে আপলোড করা হয়।
নির্যাতিতা মহিলা খেলোয়াড় অভিযুক্তকে আটকের দাবি জানিয়ে এসএসপি অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন৷ পাশাপাশি পুলিশও তাকে নির্যাতন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জানা গেছে, ভারতের বিজনৌর এলাকার বাসিন্দা এ মহিলা খেলোয়াড় স্কুলে পড়ার সময় থেকেই অভিযুক্ত পুষ্পেন্দ্রকে চিনতেন৷ তিন বছর আগে ভাবনপুর এলাকায় কিলা রোডের কাছে একটি কলোনিতে পুষ্পেন্দ্রের সঙ্গে লিভ ইন রিলেশনে থাকতেন। কিন্তু বিয়ের কথা হলে পুষ্পেন্দ্র তাকে প্রত্যাখ্যান করে৷
অভিযুক্ত পুষ্পেন্দ্র ও তার সহযোগিরা মহিলাকে অপহরণের চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নেননি৷
মঙ্গলবার এসপি দেহাতের কাছে অভিযোগ করে মহিলা জানান, তিনি ভাবনপুর থানায় পুষ্পেন্দ্র, তারা বাবা, ভাই ও বোনের স্বামীর বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা করেছিলেন৷ ফেসবুকে পুষ্পেন্দ্রর অশ্লীল মন্তব্যের প্রতিবেদনও পুলিশকে দেয়া হয়। কিন্তু পুলিশ তার বিরুদ্ধে তদন্ত করেনি৷
গত ২৫ জুন পুষ্পেন্দ্র তার সহযোগিদের সঙ্গে মিলে তাকে অপহরণের চেষ্টা করে৷ ঘটনার কথা পুলিশ কন্ট্রোল রুমে জানালে দুই পুলিশকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়৷
পরে সিভিল লাইন থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি৷