Technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, জুলাই ২৬, ২০১৪

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে মস্তিষ্কের ধারও কমতে থাকে

বয়স বাড়ার সঙ্গে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সম্পর্ক রয়েছে, বহু গবেষণায় এটা আগেই প্রমাণিত হয়েছে। নতুন এক গবেষণায়ও বিষয়টি আবার প্রমাণিত হলো। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে মস্তিষ্কের ধারও কমতে থাকে। কিভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি ঘটে, সেটা ব্যাখ্যা করেছেন গবেষকরা। ‘মলেকিউলার অ্যান্ড সেলুলার প্রোটিওমিকস’ সাময়িকীতে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই। লুক্সেমবার্গ সেন্টার ফর সিস্টেমস বায়োমেডিসিনের অধ্যাপক ডক্টর অ্যান্টোনিও দেল সোল মেসা বলেছেন, একস্ট্রাসেলুলার ম্যাট্রিক্সের ৪টি প্রোটিনের একটি গ্রুপ রয়েছে, যেটা বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। বাকি প্রোটিন গ্রুপগুলো কমবেশি একই রকম থাকে। তিনি বলেন, এ প্রোটিনের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যা সাইন্যাপসসমূহের (নার্ভের একটি কোষ থেকে অন্য কোষে সংকেত পাঠানোর স্থান) স্থিতিশীলতা ও নমনীয়তার মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করে, যা শেখা ও কোন কিছু মনে রাখা অর্থাৎ স্মরণশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমস্টার্ডামের ভিইউ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডক্টর রোনাল্ড ভ্যান কেস্টেরেন বলেন, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে এ প্রোটিনগুলোর গ্রুপের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী নার্ভগুলো আরও অনমনীয় হতে থাকে, যা নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেয়া বা নতুন কিছু শেখার বিষয়টাকে কঠিন করে তোলে ও স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। এদিকে এ গবেষণা আগামীতে অ্যালঝেইমার্স ও পার্কিনসন্সের মতো মারাত্মক ব্যাধির গবেষণায় কাজে আসবে বলে মনে করেন গবেষকরা।

রবিবার, জুলাই ২০, ২০১৪

অনলাইন প্রেমে বলা ৮০% ভাগ মিথ্যা!

মানুষের জীবনে এখন বাস্তবতার যতটা না স্থান, তারচাইতে বেশি স্থান হলো অনলাইনের। অনলাইনে মানুষ পড়াশোনা করছে, বিনোদন খুঁজছে, কাজকর্ম করছে, বন্ধুত্ব তৈরি করছে। অনেক ক্ষেত্রে ভালো হলেও অনলাইনে এমন কিছু ব্যাপার আছে যা অনেকটাই নেতিবাচক। তার একটি হলো অনলাইন ডেটিং। কারও কারও জীবনে অনলাইন ডেটিং ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দিলেও আসলে কিন্তু এর পুরো ব্যাপারটায় ক্ষতিগ্রস্ত হবার অনেক সম্ভাবনা থেকে যায়। জানেন কি কেন? আসুন দেখে নেওয়া যাক অনলাইন ডেটিং এর ৭ টি গোপন তথ্য, যা জানার পর অদৃশ্য এই ডেটিং করার আগে দশবার চিন্তা করবেন আপনি!
১) সবচাইতে সুন্দরী মেয়েটি আসলে সাদামাটা একজন
ফেসবুকে প্রোফাইল পিকচার দেখে ঝট করে মেয়েটির প্রেমে পড়ে গেলেন। আহা, কি সুন্দরী! অথবা কোনো একটি ছেলের ঝকঝকে প্রোফাইল পিকচার দেখেও মুগ্ধ হওয়া নতুন কিছু নয়।
কিন্তু সে কি দেখতে আসলেই সেই ছবির মতো? সে নিজেকে আপনার সামনে যেভাবে উপস্থাপন করতে চাইছে সেটাই আপনি দেখছেন। সে আপনাকে ধোঁকা দিয়ে ফটোশপের কারসাজিতে নিজের চেহারা পরিবর্তন করলেই কি আপনি জানতে পারছেন? এমনকি কম পরিচিত কোনও মডেল বা নায়িকার ছবিও তারা ব্যবহার করতে পারে। এভাবে নিজের ইচ্ছেমত মানুষ নিজের চেহারা পরিবর্তন করতে পারে, আর অন্যকে ধোঁকা দিতে পারে অনলাইন ডেটিং এ।
২) হিরোইক ইমেজের ছেলেটি হতে পারে “গোবেচারা”
অনলাইনে হাতি-ঘোড়া মেরে সাহসী বীরপুরুষ হয়ে যাওয়াটা খুবই সহজ। সেখানে বানিয়ে বানিয়ে অনেক কথা বলে ফেলা যায়। আপনি তো আর তার বাড়িতে গিয়ে দেখতে যাচ্ছেন না সে আসলেই এত সাহসী বা ড্যাশিং কিনা! মেয়েরাও বানিয়ে বানিয়ে বলতে পারে আমি এটা পারি, আমি সেটা পারি। এই সুযোগটা নেয় অনেক মিনমিনে প্রকৃতির মানুষ। তারা নিজেদের আসল চরিত্র আলাদা করে আপনার সামনে নিজেকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করে।
৩) মানুষটির বয়স কত জানবেন কীভাবে?
একজন মানুষের বয়স বুঝতে পারাটা খুব সহজ কিছু নয়। একেবারে চেহারায় ভাঁজ-টাজ পড়ে না গেলে বয়স বোঝা শক্ত। অনলাইনে সেই কাজটা আরও শক্ত। ফেসবুকে অনেকেই বয়স বাড়িয়ে কমিয়ে দিয়ে রাখে। অনেকে নিজের পুরনো ছবি ব্যবহার করে বোঝাতে চায় তার বয়স কম। এই ব্যাপারটা বোঝা অনেক কঠিন হয়ে যায়। একমাত্র বাস্তব জীবনে কাউকে দেখলে তখনই বয়স সম্পর্কে ধারনা করা সম্ভব।
৪) অনলাইন প্রেমে বলা ৮০% ভাগ কথা মিথ্যা!
আপনি পরে আছেন ম্যাড়ম্যাড়ে রঙের একটা পুরনো গেঞ্জি। আপনার অনলাইন প্রেমিক/প্রেমিকা প্রশ্ন করলো “তুমি কি পরে আছ?” তখন কি আপনি সত্যি কথাটা বলবেন? অনেকেই সত্যি কথাটা বলেন না, অনেক সময়ে সত্যি-মিথ্যা মিশিয়ে একটা কিছু বলে দেন। পোশাকের কথাটা তো নির্দোষ একটি উদাহরণ। ভেবে দেখুন আরও কতো মারাত্মক মিথ্যে কথা বলার সুযোগ রয়েছে এই সম্পর্কে।
৫) তারাই অনলাইনে সর্বাধিক প্রেম করে যারা আসল জীবনে বিবাহিত বা এনগেজড
একটা মানুষ বাস্তব জীবনে প্রেম না করে কেন অনলাইনে একটা অসম্পূর্ণ সম্পর্কের মাঝে জড়াতে চাইবে? ভেবে দেখুন, আপনাকে হুট করে যে মানুষটা অনলাইন ডেটিং এর প্রস্তাব দিচ্ছে তার উদ্দেশ্যটা কি? সে হয়তো তার বর্তমান সম্পর্ক অথবা বিবাহিত জীবন নিয়ে সুখি নন। এ কারণে একটু অন্যরকম সম্পর্কের স্বাদ পেতেই হয়তো তারা অনলাইনে ডেটিং করতে আসছেন। এমন সম্পর্কে কি আপনার জড়ানো উচিত? ভেবে দেখুন।
৬) অনলাইনে যারা প্রেম করে তাঁদের ৭০ ভাগের আসল জীবন নিরামিষ
হ্যাঁ, আরও একটা কারণ থাকতে পারে অনলাইনে প্রেম করার পেছনে। অনেকেরই বাস্তব জীবনে প্রেম না করার বিভিন্ন কারণ বা যুক্তি থাকতে পারে। কিন্তু সেসব বাদ দিলে অন্যান্য সব মানুষের অনলাইন ডেটিং এর পেছনে একটা সাধারণ কারণ হলো, তারা বাস্তব জীবনে এতটাই নিরামিষ এবং নির্লিপ্ত, যে তারা কারও সাথে কখনও প্রেম করেনি বা করতে পারেনি। অনলাইনে ডেটিং এর ক্ষেত্রে এমন মানুষেরা বিভিন্ন কৌশলে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তলার চেষ্টা করেন।
৭) অনলাইন প্রেমের ক্ষেত্রে একসাথে অনেকগুলো প্রেম করা যায়
এটা হলো অনলাইন ডেটিং এর সবচাইতে ভয়াবহ একটি ব্যাপার। ফেসবুকে বা অন্যান্য ওয়েবসাইটে ইচ্ছে করলেই একের অধিক ফেক আইডি খুলে ফেলা যায়। আর ইচ্ছে থাকলে সেই অনেকগুলো আইডি থেকে প্রেম করা যায় অনেক জনের সাথে। আপনি যার সাথে অনলাইনে ডেটিং করছেন, সে একই সাথে আপনার বন্ধুর সাথেও যে প্রেম করছে না এটা কি করে জানবেন আপনি? জানার কোনও উপায় নেই। তাই এ ধরণের সম্পর্কের ব্যাপারে থাকুন খুব সাবধান।

বিশ্বের ১০ জন মানুষের মধ্যে অন্তত একজন ফেসবুকে ডেটিং করেন!

একসময় মনের মানুষের সঙ্গে দেখা করার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করেছে নারী কিংবা পুরুষ। সপ্তাহে ১ থেকে ২টি পত্র পেলেই মনে হতো প্রতি মুহূর্তে যেন একজন অন্যজনের পাশেই রয়েছে। সেই প্রেমের সম্পর্ক থেকে অনেক সম্পর্ক রূপান্তরীত হয়েছে দাম্পত্য জীবনে। কিন্তু প্রযুক্তির সহজ লভ্যতায় সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে অতীতের গল্প কাহিনী।
এখন আর সেই চিঠির দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয়না কাউকে। কারণ সবার হাতে হাতে রয়েছে মোবাইলফোন আর ইন্টারনেট।
২০০৫ থেকে ২০১২ সাল এই ৭ বছর অন্তত সাত শতাংশ মানুষ ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। শুধু প্রেম নয়, প্রেমের সম্পর্কের পর বিবাহ করেছেন এবং তারা বেশ সুখে শান্তিতেই রয়েছেন৷ এমনটাই জানিয়েছেন গবেষকরা।
এ বিষয়ে কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জেফরি হল জানিয়েছেন, মানুষের জীবনযাত্রায় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে৷ যার ফলে ভালোবাসা অনেক সহজ হয়ে গেছে৷ মানুষ এখন একাধিকবার প্রেমে পড়ছেন আর খুব সহজেই খুঁজে নিচ্ছেন জীবনসঙ্গী। তবে যদি মনের মতো সঙ্গী পাওয়া যায় তবে দাম্পত্য জীবনে সুখ থাকবেই৷
জেফরি গবেষণা প্রতিবেদন থেকে আরো জানা গেছে, বিশ্বের ১০ জন মানুষের মধ্যে অন্তত একজন ফেসবুকে ডেটিং করেন৷ সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল এরফলে ধর্ম, জাতি, দেশ, বয়স সবকিছু মিলে মিশে যাচ্ছে৷
তার এই গবেষণায় দেখা গেছে বিশ্বেও ১৮৫২৭ জন মানুষ সমস্ত কিছু ভুলে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন ভালোবাসাকেই। তাই যারা ফেসবুক বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন তাদের দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটছে৷

মঙ্গলবার, জুলাই ১৫, ২০১৪

উত্তেজনা জাগাবে ইলেকট্রনিক চিপ!

এখন আর মুড তৈরি করে সহবাসের প্রয়োজন নেই৷ কারণ খুব শীঘ্রই বৈজ্ঞানিকরা এমন একটা ইলেকট্রনিক চিপ আবিষ্কার করতে চলেছেন যা আপনার শরীরে অনায়াসেই উত্তেজনা তৈরি করবে৷
তার ফলে যখনই আপনি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে যখনই শারীরিক ভাবে মিলিত হতে চাইবেন তখনই অনায়াসেই আপনার শরীরে যৌন মিলনের উত্তেজনা তৈরি হবে৷ সঙ্গীর সঙ্গে যৌন মিলনের আনন্দ আপনি সহজেই উপভোগ করতে পারবেন৷
এই চিপটা মস্তিষ্কের সেই অংশে লাগানো হবে যা যৌন উত্তেজনা জাগায়৷ এই চিপটার মধ্যে দিয়ে মস্তিষ্কে হালকা বৈদ্যুতিক রে দেওয়া হবে৷ যা মস্তিষ্কের সেক্স নিয়ন্ত্রন কারী অরগ্যানকে সক্রিয় করবে৷
এই রে দেওয়ার পরেই ব্যক্তির মধ্যে যৌন মিলনের উত্তেজনা প্রকাশ পাবে৷ 2020 সালের মধ্যেই খুব সম্ভবত এই চিপটা বাজারে চলে আসবে৷

সোমবার, জুলাই ১৪, ২০১৪

অসুস্থ প্রেমের অসুস্থ প্রকাশ

ফেসবুকে আছি সাড়ে চার বছর ধরে। এই সাড়ে চার বছরে ফেসবুকে অজস্র প্রেম হতে দেখেছি, অজস্র প্রেম ভাঙতে দেখেছি, ভাঙাভাঙির পর প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকাদের পারস্পরিক কাদা-ছোড়াছুড়িও দেখেছি। অফলাইনে নরনারীদের মেশার সুযোগ কমে যাওয়ায় এবং অনলাইনে প্রেম হওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ বিধায় এখনকার অধিকাংশ প্রেমই হয়ে থাকে অনলাইনে পরিচয়ের মাধ্যমে। আর অনলাইনে প্রেম হয়ে যাবার পর সেই যুগলেরা প্রেমের প্রচার-প্রচারণাও করে থাকেন সাড়ম্বরে।
সামনাসামনি পরস্পরের দেখা পর্যন্ত হয়নি, এমন অনেকের প্রেম হতে দেখেছি ফেসবুকে। দেখেছি তাদের পরস্পরের ওয়ালে অতি-প্রেমের উদ্বাহু-উন্মাতাল প্রকাশ, বিরক্তিকর-বিব্রতকর প্রেমতাণ্ডব! সামনাসামনি দেখা হবার আগেই প্রকাশ্য ফেসবুকে পরস্পরকে 'বউ' বা 'স্বামী' বলে সম্বোধন, বিপরীত-জনের বাবা-মাকে শ্বশুর-শাশুড়ি বলে আখ্যায়িত করে সেই কথিত শ্বশুর-শাশুড়িদেরকে নিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি, ফেসবুক আইডির নাম এডিট করে প্রেমিকের পারিবারিক পদবি নিজের নামের সাথে যুক্ত করা ইত্যাকার বর্ণাঢ্য-বিচিত্র নখরামো-ন্যাকামোর পসরা বহু দেখেছি মার্ক জুকারবার্গের এই নীল-শাদা নাট্যমঞ্চে! বিয়ের পরে কয়টা বাচ্চা হবে, বাচ্চাদের নাম কী হবে তা নিয়েও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ ঝগড়া-ফ্যাশাদ হতে দেখেছি! আবার দেখেছি ঐ জুটিদের পরস্পরের দেখা হবার আগেই এহেন জাঁদরেল-জমকালো প্রেম ভেঙে যেতে! ভাঙাভাঙির পর দেখেছি ফেসবুকেই আবার নতুন প্রেমের গড়াগড়ি, নতুন কাউকে 'বউ' বা 'স্বামী' বানাবানি, নতুন কারো বাবা-মাকে শ্বশুর-শাশুড়ি আর ভাই-বোনকে শালা-শালি-দেবর-ভাসুর বানানো কিংবা নতুন এক সেট বাচ্চার নাম-নির্ধারণ নিয়ে নতুন কেস-মামলার আমদানি!
প্রাইভেট আলাপের জন্য জনাব জুকারবার্গ ফেসবুকে 'ইনবক্স' নামক একটি প্রাইভেট জায়গা রেখেছেন। কিন্তু অনেক ভার্চুয়াল জুটির ঐ ইনবক্সে পোষায় না। তাদের জগৎজোড়া ভালোবাসা ইনবক্স থেকে ফুলে-ফেঁপে চুইয়ে-চুইয়ে ঠিকরে-ঠিকরে বাইরে এসে ওয়ালে-স্ট্যাটাসে দৌড়োদৌড়ি করে। তাদের যে ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডগুলো ইনবক্সেই সুচারুরূপে সম্পাদিত হতে পারত,তা কেঁচোর মতো মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে এসে ছড়িয়ে পড়ে মানুষের হোমপেজে;দেখা যায় হোমপেজে-হোমপেজে ময়নাটা-সোনাটা-বাবুটা-পাগলটা-জানপাখিটা-কুট্টুশটা-প্রিয়মানুষটা নামক কিম্ভূত প্রাণিকুলের অদ্ভুত আনাগোনা!
এই নাগরিক কোষ্ঠকাঠিন্যের যুগে ফেসবুকে প্রেম হওয়া, কিছু দিন বাদে প্রেম ভেঙে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়; কিন্তু অস্বাভাবিক হচ্ছে এসব প্রেমের অসুস্থ প্রদর্শনী বা শো-অফ। বাস্তব জীবনে নিগৃহীত-লাঞ্ছিত-বঞ্চিত অনেকেরই প্রেম হয় ফেসবুকে। তাই প্রেমটা হয়ে যাবার পর এটিকে তারা বিবেচনা করেন 'বিশ্বজয়' হিশেবে এবং এই বিশ্বজয়ের ঘটনাটিকে তারা ফেসবুকে প্রচার করেন বিশেষ বীরত্ব হিশেবে! এ সব প্রেমে আন্তরিকতার চেয়ে শো-অফ বেশি, পরস্পরের সাথে একান্তে সময় কাটাবার চেয়ে ছবি তুলে যথাদ্রুত ফেসবুকে আপলোড করে অন্যদের চোখ ধাঁধিয়ে দেয়ার তাড়না বেশি, যথাসম্ভব রগরগে ছবি আপলোড করে নিজেদেরকে 'সাহসী' ও 'প্রগতিশীল' প্রমাণ করার প্রবণতা বেশি! যে দালানের ভিত্তি দুর্বল, সে দালান যেমন ভেঙে পড়ে সামান্য দমকা বাতাসেই; তেমনি এসব শো-অফসর্বস্ব ভার্চুয়াল প্রেমের পরিণতিও হয় অত্যন্ত করুণ। এক সময়ে যে ছিল সোনাটা-ময়নাটা, প্রেমটা ভেঙে যাবার পর সে-ই হয়ে যায় খানকিটা-বেশ্যাটা!
বাস্তব জীবনে নিগৃহীতরাই ফেসবুকে প্রেমের শো-অফ বেশি করে থাকে। এই শো-অফ এক দিকে যেমন মানসিক অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ, অন্য দিকে তেমনি এই শো-অফ প্রেমবঞ্চিতদেরকেও মানসিকভাবে অসুস্থ করে তোলে। ফেসবুকে উপর্যুপরি অন্যদের প্রেমতাণ্ডব দেখে প্রেমবঞ্চিতরাও যেনতেন প্রকারে প্রেম পাবার জন্য ফেসবুকে নানাবিধ অসুস্থ-অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দেয়। অর্থাত্‍ ফেসবুকে প্রেমের শো-অফের কুফল বহুমুখী।
প্রেম উতলে উঠলে অনেকে পরস্পরকে নিজের আইডির পাসওয়ার্ডও দিয়ে দেয়, যার ফল হয় অত্যন্ত ভয়াবহ। অতি সম্প্রতি ফেসবুকের এক বাটপার ধরা পড়েছে, যে প্রেমিকার আইডির পাসওয়ার্ড নিয়ে সেই আইডি থেকে মানুষের সাথে চ্যাট করত এবং প্রেমিকার আইডি থেকে মানুষের কাছ থেকে টাকা চাইত। চ্যাট-শেষে সে সমস্ত চ্যাট হিস্ট্রি ডিলিট করে ফেলত, প্রেমিকাটি জানতেও পারত না তার আইডি ব্যবহার করে প্রেমিকপ্রবরটি কত মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে! শেষতক মানুষের হাতে ধরা পড়ে ঐ বাটপার প্রেমিকটি গণধোলাই খেয়ে ক্ষতবিক্ষত-বিধ্বস্ত হয়ে শাহবাগ থানায় ঠাঁই নিয়েছিল। অমন হাজারও বাটপার ঘাপটি মেরে আছে এই ফেসবুকে, অতএব কারো কাছেই পাসওয়ার্ড হস্তান্তর উচিত নয়।
ফেসবুকে আরেক কিসিমের আদিখ্যেতা দেখা যায়, সেটি 'ফেসতুতো ভাই-বোন' পাতানো। রক্তের ভাই-বোনদের খবর না রেখে এই ভাই-বোনেরা ফেসতুতো ভাই-বোনদের জন্য ভার্চুয়াল জান কোরবান করে দেয়, পরস্পরকে পাসওয়ার্ড দিয়ে দেয় এবং পাসওয়ার্ড দেয়ার পর অনিবার্য পরিণতি ফেসতুতো বোনটিকে ফেসতুতো ভাইটির ব্ল্যাকমেইলিং!
প্রেম ব্যাপারটি ব্যক্তিগত। এর অতি-প্রকাশ প্রেমকে খেলো করে দেয়। জুটিদের মাত্রাতিরিক্ত ছবি আপলোড প্রেম ভেঙে যাবার পর তাদেরকে বেকায়দায় ফেলে। ফেসবুকে ছবি প্রচার করলে তা জনে-জনে ছড়িয়ে পড়ে এবং এসব ছবি পরবর্তী জীবনে আপদ হয়ে দাঁড়ায়। ভার্চুয়াল প্রেমিককে অতি বিশ্বাস করে পাসওয়ার্ড দেয়াকে কেন্দ্র করে প্রেমিকার আত্মহত্যার নজিরও এ বিশ্বে আছে। প্রেমে-ভালোবাসায় প্রকাশ-প্রচারণা জরুরি নয়, জরুরি পরস্পরকে অনুভব। হাজারটা চুমুর ইমোর চেয়ে বাস্তবে একটি চুমু, হাজার ঘণ্টা চ্যাট করার চেয়ে মুখোমুখি কয়েকটি মিনিট চোখাচোখি অধিক জরুরি। পরস্পরকে দেখার আগেই যে প্রেম, সে প্রেম প্রেম নয়। প্রেম আলিঙ্গন চায়,চুম্বন চায়;চুম্বনের ইমোয় পরস্পরের ওয়ালকে গোয়াল বানিয়ে রাখা কিংবা আলিঙ্গনের ভূরি-ভূরি ছবি প্রকাশ নিষ্প্রয়োজন। কবে কীভাবে পরিচয় ঘটেছিল, কে কই কী খেতে গিয়েছিল, কে কাকে কই জড়িয়ে ধরেছিল;এর নৈমিত্তিক ধারাভাষ্য ফেসবুকে প্রচার অবান্তর। প্রেমিক-প্রেমিকারা প্রেমিক-প্রেমিকা, ভাষ্যকার না।
অসুস্থ প্রেমের অসুস্থ প্রকাশ সুস্থদেরকেও অসুস্থ করে তোলে, প্রেমহীনদেরকে করে তোলে আগ্রাসী। প্রেমে সুস্থতা আসুক, সবাই উপলব্ধি করুক -- অতি-প্রকাশিত প্রেম প্রেম নয়, অপ্রকাশিত প্রেমই প্রেম।

'জীবন ছোট, একটি প্রেম করুন'!

প্রায় প্রতিটি দেশেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন নারী বা পুরুষ। গোটা বিশ্বে দিন দিন বৃদ্ধিই পাচ্ছে এর সংখ্যা। তবে পরকীয়া বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে অনলাইন সাইটগুলোকে। বা বলা ভালো ডেটিং সাইটগুলোকে! অবশ্য এসব সাইটগুলো বেশ ঘটা করেই নিজেদেরকে 'চিটিং' সাইট বলে থাকে। যেমন অ্যাশলে ম্যাডিসন ডটকমের কথাই ধরা যাক। ২০০২ সালে কানাডাভিত্তিক ওয়েবসাইট অ্যাশলে ম্যাডিসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই সাইটের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে মানুষকে পরকীয়া করার সঙ্গী খুঁজে দেয়া। একটা নির্দিষ্ট অংকের টাকার বিনিময়ে আপনি তাদের সদস্য হতে পারবেন আর তারপর এই ডেটিং সাইট থেকে খুঁজে নিতে পারবেন মনের মত পরকীয়ার সঙ্গী। অ্যাশলে ম্যাডিসন ডটকমের স্লোগান- 'জীবন ছোট, একটি প্রেম করুন'!
অনলাইনে ক্রমশ বাড়ছে এমন বিভিন্ন ধরনের চিটিং সাইটের প্রসার ও ব্যবহার। আর এসব সাইটের কারণে ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে পরকীয়ার মতো ঘটনা। অনেকেই এসব সাইটের সাহায্যে দাম্পত্য জীবন থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে কিংবা তাদের সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করছে। লাখ লাখ মানুষের গন্তব্য এখন ডেটিং ওয়েবসাইটগুলো।
এ প্রসঙ্গে ২৯ বছর বয়সী এক ভারতীয় নারী বলেন, এ ধরনের ওয়েবসাইটের সাহায্যে তিনি তার অবিশ্বস্ত স্বামীর প্রতি প্রতিশোধ নিতে পেরেছেন। আবার ৪৫ বছর বয়সী এক বিবাহিত পুরুষ বলেন, এটা তার পরিবার ভাঙতে ইন্ধন যুগিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে অ্যাশলে ম্যাডিসন ডটকমের মত আরো ডজনখানেক 'চিটিং' ওয়েবসাইট এখন জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ ধরনের একটি ওয়েবসাইটের প্রতিষ্ঠাতা নোয়েল বাইডারম্যান নিজেদের সাফাইতে বলেন, "কেউ আমাকে এমন কোনো সমাজ দেখাতে পারবে না, যেখানে বিশ্বাসভঙ্গের ঘটনা ঘটে না।"
তাহলে প্রশ্ন আসে, এসব সাইট কি 'বিশ্বাসভঙ্গ' উৎসাহিত করছে?
এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটনের সমাজবিজ্ঞানের প্রফেসর পিপার স্কুয়ার্জ বলেন, "আমার ধারণা, কিছু মানুষ তাদের সম্পর্কের বাইরে যৌনতা কামনা করে কিন্তু কীভাবে তা করবে, সে সম্পর্কে কোনো ধারণা করতে পারে না। তাদেরকে কেবল রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে এসব সাইট।

শনিবার, জুলাই ০৫, ২০১৪

গোপনে গবেষণা করেছে ফেসবুক

ব্যবহারকারীদের তথ্য নিয়ে গোপনে গবেষণা করেছে ফেসবুক। শুরুতে ছয় লাখ ৮৯ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে গোপনে এই গবেষণা চালায়। আমাদের মেজাজমর্জি কিভাবে ফেসবুক পোস্টের কারণে পরিবর্তিত হয় তা নিয়েই চলে এই গবেষণা। গোপন এই গবেষণা নিয়ে প্রযুক্তিবিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
অনলাইনে আমাদের নিয়ে পরীা করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। সামনে আমাদের বিভিন্ন সেবা দিচ্ছে আর পেছনে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। এর আগে গুগলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠেছিল। আর সম্প্রতি গোপনে ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে গবেষণা করায় সমালোচনার মুখে পড়েছে ফেসবুক। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ভোটের রাজনীতিতে কাজে লাগানো হতে পারে ফেসবুকের গোপন গবেষণার ফল। ফেসবুকে আপনার কম্পিউটারে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই আপনাকে খুশি করা বা দুঃখ দেয়ার পদ্ধতিটি বের করে ফেলেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
অনলাইন জগতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নিয়ে সাধারণ যে পরীা চালানো হয় তাকে বলা হয় ‘এ/বি’ পরীা। অনলাইনভিত্তিক কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের অল্প কিছু গ্রাহককে নিয়ে ভিন্ন ওয়েব অভিজ্ঞতা দেয়ার কাজে এ ধরনের পরীা চালায়। আপনি যদি কোনো ‘এ/বি’ পরীার অংশ হয়ে যান তবে আপনার স্ক্রিনটি অন্যান্য ব্যবহারকারীর চেয়ে ভিন্ন দেখবেন। আপনারা দু’জন একই ওয়েবসাইটে থাকার পরও দু’জন ভিন্ন ভিন্ন স্ক্রিন দেখতে পাবেন।
অনুসন্ধান সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গুগল প্রায়ই অনলাইনে ‘এ/বি’ পরীা চালায়। গুগলের সার্চ অ্যালগরিদমে সামান্য পরিবর্তন এনে তা ভালো ফল দেখাচ্ছে কি না সেটি পরীা করতে এই পরীা করে গুগল।
ছয় লাখ ৮৯ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারীর হোমপেজের তথ্য নিয়ে বিশাল পরীা করা হয়েছে, যাতে কোন পদ্ধতিতে মানুষের আবেগ কোন দিকে ধাবিত করা সম্ভব, সে তথ্য পেয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফেসবুকের এই গবেষণার সাথে যুক্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। এ গবেষণা করতে ফেসবুক ব্যবহারকারীর নিউজ ফিড ফিল্টার করে তাতে মানুষের মন্তব্য, ভিডিও, ছবি ওয়েবলিংক শেয়ার করার বিষয়গুলো পরীা করে দেখেছে।
মজার ব্যাপার হলো সংবাদ সংস্থা সিএনএনও ‘এ/বি’ পরীা করে। এর মাধ্যমে খবরের বিভিন্ন শিরোনাম বদল করে কোনটিতে বেশি কিক পড়ে বা বেশি পাঠককে আকৃষ্ট করা যায় তা দেখে সিএনএন কর্তৃপক্ষ। ফেসবুক কর্তৃপও বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে নিউজ ফিডে কোনো কনটেন্ট দেখানো হবে তা দেখতে ‘এ/বি’ পরীা চালিয়েছে। এর ফলে আপনি যদি ফেসবুক ব্যবহারকারী হন, তবে একা আছেন, নাকি কারো সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছেন, কোন স্কুলে প্রথম গেছেন, আপনি কী পছন্দ করেন, তার সবই এখন জানে ফেসবুক। ফেসবুকের গোপন এই গবেষণা নিয়ে আইনজীবী, ব্লগার, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, রাজনীতিবিদসহ অনেকেই সোচ্চার হয়েছেন এবং সমালোচনা করছেন। আবেগ নিয়ে খেলা করা বা আবেগ নিয়ে প্রতারণা করার বিষয়টিকে সবাইই কলঙ্কজনক ও বিরক্তিকর বলে মনে করছেন। যদি মানুষের চিন্তা-চেতনাকে এভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তবে তাদের নিরাপত্তার প্রয়োজন এবং অন্তত তাদের জানিয়ে এসব কাজ করা উচিত। এটি শক্তিশালী একটি বিষয়, আর এ-বিষয়ক কোনো আইন নেই।
বেশির ভাগ ‘এ/বি’ পরীা দু’টি উদ্দেশ্যে করা হয়। একটি হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে এবং আরেকটি হচ্ছে ব্যবহারকারীর ওয়েব অভিজ্ঞতা আরো উন্নত করতে। একটি বাটন কোন স্থানে বসালে বেশি কিক পড়বে এবং বেশি বিক্রি হবে সে হিসেবে ‘এ/বি’ পরীার ফল নিয়ে বাটন বসানো যায়। সার্চ ইঞ্জিনে আরো উন্নত অনুসন্ধান ফল দেখানো বা সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারীকে বেশি সময় ধরে রাখাও এর উদ্দেশ্য। তবে ফেসবুক ও অন্যান্য ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান ব্যবহারকারীর অনুমতি নেয়ার জন্য ‘অপশন’ রাখতে পারে। যাতে কোনো গবেষণা করার আগে ব্যবহারকারী সে পরীায় অংশ নিতে চান কি না সে নিয়ন্ত্রণ তার হাতে থাকবে। ছয় লাখ ৯০ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী যদি জানতেন তারা ফেসবুকের মুড পরীার অংশ হতে যাচ্ছেন তবে ফেসবুককে এত সমালোচনার মুখে পড়তে হতো না।
ফেসবুক কর্তৃপ জানিয়েছেন, ফেসবুকের আমাদের সেবা উন্নত করতে, প্রাসঙ্গিক কনটেন্ট দেখাতে ও ব্যবহারকারীকে আরো বেশি ফেসবুকের সঙ্গে যুক্ত রাখতে এ গবেষণা করেছি। গবেষণার বড় একটি অংশ ছিল বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের েেত্র মানুষ কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখায়। ব্যবহারকারীর বন্ধুর পোস্ট করা কোনো খবর বা অনুসরণ করা পাতায় কোনো খবরে নেতিবাচক নাকি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া থাকে, সেটা জানার প্রয়োজনে এ গবেষণা। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের আরো উন্নত সেবা দেয়ার কথা বলে এ গবেষণার কারণ ব্যাখ্যা দিলেও অনেকেই তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, ফেসবুকের এই প্রক্রিয়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে কোনো বিশেষ দলকে জয়ী হতে সাহায্য করতে পারে কিংবা ফেসবুকে ব্যবহারকারীদের ধরে রেখে তাদের কাছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে ভালো পরিবেশ সৃষ্টি করে রাখতে ব্যবহৃত হতে পারে। সিএনএন জানিয়েছে, ফেসবুকের দাবি সত্য হলে তাদের উদ্দেশ্য অবশ্যই মহৎ কিন্তু তারা যে উপায়ে এটা করেছে সেটা অনৈতিক। মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করা ‘এ/বি’ টেস্টের একটি উদ্দেশ্যে হলেও ফেসবুকের করা পরীা ইচ্ছাকৃত। এতে মানুষকে জোর করে নেতিবাচক আবেগ ধরে রাখতে বাধ্য করা হয়েছে।
অনলাইনে এ ধরনের পরীা চালানোর জন্য আমরা নিজেরাই অনুমতি দিয়ে থাকি।
ফেসবুকের তথ্য ব্যবহারের নীতিমালাটি কখনো পড়েছেন?
এই নীতিমালায় বলা হয়েছে, আপনার অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী, ট্রাবলশুটিং, তথ্য বিশ্লেষণ, পরীা, গবেষণা ও উন্নত সেবা প্রদান করতে সব ধরনের তথ্য ব্যবহার করতে পারবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এর মানে হলো আমরা বিনামূল্যের সেবা গ্রহণ করলেও এর দাম হিসেবে আমরা আমাদের তথ্য ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছি। তবে দুঃখের বিষয় হলো ইন্টারনেটে আমরা ইতিবাচক ভেবে বিভিন্ন পরীায় গিনিপিগ হয়ে ব্যবহৃত হচ্ছি!
 

মঙ্গলবার, জুলাই ০১, ২০১৪

ভারতীয় রকেটে পাঁচ বিদেশি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ

মহাকাশ বিজ্ঞানে পশ্চিমি দুনিয়ার একচেটিয়া দখলদারিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে নজির গড়েছে ভারত। গতকাল সোমবার সকালে ভারতের রকেটে চেপে মহাকাশ পাড়ি দিল পাঁচটি বিদেশি উপগ্রহ। উৎক্ষেপণ সফল হতেই টেনশনে দম বন্ধ করে থাকা ইসরোর বিজ্ঞানীদের মুখে তখন চওড়া হাসি।
ভারতীয় রকেটে পাঁচ বিদেশি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ
অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র থেকে ইসরো পিএসএলভি-সি-২৩-রকেটের মাধ্যমে উপগ্রহগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়।
সেখানে উপস্থিত থাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উৎক্ষেপণের পর ইসরোর বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, 'এটি ভারতবাসীর গর্বের মুহূর্ত। এর সাক্ষী হতে পেরে আমি গর্বিত।'
তিনি সার্ক দেশগুলোকে উন্নত পরিসেবা দিতে ভারতকে উপগ্রহ তৈরির প্রস্তাব দেন। ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের এক নায়কের একটি জনপ্রিয় উক্তি টেনে নরেন্দ্র মোদি বলেন, 'এখনো পর্যন্ত আমরা অনেক কিছুই করেছি, কিন্তু তবু 'ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর' (এই হৃদয় আরো চায়)। আমি আমাদের বিজ্ঞানী দলকে সার্ক দেশগুলোতে উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য উপগ্রহ তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছি। এর ফলে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোরও সহায়তা হবে।
ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা ও সিঙ্গাপুর থেকে আনা হয়েছিল পাঁচটি উপগ্রহ। মহাকাশ থেকে পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী ফ্রান্সের উপগ্রহ স্পট-৭ (৭১৪ কেজি), জার্মানির আইস্যাট (১৪ কেজি), কানাডার এনএলএস ৭.১ ও এনএলএস ৭.২ (১৫ কেজি) এবং সিঙ্গাপুরের ভেলোক্স-১ (৭ কেজি) উপগ্রহগুলো উৎক্ষেপণ করে পিএসএলভি-সি২৩-রকেট। মহাকাশে পৌঁছে এনএলএস ৭.১ ও এনএলএস ৭.২ উপগ্রহটির কাজ হবে পুরো প্রক্রিয়ার দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণ। ভেলোক্স-১-এর কাজ মহাকাশ থেকে তোলা ছবি প্রদর্শন করা এবং পুরো প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ। পিএসএলভি-সি২৩-রকেট উৎক্ষেপণের কাজ শুরু হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমলে। মোদি বলেন, 'আমি হলিউডের সিনেমা 'গ্রাভিটি'র কথা শুনেছি। মহাকাশে ভারতের রকেট পাঠাতে ওই সিনেমা বানানোর চেয়ে কম খরচ পড়েছে।' সূত্র : আইএএনএস।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/deshe-deshe/2014/07/01/102209#sthash.Rts5xZxg.dpuf

ব্যবহারকারীদের অজান্তেই পরীক্ষা চালিয়েছে ফেইসবুক

ব্যবহারকারীদের না জানিয়ে তাঁদের মানসিক অবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে গোপনে পরীক্ষা চালিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুক। যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার সহযোগিতায় প্রায় সাত লাখ ব্যবহারকারীর ওপর এই গবেষণা চালিয়েছে তারা। ব্যবহারকারীদের অজান্তেই নিউজ ফিডে পরিবর্তন আনা হলে তাঁদের মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে, তা জানতেই এ পরীক্ষা চালানো হয়। গোপন এ পরীক্ষা চালানোর বিষয়টি স্বীকারও করেছে ফেইসবুক। তবে তাদের দাবি, পরীক্ষাকালীন ব্যবহারকারীদের কোনো তথ্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংগ্রহ করা হয়নি। অর্থাৎ নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তির তথ্যও ব্যবহার করা হয়নি। তবে এই কার্যক্রমকে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপের শামিল বলেই মনে করছেন অনেকে। বিষয়টিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের সদস্য জিম শ্যারিডান। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চালানোর আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
সূত্র : বিবিসি

এবার স্মার্ট ঘড়ি আনছে আসুস

স্যামসাং, এলজি ও মটরোলার পর অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্ট ঘড়ি বাজারে আনতে যাচ্ছে আসুস। এ ঘড়িতে থাকছে অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ৯৯ থেকে ১৪৯ ডলারের মধ্যেই পাওয়া যাবে ঘড়িটি, যা স্যামসাং ও এলজির তুলনায় বেশ কম। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এটি বাজারের আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

সোমবার, জুন ৩০, ২০১৪

এবার আই প্যাডেই মিলবে রতিসুখ!

আই প্যাডের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক! এও কি সম্ভব? হলিউডি কোনও ফ্যান্টাসি নয়, বাস্তবে জীবন্ত যৌন সঙ্গীর অভাব কিছুটা হলেও পূরণ করতে চলেছে 'ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড'। সৌজন্যে সেক্স টয় প্রস্তুতকারী সংস্থা 'ইন্টারঅ্যাক্টিভ লাইফ ফর্মস'। 

বান্ধবীর অভাবে 'একা বোকা' থাকার দিন এবার ফুরোল। হাতে থাকা স্মার্টফোন আর ট্যাবলেটের দৌলতে পছন্দসই বান্ধবীর সঙ্গে প্রেমালাপ করার সুবিধা মিলেছিল আগেই। সম্প্রতি সেই অনুভূতি আর এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগে বাজারে আসছে 'ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড'। নির্মাতাদের দাবি, এর সাহায্যে আই প্যাডের পর্দায় ভেসে ওঠা প্রেমিকার ছবি দেখতে দেখতে তাঁর সঙ্গে যৌন মিলনের সুখও পাওয়া যাবে। 

কী ভাবে সম্ভব হবে এই কাণ্ড? সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আই প্যাডের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যাবে যোনির আকারের এক অ্যাটাচমেন্ট। এই কৃত্রিম যোনির সাহায্যেই সঙ্গিনীর সঙ্গে ভিডিও চ্যাট করার সময় যৌন তৃপ্তিতে মেতে উঠতে পারবেন ব্যবহারকারী। জানানো হয়েছে, ফেসটাইম বা স্কাইপে বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি শরীরী মিলনের স্বাদও দেবে 'ফ্লেশলাইট অভিজ্ঞতা'। 

চলতি সপ্তাহেই বাজারে আসছে এই লঞ্চপ্যাড। মাত্র ২০ পাউন্ডের বিনিময়ে সুখের চাবিকাঠি অতএব হাতের মুঠোয়। বলা বাহুল্য, আপাতত তা থাকছে পুরুষদেরই একচেটিয়া।

বৃহস্পতিবার, জুন ২৬, ২০১৪

চ্যাট হিস্টোরি : পরকীয়া প্রেমীরা সাবধান!

পরকীয়া প্রেমীরা সাবধান! আপনাদের গোপন অভিসারের প্রতিটি কথা ধরা থাকছে প্রযুক্তির সিন্দুকে। অজান্তেই যার নাগাল পেয়ে যেতে পারেন আপনাদের 'বেটার হাফ'-রা। আর তার জেরেই আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় বাজিমাত্‍ করতে পারেন তাঁদের আইনজীবীরা।
ল্যান্ডলাইনে কথা বলার দিন আজ প্রায় ইতিহাস। মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটের মাধ্যমেই চলে যাবতীয় যোগাযোগ। কিন্তু সেই সূত্রের জেরেই ইদানীং বিপাকে পড়ছেন অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া প্রেমিক-প্রেমিকারা। ভালবাসার মানুষটির সঙ্গে তাঁদের কথাবার্তার প্রতিটি মুহূর্ত ধরা থাকছে হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার, জি টক এবং মোবাইল ফোনের মেসেজে। অকাট্য প্রমাণের সেই পথ তাড়া করেই বহু যত্নে লুকিয়ে রাখা পরকীয়ার হদিশ পেয়ে যাচ্ছেন তাঁদের স্বামী বা স্ত্রী।
ল্যান্ডলাইন ফোনের আমলে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় দ্বিচারিতার প্রমাণ জোগাড় করতে হিমশিম খেতেন আইনজীবীরা। সম্প্রতি সাক্ষ্য হিসেবে চ্যাট হিস্ট্রি আদালতে স্বীকৃতি পাওয়ায় সুবিধে হয়েছে। কিছু দিন আগে এমনই প্রযুক্তিগত প্রমাণের সাহায্যে আদালতে স্বামীর পরকীয়া প্রেম প্রমাণ করতে পেরেছেন বেঙ্গালুরুর এক গৃহবধূ। অন্য এক মহিলার প্রেমে পাগল তাঁর স্বামী খেয়ালই করেননি হোয়াটসঅ্যাপে প্রেমিকার সঙ্গে তাঁর সমস্ত ফস্টিনষ্টির প্রমাণ থেকে গিয়েছে। প্রেমে গদগদ সেই সব মেসেজ আদালতে পেশ করে মামলা জিতে যান ওই গৃহবধূ।
বেঙ্গালুরুর এক ফ্যামিলি কোর্টের আইনজীবী গীতা মেনন জানিয়েছেন, 'আজকাল বহু মক্কেলই হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য চ্যাট সাইটের বিস্তারিত মেসেজ তালিকা সঙ্গে নিয়ে আসেন। মোবাইল ফোন থেকে কোনও নম্বরে ফোন করে তা পরে ডিলিট করে দিলেও পার পাওয়ার উপায় নেই। সার্ভিস প্রোভাইডারকে ফোন করে নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বরের কল লিস্ট আাদায় করা এখন সহজ।'
পরিসংখ্যান বলছে, বিবাহ বিচ্ছেদের মামলার ৪০ শতাংশের পিছনেই রয়েছে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। চাকুরিজীবীদের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় সহকর্মীর সঙ্গে গড়ে উঠছে ঘনিষ্ঠতা, আবার গৃহবধূরা অনেকেই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছেন পরিবারের অন্য কোনও সদস্যের সঙ্গে। কখনও আবার নানা কাজে হামেশা মেলামেশা করতে হয় এমন কোনও পরিবারের বাইরের মানুষও তাঁদের মনে জায়গা করে নিচ্ছে। আইনজীবী উজ্জ্বলা মান্ডগির মতে, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর প্রজন্ম ফোনে বেশি কথা বলার চেয়ে মোবাইল টেক্সটিং বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো চ্যাট সাইটের মাধ্যমে মেসেজ চালাচালি করতেই পছন্দ করেন। সেই সমস্ত রেকর্ড হাতেনাতে পাওয়ার পর দ্বিচারিতা প্রমাণ করা খুবই সহজ।
পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়লে অতএব এ সব ব্যাপারে সজাগ হওয়া খুবই দরকার। অন্যথায় অপেক্ষা করুন আরও কয়েকটা বছর, যখন অবৈধ প্রেমের মেসেজ লুকোনোর পাল্টা কোনও প্রযুক্তি খুঁজে পাবে টেক দুনিয়া। সূত্র : এই সময় 

ফেসবুকে অন্য বন্ধুদের আবেগ-অনুভূতি সম্বলিত কমেন্টে দ্বারা দ্রুত প্রভাবিত হন আপনি নিজেও !

FBprof3সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ফেসবুকে আপনার বন্ধুর করা নেতিবাচক আবেগজনিত পোস্টগুলোর কারণে আপনার মন খারাপ হয়ে যেতে পারে দ্রুত। সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, অনলাইনে বন্ধুদের আবেগ-অনুভূতি দ্বারা দ্রুত প্রভাবিত হয় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীরা
এ গবেষণাটি করেছে কর্নেল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া ও ফেসবুক। এতে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের প্রায় ছয় লাখ ৮৯ হাজার ইতিবাচক ও নেতিবাচক পোস্ট পর্যবেক্ষণ করা হয়।
এতে দেখা যায়, একজনের আবেগ তা ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক যাই হোক না কেন, অন্য ব্যবহারকারীদের প্রভাবিত করে।
কর্নেল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জেফ হ্যানকক বলেন, ‘দেখা গেছে যাদের ফেসবুকের নিউজ ফিডে এক সপ্তাহের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ইতিবাচক পোস্টের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা স্ট্যাটাস আপডেটে বেশি নেতিবাচক শব্দ ব্যবহার করছেন।’
প্রফেসর হ্যানকক আরও বলেন, ‘তবে যখন নিউজ ফিড থেকে নেতিবাচকতা সরিয়ে দেওয়া হয়, তখন বিপরীত অবস্থা দেখা যায়। এতে মানুষের স্ট্যাটাস আপডেটে ইতিবাচক শব্দের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া লক্ষ্য করা যায়।’
অনলাইন সোশ্যাল নেটওয়ার্কগুলোতে একে অন্যের মধ্যে আবেগ বিনিময় বিষয়ে এটিই প্রথম গবেষণা।

ফেসবুকে ধরা খেল চোর

কাজ শেষে ঘরে ফিরে নিক ডাব দেখেন, সদর দরজায় তালা নেই। ঘর থেকে টাকাসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উধাও। কম্পিউটার খোলা। জিনিসপত্র নিয়ে চোর কেটে পড়লেও করে গেছে মারাত্মক ভুল। যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে তার অ্যাকাউন্ট খুলে রেখে গেছে।
আর যায় কোথায়? গ্যাক করে চোরকে পাকড়ালেন তিনি। গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের সেন্ট পলস শহরে এ ঘটনা ঘটে।
দ্রুত ওই অ্যাকাউন্টে ঢুকে চোরের সব তথ্য জেনে নেন নিক ডাব। চোরের নাম নিকোলাস উইগ। বয়স ২৬। আর দেরি করেননি তিনি। সোজা থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। ফেসবুক থেকে চোরের ছবিটিও নেওয়া হয়। এরপর শুধু বাকি ছিল চোরকে পাকড়াও করার কাজ। উইগকে ধরার পর তাঁর হাতে চুরি যাওয়া ঘড়ি পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে ডাকোটা কাউন্টির অ্যাটর্নির কার্যালয়ের মুখপাত্র মনিকা জেনসেন বলেন, ‘ডাকোটা কাউন্টিতে এই প্রথম এ ধরনের ঘটনা ঘটল। যেখানে একজন চোর চুরির পরে ফেসবুকে তার অ্যাকাউন্ট খুলে রেখে যায়।’
পুলিশের কাছে নিকোলাস উইগ স্বীকার করেছেন যে তিনিই ওই বাড়িতে ঢুকেছেন। বৃষ্টিতে ভেজা জামাকাপড় ঘরে রেখেছেন। ফেসবুকে লগইন করেছেন এবং জিনিসপত্র চুরি করেছেন। এ অপরাধের জন্য উইগের ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ এবং ২০ হাজার মার্কিন ডলার (১৫ লাখ ৫৪ হাজার ৬০০ টাকা) জরিমানা হতে পারে।ফেসবুকে ধরা খেল চোর

বুধবার, জুন ২৫, ২০১৪

ফেসবুকে কুরুচিকর মন্তব্য সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল কিশোরী

ফেসবুকে একের পর এক কুরুচিকর মন্তব্য পোস্ট। সেই নিয়ে সবার প্রশ্নের সম্মুখীন। পরিচিত এক যুবকের দীর্ঘদিন এই কুকর্ম সহ্য করতে না পেরে অবশেষে আত্মহত্যা করল এক কিশোরী। কিশোরীর নাম রিয়া খান্না। মঙ্গলবার রাতে পর্ণশ্রীর পাঠকপাড়ার ১৭ বছরের কিশোরী সেই যন্ত্রণার কথা লিখে রেখে যায় তার সুইসাইড নোটে। অভিযুক্ত যুবক ফয়জল ইমাম খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এদিন সন্ধ্যা থেকেই নিজের ঘর বন্ধ করে বসেছিল রিয়া। বাড়ির লোক ভেবেছিলেন, ঘরে বসে বোধহয় পড়াশোনা করছে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে রিয়ার মা ও বোনের সন্দেহ হয়। তাঁরা বারবার দরজা ধাক্কা দেন, চিৎকার করে ডাকেন। কিন্তু ভিতর থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। এরপরই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে জানালা ভেঙে ফেলেন তাঁরা। দেখেন, ছাদের লোহার বিমে ওড়না জড়ানো অবস্হায় ঝুলছে রিয়া। বিছানায় রাখা  সুইসাইড নোট।
তাতে লেখা, ফেসবুকে তার সম্পর্কে দিনের পর দিন নোংরা নোংরা মন্তব্য করে উত্ত্যক্ত করছিল ফয়জল। আপত্তিকর মেসেজও পাঠাচ্ছিল। সমাজের কাছে, পরিচিতদের কাছে তাকে হেয় প্রতিপন্ন্ করার জন্যই পরিকল্পনা করে এসব করছিল ফয়জল। সেই মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই আত্মহত্যা করতে হচ্ছে তাকে।
সুইসাইড নোট হাতে আসার পরই পুলিশ  আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করে ২৩ বছরের ফয়জলকে। ‘আইটি' আইন লঙঘনের অভিযোগও যোগ করা হয়েছে। ফয়জলের বাড়ি পর্ণশ্রী থানা এলাকাতেই, ২৫০ উপেন ব্যানার্জি রোডে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, রিয়ার সঙ্গে ফয়জলের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব। কিন্তু কোনো কারণে রিয়া সম্প্রতি ফয়জলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করে। প্রতিশোধ  নিতে ফয়জল ফেসবুককে হাতিয়ার করে।

মঙ্গলবার, জুন ২৪, ২০১৪

প্রযুক্তিগত বিড়ম্বনা থেকে মেয়েরা সাবধান

প্রযুক্তি জীবনকে দিয়েছে বেগ। কিন্তু এর বিড়ম্বনাও নেহায়েত কম নয়। গোপন ক্যামেরা ও দ্বিমুখী আয়না বর্তমান সময়ে তেমনি এক প্রযুক্তিগত বিড়ম্বনা। বিশেষত মেয়েদের জন্য গোপন ক্যামেরা এবং দ্বিমুখী আয়না একটা আতংক হয়ে উঠেছে। ইন্টারনেটে ঢুকলেই নানান সাইটে দেখা মিলে গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও,ছবি বা নিউজ। অনেক মেয়ে তাই যে কোনো নতুন জায়গায় গেলে আড়ষ্ট হয়ে থাকে। বন্ধুত্বেও অনেক সময় থাকে না স্বত:স্ফূর্ততা।
কিন্তু জীবনতো আর থেমে থাকে না। নানা প্রয়োজনে আপনাকে বিউটি পার্লার বা দর্জি বাড়ির দরজায় কড়া নাড়তেই হয়। কাজের সূত্রে বা বেড়াতে গেলে উঠতে হয় হোটেলে। শপিংমলের ট্রায়াল রুম, বিউটি পার্লার, হোটেল থেকে শুরু করে মেয়েদের স্কুল-কলেজ- টয়লেট এই গোপন ক্যামেরা থাকতে পারে। এর মাধ্যমে নষ্ট হতে পারে আপনার ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা।
গোপন ক্যামেরা ও দ্বিমুখী আয়না থেকে নিজেকে রক্ষা করার কিছু উপায় জানাচ্ছে অর্থসূচক।
ভুল ধারনা ত্যাগ করুন:
একটা ধারনা আছে ,যদি কোনো রুম থেকে কল করা যায় ও সেখানে নেটওয়ার্ক থাকে- তাহলে গোপন ক্যামেরা নাই। আর যদি কল করা না যায় ও নেটওয়ার্ক হঠাৎ করে ডাউন হয়ে যায়- তাহলে সেখানে গোপন ক্যামেরা রয়েছে। কিন্তু ধারনাটি সত্যি নয়। এভাবে নিশ্চিত হবেন না যে গোপন ক্যামেরার চোখ আপনার ওপর নেই।
মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত প্রযুক্তি এবং গোপন ক্যামেরার প্রযুক্তি ভিন্ন। তাই গোপন ক্যামেরা থাকলেও মোবাইল নেটওর্য়াক জ্যাম হবার কোন কারণ নেই। গোপন ক্যামেরা বসানো যায়গায় আপনি ভালভাবেই মোবাইলে কথা বলতে পারবেন । সাধারণভাবে মোবাইল ফোনে জিএসএম-৯০০ এবং জিএসএম-১৮০০ সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে গোপন ক্যামেরাতে ২.৫ গিগা হার্জের এফ সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়, যা মোবাইল সিগন্যালের চেয়ে ভিন্ন।
শপিংমলের ড্রেসিং/ট্রায়াল রুমে যে আয়না থাকে সেটা আসল নাও হতে পারে, এটিও গোপন ক্যামেরার মতই মারাত্মক। আসল আয়নার মাঝে এখন যুক্ত হয়েছে নকল আয়না, যাকে বলা হয় দ্বিমুখী আয়না। এই আয়নায় আপনি আপনার চেহারা দেখতে পারবেন, কিন্তু ভুলেও বুঝতে পারবেন না যে অন্যপাশে একজন আপনাকে দেখছে!
কি করবেন:
আপনার আঙ্গুল আয়নার উপর রাখুন। যদি আপনার আঙ্গুলের মাথা প্রতিবিম্ব আঙ্গুলের মাথার সাথে না লাগে (মাঝে যদি ফাঁকা থাকে) তাহলে আয়না আসল।
আর যদি আঙ্গুলের মাথা প্রতিবিম্বের মাথার সাথে লেগে যায়, তার মানে আয়না নকল! এটা আসল আয়না না, একটা দ্বিমুখী আয়না- যার অন্যপাশে থেকে আপনাকে দেখা যাবে, কিন্তু আপনি তাকে দেখতে পাবেন না। মানে অন্যপাশে থেকে কেউ আপনাকে দেখছে বা ভিডিও করছে!
কারণ আসল আয়নার সিলভার প্রলেপ থাকে আয়নার পিছনে, যার জন্য আপনার আঙ্গুল ও প্রতিবিম্বের মাঝে ফাঁকা থাকবে আয়নার পুরুত্বের জন্য।আর নকল আয়নার (দ্বিমুখী) সিলভার প্রলেপ থাকে আয়নার সামনে, যার জন্য আপনার আঙ্গুলের ছাপ আপনার আঙ্গুলের প্রতিবিম্বের সাথে লেগে যাবে কারন মাঝে কোনো বাঁধা নেই।
গোপন ক্যামেরা আছে সন্দেহ হলে, চারপাশ ভাল করে দেখুন। মূলত ছাদের কোনা, দেয়ালের ছবি, ফুলের টব অথবা আয়নার পিছনে বসানো হয় এটি। সুতরাং এই জায়গাগুলি ভাল করে খেয়াল করুন।
সিডি প্লেয়ার বা এজাতীয় বস্তুতেও বাসনো হয়। মূলত রুমের অন্ধকার এলাকাগুলোতে গোপন ক্যামেরা বসানো হয়, যাতে তা অন্যের নজরে না আসে; আবার আলোকিত এলাকার ছবিও ভালোভাবে পাওয়া যায়।
রুম পুরোটা অন্ধকার করে কিছু সময় নিন, যাতে করে চোখ অন্ধকারকে সয়ে যায়। এবার খুব ভাল করে দেখুন- লাল, সবুজ বা হালকা নীল কোন আলো কোথাও থেকে বের হচ্ছে কিনা খেয়াল করুন। যদি খুঁজে পান তবে ধরে নিতে পারেন সেটা ক্যামেরা।
রুমের সব তার খেয়াল করুন, কোন তার কোথায় গেছে সেটি বুঝার চেষ্টা করুন। তারগুলোর মাঝে যদি একটি তার বিশেষ কোন কোনায় চলে যায় বা এরকম সন্দেহ করেন তবে ওই তারের শেষ গন্তব্যটা সম্পর্কে নিশ্চিত হোন।
অনেক ক্যামেরাতে “মোশনডিটেক্টর” থাকে। মানে হলো আপনি রুমের যেদিকে যাবেন ক্যামেরার লেন্স অটোমেটিক সেই দিকে ঘুরে যাবে। আপনি রুম অন্ধকার করে একটু সময় নিন। এরপর খুব সাবধানে শব্দ না করে রুমের এদিক থেকে ওদিক যান। কান খাড়া করে কোন শব্দ পান কিনা খেয়াল করুন। আপনার ন
ড়াচড়ার সাথে সাথে যদি হালকা লেন্স ঘোরার শব্দ পান তবে বুঝবেন অবশ্যই গোপন ক্যামেরার নজরদারিতে আছেন আপনি।
অতি আধুনিক কিছু যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়, যা গোপন ক্যামেরা সনাক্ত করতে পারে। সেগুলি মুলত চীনের তৈরি, নেট হতে কম দামে এগুলো কিনতে পারেন।
সর্বোপরি,একমাত্র সচেতনতাই পারে আপনাকে যেকোন প্রাযুক্তিক বিড়ম্বনা থেকে রক্ষা করতে। সুতরাং সাবধান মেয়ে।

ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার ভাষা দূষণরোধে কমিটি

সরকারি, বেসরকারি ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় বাংলা ভাষার বিকৃতিরোধে তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়। এ কিমিটির সদস্যরা হলেন : তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ব্ভিাগের প্রতিনিধি, বাংলা একাডেমির প্রতিনিধি, বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ বেতারের প্রতিনিধি, অ্যাসোসিয়েশন অব টিভি চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)-এর প্রতিনিধি, বেসরকারি বেতার কেন্দ্রসমূহের প্রতিনিধি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি। তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (টিভি-২) কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এ কমিটির কার্যপরিধি হলো, সরকারি ও বেসরকারি ইলেকট্রনিক্স গণমাধ্যম তথা সকল টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতারে সংবাদ, অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় বাংলার সঙ্গে অহেতুক অন্যান্য ভাষার মিশ্রণ পরিহার করা, ভাষাকে বিকৃত না করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সমন্বয় করা, এ বিষয়ে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতার থেকে পাওয়া অগ্রগতি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা, এসব মাধ্যমকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান এবং প্রয়োজনীয় জরুরি বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা, বাংলাদেশের সকল টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতারসহ ইলেকট্রনিক্স গণমাধ্যমের ইংরেজি বিজ্ঞাপনে মিশ্র ভাষার ব্যবহার বন্ধ করার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বাংলা ভাষার দূষণ, বিকৃত উচ্চারণ, বিদেশি ভাষার সুরে বাংলা উচ্চারণ রোধের বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশের আলোকে সমুদয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা ইত্যাদি।

ভূত ধরার সফটওয়্যার xParanormal Detector!

নাটক সিনেমাতে আমরা দেখেছি ভূত ধরার যন্ত্র তবে এবার তৈরি হল xParanormal Detector নামে ভূত অর্থাৎ অতি প্রাকৃতিক বিষয়গুলো খুঁজে পাওয়ার সফটওয়্যার। যদিও ভূতের বর্তমান নিয়ে নানান জনের নানান মত তবে বিজ্ঞান বাস্তব জগতে ভূতের বিচরণকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এবার xParanormal Detector দিয়ে আপনি নিজেই দেখে নিতে পারবেন বাস্তব জগতে কি আসলেই কোন ভূতের উপস্থিতি রয়েছে কিনা!
ভূত মানে সোজা কথায় কোনো মৃত আত্মা বা অপচ্ছায়া। ভূতে বিশ্বাস সেই প্রাচীন কাল থেকেই। পৃথিবীর প্রাচীন লোককাহিনীতে ভূতের কথা উল্লেখ আছে। এবং পৃথিবীর অনেক জাতিই ভূতে বিশ্বাস করে। নানান সমাজে প্রচলিত আছে মানুষের মৃত্যুর পর মানুষের অতৃপ্ত আত্মা ভূতে পরিণত হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞানে কিংবা আধুনিক সমাজে তেমন কোন বিশ্বাস নেই এবং সেরকম কোন প্রমাণ উপস্থাপন করা যায়নি।বিভিন্ন সময় ভূত কিংবা অতি প্রাকৃতিক বিষয় সমূহ চিহ্নিত করতে নানান যন্ত্র যেমন অতি সূক্ষ্ম তেজস্ক্রিয়তার EMF detectors তৈরি করা হয়েছিল তবে প্রকৃত পক্ষে ভূতের কিংবা সেরকম কোন কিছুর অস্তিত্ব প্রমাণে অতি উৎসাহীরা ব্যর্থ হয়।
এবার xParanormal Detector নামে এমন একটি সফটওয়্যার ইন্টারনেটে পাওয়া যাচ্ছে যা দিয়ে আপনি কিনা জানতে পারবেন আপনার আসে পাশে কি কোন ভূতের অস্তিত্ব আছে নাকি! সফটওয়্যারটি প্রস্তুতকারীর ভাষ্য মতে আপনি xParanormal Detector v2.5 আপনার ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারে ইনিস্টল করে এটি রান করালে এটি আপনাকে ভূতের অবস্থান বিষয়ে তথ্য প্রদান করবে।ডিভাইসটি আপনাকে ভূতের অবস্থান, এর আকৃতি, ছবি এবং এর ভাষা সম্পর্কে ধারণা প্রদান করবে এমনকি এর মাধ্যমে আপনি ভূতের ভাষা অনুবাদ করে ভূতের সাথে আলাপ চালিয়ে যেতে পারবেন।এছাড়া এর মাধ্যমে কোন মৃত ব্যক্তির আত্মা যদি ফিরে আসে এবং আপনার সাথে কথা বলতে আগ্রহী হয় তবে আপনি কথা বলতে পারবেন।
এদিকে, একজন ব্যবহারকারী যিনি কিনা তার ল্যাপটপে xParanormal Detector v2.5 ইন্সটল করেছিলেন তিনি জানান, তিনি তার ল্যাপটপে এটি ইন্সটল করেন এবং এক রাতে এটি হঠাৎ অস্বাভাবিক সিগন্যাল দিতে থাকে। এবং সফটওয়্যারে দেখায় আমার জানালার সামনের রাস্তা দিয়ে কোন একটা অস্বাভাবিক কিছু পার হয়ে যাচ্ছে এবং সেটি quartz শব্দ করে বলে সফটওয়্যার দেখায়। একই সময়ে ঐ ব্যবহারকারীর প্রতিবেশী কোন একটা অস্বাভাবিক কিছু দেখে চিৎকার করে ওঠেন।
এই ঘটনার পর ঐ ব্যবহারকারী ভয় পান এবং তিনি xParanormal Detector v2.5 আনইন্সটল করে দেন। তিনি xParanormal Detector v2.5 বিষয়ে তার মতামতে জানান হয়ত এটি একটি ভাইরাস হতে পারে।
বি:দ্র: সফটওয়্যারটি ডাউনলোড কিংবা ইন্সটল করলে নিজ দায়িত্বে করবেন পরবর্তীতে যদি কোন অস্বাভাবিক ঘটনা কিংবা সমস্যা হয় ‘বিডি২৪লাইভ ডট কম‘ কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। এটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার প্রস্তুতকারীর এবং ব্যবহারকারীর মধ্যকার বিষয়।

মোবাইল অ্যাপ বদলে দেবে নখের রং

আপনি কী প্রতিদিন আপনার নখের রং বদলাতে চান? যদি চান, তাহলে এই শখ পূরণের জন্য যথেষ্ট সময় আপনার আছে কী? না থাকলে চিন্তার কিছু নেই। একটি মোবাইল অ্যাপই বদলে দেবে আপনার নখের রং।

নতুন আবিষ্কৃত একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছোট ছোট কিছু স্ক্রিন নখের ওপর লাগিয়ে দেওয়া হবে। স্ক্রিনগুলির রং ও ডিজাইন ইচ্ছামতো পরিবর্তন করা যাবে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে।
জিন লি নামের তাইওয়ানের এক ছাত্র এ প্রযুক্তির ধারণা দিয়েছেন।
স্ক্রিনগুলির মধ্যে থাকবে চিপ, যার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপিত হবে মোবাইল অ্যাপের সঙ্গে। সম্পূর্ণ তারবিহীন যোগাযোগের মাধ্যমেই এ কাজ করা যাবে।
তবে এই ‘নকল নখ’-গুলিকে দিনে সচল রাখার জন্য রাতের বেলায় চার্জ দিতে হবে। সূত্র: ডেইলি মেইল

মস্তিষ্ক সংরক্ষণের মাধ্যমে অমরত্ব লাভ সম্ভব!

মস্তিষ্ক সংরক্ষণ করে অমরত্ব লাভ সম্ভব! অবিশ্বাস্য হলেও এমনি কথা বলেছেন খ্যাতিমান বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। নিত্যনতুন ধারণার জন্মদাতা হিসেবে খ্যাতিমান বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের জুড়ি মেলা ভার। শরীরের বাইরে মানবমস্তিষ্ক সংরক্ষণের মাধ্যমে অমরত্ব লাভের সম্ভাবনা দেখছেন তিনি। তার নিজের জীবন কাহিনী নিয়ে নির্মিত ডকুমেন্টারির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মস্তিষ্ক অনেকটা প্রোগ্রামের মতো যা কিনা একটি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে রাখা সম্ভব।
মস্তিষ্কের সব তথ্য একটি কম্পিউটারের মধ্যে সংরক্ষণ করে মৃত্যুর পরও ভিন্ন ধরনের এক জীবনযাপন করাটা তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব বলে তিনি মতপ্রকাশ করেন। গার্ডিয়ান পত্রিকাকে তিনি এ কথাও বলেন, বিজ্ঞানের বর্তমান অগ্রগতি অনুযায়ী এটা এখনও আমাদের ক্ষমতার বাইরে।
প্রখ্যাত বই ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’-এর রচয়িতা স্টিফেন হকিং মাত্র ২১ বছর বয়সে মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হন।বর্তমানে তার বয়স ৭১।
মুখমণ্ডলের মাংসপেশি এবং এক চোখের পাতার ওঠানামা দিয়ে নিয়ন্ত্রিত কম্পিউটারের মাধ্যমে তিনি তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।