ইন্ডিয়ান রেডিওলজি এবং ইমাজিং অ্যাসোশিয়েসন এর প্রেসিডেন্ট, ডঃ ভাবিন জাঙ্কারিয়ার এই বিষয় নিয়ে বক্তব্যের একটি ভিডিও কদিন আগেই ইউটিউবে আপলোড করা হয়েছে। এই ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, ‘মোবাইলের টাওয়ার যার মাধ্যমে চলে তা একধরনের রেডিয়েশন, কিন্তু এই রেডিয়েশন শরীরে কোন রকমের ক্ষতি করেনা।’
‘সেলুলার অপারেটর অ্যাসোশিয়েসন ওফ ইন্ডিয়া’ র প্রধান রাজেন এস ম্যাথু জানিয়েছেন, ‘সমস্তধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষনা থেকে জানা গেছে যে, এই রেডিয়েশনে শরীরের কোনও ক্ষতি হয় না।’ কিছুজন ক্যানসারের কারন হিসাবে টেলিকম রেডিয়েশনকে দায়ী করে বেশ কয়েকবছর ধরে গুজব রটানোর চেষ্টা করেছে এবং মানুষকে ভুল বুঝিয়েছেন। টাটা মেডিকেল সেন্টার এর প্রধান এবং ভারতের বিখ্যাত ক্যানসার বিশেষোজ্ঞরাও এই মতের সঙ্গে সমর্থন জানিয়েছেন। কিছু বিশেষজ্ঞরা এও বলছেন যে গর্ভবতী মহিলা যদি এই রেডিয়েশনের শিকার হন তাহলেও শিশু এবং মা’এর শরীরে কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না।
২০১৩সা লে ‘ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন’ একটি রিপোর্টে জানিয়েছিল যে মোবাইলের রেডিয়েশন শরীরে নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে এমনকি ক্যানসারের মতো ব্যাধির কারনও এই রেডিয়েশন।